বিশ্ব জুড়ে

গুরুত্বপূর্ণ খবর

harsil gangotri trip

খুরে আসি : ‘স্বপ্ন রাজ্য’ হরসিল ভ্যালি, গঙ্গোত্রী, মুখবা গ্ৰাম

লাবনী চৌধুরী, ২১ জুন: একটা লম্বা ছুটি পেলে হরসিল ভ্যালি , গঙ্গোত্রী ঘুরে আসতে কিন্তু মন্দ লাগবে না। ভাবছেন ট্রেক করতে হবে? তবে বলে রাখি ট্রেক নয়। চাইলে এই পথেই ট্রেক করতে পারেন আর না চাইলে গাড়ি তো আছেই। ঘুরে আসি: কালিম্পংয়ের ছোট্ট গ্রাম সামথার গঙ্গোত্রীর ধারে, গাড়ওয়াল রেঞ্জের মাঝে হরসিল ভ্যালি। ছবির মত সুন্দর এই জায়গা। সোলো ট্রিপের অপশন তো রয়েইছে। তবে ফ্যামিলি ট্রিপ বেজায় আনন্দ দেবে। হাওড়া থেকে ঋষিকেশগামি ট্রেনের টিকিট বুক করে নিন। এখন নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন কোথায় মানতে হবে!  ঋষিকেশ থেকেই শুরু করতে পারেন আপনার যাত্রা। প্রথম দিন-  ঋষিকেশ থেকে গাড়ি বুক করে বেড়িয়ে পড়ুন গঙ্গোত্রীর উদ্দেশ্যে। সেখানে দেখে নেবন সূর্য্য কুন্ড। রাত্রিবাস গঙ্গোত্রী তেই। দ্বিতীয় দিন- প্রাতঃরাশ সেরে আজ বেড়িয়ে পড়ুন হরসিল্ ভ্যালির পথে। পথেই মিলবে গার্তাঙ্গ গলি, মুখবা গ্ৰাম। রাত্রিবাস হরসিল্ ভ্যালি। তৃতীয় দিন- আজ সারা ফিন হরসিল্ ভ্যালি সাইট সিন করতে পারেন। দেখে নিতে পারেন লামা টপ, মন্দাকিনী ফলস, বাগোরি ভিলেজ। চতুর্থ দিন- আজ ফেরার পালা। হরসিল্ ভ্যালি থেকে ঋষিকেশ ফেরার পথে দেখে নিন খেড়ি ওয়াটার ফলস। আর সেদিন রাতেই ফেরার ট্রেনও ধরতে পারেন।  

আরো পড়ুন »
kalimpong offbeat trip

ঘুরে আসি: কালিম্পংয়ের ছোট্ট গ্রাম সামথার

ব্যুরো নিউজ, ২০ জুন: হাতে কয়েকটা দিনের সময় করে না হয় বেড়িয়েই পড়ুন পাহাড়ের উদ্দেশ্যে। তবে দার্জিলিং, লেপচাজগত এখন পুরনো। সেখান হাজার মানুষের আনাগোনা। আজ আপনাদের এমন একটা অফবিট জায়গার খোঁজ দেব যা একেবারে ‘UN TOUCHED’ । হাতে গোনা কয়েক জন পর্যটকই দেখতে পাবেন এখানে। নেই কাতারে কাতারে মানুষের ভিড়। ঘুরে আসি: পাহাড়, জঙ্গলে মোড়া নিরিবিলি ছোট্ট পাহাড়ি গ্রাম কালিম্পংয়ের ছোট্ট গ্রাম সামথার কালিম্পং জেলার একটি ছোট্ট পাহাড়ি গ্রাম এই সামথার। এখানে ডুয়ার্স এর তরাই থেকে সূর্যোদয় আপনার মন কাড়বেই। শিলিগুড়ি থেকে মাত্র আড়াই ঘন্টার পথ। নিউ জলপাইগুড়ি,শিলিগুড়ি বা বাগডোগরা থেকে গাড়ি নিয়ে চলে আসুন সামথারে। সেবকের রাস্তা ধরে কালিঝোরা, ইয়াং মাকুম পেড়িয়ে পৌঁছে যাবেন লামাদারা সামথার-এ। কোথায় থাকবেন? এখানেই আছে হোমস্টে। এমনকি প্রিমিয়াম ক্যাটাগরির কটেজও আছে। সেখানেই কাটাতে পারবেন রাত। আর সেই অভিজ্ঞতাও হবে অসাধারন। কারন এখান থেকে ডুয়ার্স-এর তরাই অঞ্চল দেখা যায়। তাই বসে বসে সেই দৃশ্য দেখতে মন্দ লাগবেনা। পায়ে হেটে ঘুরে নিতে পারেন গ্রামটি। কী কী দেখবেন? এছাড়াও গাড়ি বুক করে ঘুরে নিতে পারেন পানবু, নকদাড়া। চেনা জায়গার মধ্যে রয়েছে লাভা, রিশপ, লোলেগাঁও। এছারাও কালিম্পং শহরের আনাচে কানাচেও ঘুরে দেখতে পারেন। হোমস্টেতে বলে রাখলে সব রকম গাড়ির ব্যবস্থা করে দেবে তারাই।

