ব্যুরো নিউজ, ১২ই মে ২০২৬ঃ ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে ভরাডুবির পর অবশেষে প্রথম পদক্ষেপ নিল তৃণমূল কংগ্রেস। দলের শীর্ষ নেতৃত্ব দেবাংশু ভট্টাচার্যের নেতৃত্বাধীন আইটি সেলের কমিটি ভেঙে দিয়েছে। এর পরিবর্তে গঠন করা হয়েছে ৬ সদস্যের একটি কোর কমিটি। এই কোর কমিটিকে ‘SIR’ এবং ভোটগণনার দিনে কারচুপির অভিযোগকে সামনে রেখে প্রচারে নামার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই নির্বাচনে বিজেপি দুশোর বেশি আসনে জিতে সরকার গঠন করেছে, ফলে তৃণমূলকে বিরোধী আসনে বসতে হচ্ছে। হারের কারণ খুঁজতে আগামী ১৪ মে, বৃহস্পতিবার কালীঘাটে বৈঠকে বসছে তৃণমূল। এই বৈঠকে আন্দোলনের রূপরেখা নিয়ে আলোচনা হবে বলে খবর।
রাজনৈতিক মহলের মতে, নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর আপাতত ৬ মাস বা এক বছর বিরোধীদের হাতে তেমন কোনও ইস্যু থাকবে না। এই পরিস্থিতিতে দলের সংগঠন ধরে রাখা তৃণমূলের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এই দুর্দিনে কারা নেত্রীর পাশে রয়েছেন, তাও এই বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দেখে নিতে চাইছেন। ইতিমধ্যে বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা হিসেবে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নাম ঘোষণা করেছে তৃণমূল। ডেপুটি বিরোধী দলনেতা হিসেবে নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় ও অসীমা পাত্রের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। চিফ হুইপের ভূমিকায় দেখা যাবে ফিরহাদ হাকিমকে।
আগামীকাল, বুধবার বিধায়কদের শপথের মাধ্যমে বিধানসভা অধিবেশন শুরু হচ্ছে। এই অধিবেশনে ভোট কারচুপি এবং ভোট পরবর্তী হিংসা ইস্যুতে তৃণমূল বিধায়করা সরব হবেন বলে জানা গেছে। যদিও তৃণমূলের এই তৎপরতাকে গুরুত্ব দিতে নারাজ বিজেপি। দলের নেতা দেবজিৎ সরকারের কটাক্ষ, “তৃণমূল কংগ্রেস দলটি একটি রাজনৈতিক দল বলে মান্যতা পেলে, সেটা কতটা রাজনৈতিক দল, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকে যায়।” তাঁর দাবি, “এই তৃণমূলীকরণের বিরুদ্ধে মানুষ ভোট দিয়েছে।”





