আরো পড়ুন »
OFFBEAT RAMDHURA

ঘুরে আসি: পাহাড়, জঙ্গলে মোড়া নিরিবিলি ছোট্ট পাহাড়ি গ্রাম

ব্যুরো নিউজ, ১৮ জুন : শহরের তীব্র গরমে নাজেহাল? কয়েক দিনের ছুটি নিয়ে বেড়িয়ে আসুন এই নিরিবিলি ছোট্ট পাহাড়ি গ্রাম থেকে। ঘুরে আসি: কালিম্পংয়ের এক অজানা গ্রাম গোকুল রামপুরিয়া ফরেস্ট দার্জিলিংয়ের খুব কাছেই রামপুরিয়া ফরেস্ট। অনেকেই ভিড়ে ঠাঁসা দার্জিলিং-এ থাকতে চাননা। প্রকৃতি প্রেমিরা সব সময়ই খোঁজ করেন নির্জন অফবিট জায়গা। তাই চলে আসতেই পারেন দার্জিলিংয়ের খুব কাছেই রামপুরিয়া ফরেস্টে। পাহাড়, জঙ্গলে মোড়া এই গ্রাম আপনার মন কাড়বেই। নিউ জলপাইগুড়ি, শিলিগুড়ি বা বাগডোগরা বিমান বন্দর থেকে জোরবাংলো হয়ে চলে আসুন রামপুরিয়া। চাইলে ব্রেক জার্নি করে জোরবাংলো থেকে শেয়ার গাড়িতেও রামপুরিয়া আসতে পারেন। এক্ষেত্রে ৭০০-৮০০ টাকা মাথাপিছু খরচ পড়বে। আর গাড়ি বুক করে আসতে চেইলে খরচ পড়বে ৫ হাজার মত। এখানে পাহাড়ের কোলে ছোট ছোট হোম-স্টে রয়েছে। প্রীতিটিতেই পাবেন ঘরোয়া পরিবেশ। থাকা খাওয়া সবেতেই হোমলি টাচ। এখানে থাকা খাওয়া মাথা পিছু ১২০০ থেকে ১৫০০ টাকা খরচ পড়বে। রামপুরিয়া থেকে টাইগার হিল পৌঁছতে সমত লাগবে মাত্র ৪০ মিনিটের মত। তাই চাইলেই সকালের সান রাইস দেখতে টাইগার হিলও চলে আসতে পারেন। এরপর সারাদিন সিলেরি গাঁও, কোলাখাম, রেশিখোলাও ঘুরে নিতে পারেন। এরপর সন্ধ্যায় হোমস্টেতে গরম গরম কফির সঙ্গে উপভোগ করতে পারেন সেখানকার পরিবেশ। চাইলে বারবিকিউও করতে পারেন। তবে তার জন্য আলাদা চার্জ লাগবে।

আরো পড়ুন »
Offbeat north bengl trip

ঘুরে আসি: কালিম্পংয়ের এক অজানা গ্রাম গোকুল

ব্যুরো নিউজ, ১৭ জুন : পাহাড় বলতেই সবার প্রথমে যা মাথায় আসে তা হল দার্জিলিং। তবে চেনা এই  পাহাড়ি শহরে পথ চলা তো অনেক হল। এবার না হয় পা বাড়ানো যাক এক অজানার উদ্দেশ্যে। উত্তরবঙ্গে ট্যুর প্লান! কিন্তু ধস-বিপর্যয়ের কারনে প্ল্যান চেঞ্জ? শেষ মুহূর্তে বুঝতে পারছেন না কোথায় যাবেন? আপনার জন্য সঠিক ঠিকানার সন্ধান আজানা – অচেনা এই গ্রামটির নাম গোকুল। না, এটি দার্জিলিংয়ে নয়। গোকুলকে চিনতে গেলে আসতে হবে কালিম্পংয়ে। কালিম্পং শহর থেকে মাত্র ২ কিমি দূরে এই গ্রাম। খুব বেশি পর্যটকদের ভিড় এখানে নেই। সেই গ্রামের মানুষ আর হাতে গোনা কয়েকজন টুরিস্ট। তবে আপনাকে সঙ দিতে রয়েছে পাইনের সারি, মেঘেদের হাতছানি। সব মিলিয়ে কয়েকটা দিন এখানে কাটানো কোনও কল্প রাজ্যের অভিজ্ঞতার থেকে কম নয়। নিরিবিলি পরিবেশে ঝিঁঝিঁ পোকার ডাক। রাতের আকাশে জোনাকির মতো জ্বলে থাকবে হাজার হাজার তারারা। পাহাড়ের কোলে ছোট্ট হোমস্টেতে বসে গরম কফির সঙ্গে এই ‘ঐশ্বরিক’ অভিজ্ঞতা আপনার স্মৃতিতে থেকে যাবে হাজার বছর। কীভাবে আসবেন গোকুলে? নিউ জলপাইগুড়ি রেল স্টেশন বা বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে গাড়ি বুক করে চলে আসতে পারেন কালিম্পং-এর গোকুল। তবে সেক্ষেত্রে গাড়ি ভাড়ার খরচ অনেকটাই পড়বে। কম খরচে বাজেট ট্যুর হলে নিউ জলপাইগুড়ি রেল স্টেশন বা বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে শেয়ার গাড়ি করে চলে আসতে পারেন র কালিম্পং স্ট্যান্ড। ঝঞ্ঝাট এড়াতে আগে থেকেই হোমস্টেতে গাড়ির জন্য বলে রাখুন। সেখান থেকে সোজা পৌঁছে যান আপনার হোমস্টেতে।

আরো পড়ুন »
dooars trip

ঘুরে আসি : বৃষ্টি ভেজা দিনে কয়েকটা দিন জঙ্গলে কাটালে কেমন হয়?

ব্যুরো নিউজ, ১৪ জুন: বৃষ্টি ভেজা দিনে কয়েকটা দিন জঙ্গলে কাটালে কেমন হয় বলুন তো? পাহাড়ি নদী, সবুজে ঘেরা ঘন জঙ্গল, এক অদ্ভুদ নিস্তব্ধতার মধ্যেই টিপটিপ বৃষ্টির কলতান। কল্পরাজ্যের থেকে কিন্তু কোনও অংশে কম নয়। সেই কল্পনার স্বর্গরাজ্যে ডুব দিতেই আজকের এই প্রতিবেদন। মেঘ ভাঙা বৃষ্টিতে ধস সিকিমে শহরের কলাহলকে পেছনে ফেলেই টুক করে বেড়িয়ে পড়ুন  ডুয়ার্স-এর উদ্দেশ্যে, কলকাতা, শিয়ালদহ বা হাওড়া থেকে রাত্তের ট্রেন ধরে সকাল সকাল নেমে পরতে পারেন নিউ জলপাইগুড়ি জংশন বা নিউ মাল জংশনে।  এবার সেখান থেকে গাড়ি বুক করে বা শেয়ার গাড়িতেই বেড়িয়ে পড়ুন ডুয়ার্স-এর নাগরাকাটার উদ্দেশ্যে। আপনার চেনা ডুয়ার্স-এর থেকে একটু পিছু ছাড়িয়ে চলে আসুন নাগরাকাটা। যদি সত্যিই ডুয়ার্সের ঘ্রাণ নিতে চান তবে চলে আসুন নাগরাকাটায়। এখানে একদিকে জঙ্গল আর নদী, আরেকদিকে ভগতপুর চা বাগান। এমনকি গাড়ি নিয়ে বেরিয়ে পড়তে পারেন চম্পাগুড়ি, হিলা,জিতি, কুরতি, জিরোবান এর পথে। এছাড়া হাতে সময় থাকলে ডুয়ার্স-এর গতে বাঁধা প্যাকেজ ট্রিপও করে নিতে পারেন। তবে যদি শুধুই অবসর সময় কাটাতে চান তবেও এই জায়গা আপনার জন্য আদর্শ। হোমস্টের বারান্দাতে বসেই দিনযাপনের অভিজ্ঞতাও স্মৃতির মণিকোঠায় থেকে যাবে দীর্ঘ সময়। থাকা খরচ (ঘর প্রতি) – ১৯০০ থেকে ২৫০০ টাকা খাওয়া খরচ (জন প্রতি) -৫০০ টাকা  (ব্রেকফাস্ট, ডিনার)

আরো পড়ুন »
travel

ঘুরে আসি : হাতে কয়েকদিনের ছুটি নিয়ে ঘুরে আসুন মাজুয়া

ব্যুরো নিউজ, ১২ জুন: হাতে কয়েকদিনের ছুটি নিয়ে যদি অফবিট পাহাড়ি স্পটে ঘুরে আসা যায় তাহলে কেমন হয় বলুন তো। গেলে মন্দ হয়না। তাই আপনার গন্তব্য হতেই পারে মাজুয়া। মানেভঞ্জন থেকে মাজুয়ার দূরত্ব মাত্র ৪ কিলোমিটার। পাহাড় আর বনে ঘেরা শান্ত একটা জায়গা। ডিপ্রেশান কাটাতে বানানা থেরাপিতেই ভরসা চিনের! কি এই বাবানা থেরাপি?  পাহাড়ের এই অফবিট জায়গায় গেলে একাত্ব হতে পারেন প্রকৃতির সঙ্গে নিউ জলপাইগুড়ি পৌঁছে গাড়ি করে চলে যেতে পারেন মানেভঞ্জন, তারপর সেখান থেকে পৌঁছে যান মাজুয়া। মোটামুটি ঘন্টা চারেকের মধ্যে পৌঁছে যেতে পারেন গন্তব্যে। এখানে পৌঁছেই সবার আগে যা ফিল করবেন সেটা হল এই জায়গাটার পরিচ্ছন্নতা আর শান্ত পরিবেশ। টুরিস্টের ভিড় তেমন হয় না বলে বেশ নিঝুম; প্রাকৃতিক শব্দ ছাড়া আর কোনো শব্দ নেই বললেই চলে। বন্য পাখির ডাক, বাতাসের শরশর শব্দ, এই সব কিছুই আপনার ক্লান্তি নিমেষে দূর করে দেবে। মাজুয়া নদীতে স্রোত বেশি নয়, তাই জলে পা ডুবোনো মাত্র সারা শরীরে যেন একটা শান্তির অনুভুতি। সন্ধ্যেটা আড্ডা আর গল্প দিয়ে কেটে যাবে। সকাল হলে দেখতে পারবেন পর্বত উপত্যকায় এক অপরূপ ভোর। পাহাড়ের অনেক টুরিস্ট স্পটেই সকাল সকাল মানুষ আর গাড়ির হর্নের ঠেলায় কখনও কখনও বিরক্ত লাগে, কিন্তু এখানে পাখির ডাক, নদীর শব্দ ছাড়া আর কোনো আওয়াজই নেই! এখানে জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে হাঁটার অভিজ্ঞতা যে এত রোমাঞ্চকর হতে পারে তা না গেলে বুঝতে পারবেন না। যেতে যেতে জঙ্গলের মধ্যে দেখতে পাবেন মহাকাল ফলস। তারপর গাড়ি করে চলে যেতে পারেন গুরদুম। চারিদিকে শুধু সবুজ ভ্যালি আর অসামান্য সব ভিউ। আলপাইন অরণ্যের মাঝে ছোট্ট একটা গ্রাম গুরদুম, জনসংখ্যাও একেবারে কম। সন্ধ্যেটাও আরো সুন্দর হয়ে উঠতে পারবে ক্যাম্পফায়ার আর বারবিকিউয়ের দৌলতে। গুরদুমে একটা রাত কাটিয়ে ফিরে আসার পালা।

আরো পড়ুন »
OFFBEAT TRAVEL

ঘুরে আসি: পাহাড়ি ছোট্ট গ্রাম কাফেরগাঁও 

লাবনী চৌধুরী, ৯ জুন: শহরের ব্যবস্ততাকে ফেলে রেখে হাতে দু- তিনতে দিনের ছুটি নিয়ে বেড়িয়ে পড়ুন এই ছোট্ট নির্জন পাহাড়ি গ্রাম কাফেরগাঁও- এর উদ্দেশ্যে। তীর্থযাত্রীদের জন্য সুবর্ণ সুযোগ দিচ্ছে আইআরসিটিসি কালিম্পং থেকে এই  গ্রামটির দূরত্ব প্রায় তিরিশ কিলোমিটার। লোলেগাঁও থেকে খুব কাছে। এনজিপি স্টেশন থেকে কাফেরগাঁও- এর দূরত্ব প্রায় ১২৫ কিলোমিটার। কাফেরগাঁও তে আসার জন্য নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন, বাগডোগরা বা তেনজিং নরগে বাসস্ট্যান্ডের সামনে থেকে শেয়ার গাড়ি পেয়ে যাবেন। নয়তো নিজেদের গাড়ি বুক করে একেবারে ঝঞ্ঝাট ফ্রি ভাবে চলে আসতে পারেন কাফেরগাঁও। এখানে কাটানো দুটো দিন কোনও স্বপ্ন রাজ্যের থেকে কম নয়। নির্জন এই গ্রামে এই বর্ষার দিনে আকাশে মেঘ বৃষ্টির খেলা দেখতে দেখতে কাটিয়ে দিতে পারেন একটা গোটা বেলা। পায়ে হেটে ঘুরে দেখতে পেরেন গোটা গ্রামটা। এখানকার মানুষের আতিথীয়তা মন মুগ্ধ করার মত। সকালের চা, জলখাবার থেকে সন্ধ্যের কফি- স্ন্যাক্স ও রাতের ডিনার সবেতেই আছে বাড়ির ছোঁয়া। একেবারে ঘরোয়া খাবার, এমনকি হোমস্টে গুলোতেও খুব বেশি জাকজমকতা নেই। তবে প্রতিটি হোমস্টেই নিজের মত করে সুন্দর। কারোর কলে ফুটেছে রডোডেনড্রন কারোর বা পাহাড়ি ফুল দাঁতরাঙা। কেউ নীলাম্বরী তো কেউ আবার কাদম্বিনী। এই হোমস্টের বারান্দা থেকে নিল আকাশে মেঘের খেলা দেখতে দেখতে গোটা বেলা কখন পেড়িয়ে যাবে বুঝতেই পারবেন না। হাতে সময় থাকলে এক বেলার সাইডসিং-এ এখান থেকেই গাড়ি নিয়ে লাভা রিশপ ঝাণ্ডিদারা এমনকি চারখোলও ঘুরে আসতে পারেন। এখানে হোমস্টেতে (থাকা খাওয়া নিয়ে) খরচ পড়বে জনপ্রতি ১২০০ থেকে ১৫০০ টাকা। নিউজলপাইগুড়ি থেকে গাড়ি খরচ (শেয়ারে) ৫০০ টাকা জনপ্রতি। গাড়ি বুক করে আসতে চাইলে সেক্ষেত্রে ৪ হাজার টাকা (সিজেন ও অফ সিজনে মূল্যের হেরফের হতে পারে)

আরো পড়ুন »
Bharat Gaurav Train

তীর্থযাত্রীদের জন্য সুবর্ণ সুযোগ দিচ্ছে আইআরসিটিসি

শর্মিলা চন্দ্র, ৬ জুন : এবার তীর্থযাত্রীদের জন্য দুর্দান্ত সুযোগ। আর সেই সুযোগ করে দিচ্ছে আইআরসিটিসি। ভাবছেন তো কি সে সুযোগ? আপনি কি বৈষ্ণোদেবী, হরিদ্বার, হৃষিকেশ, মথুরা, বৃন্দাবন এবং অযোধ্যার রাম মন্দির যাওয়ার কথা ভাবছেন? যদি না ভাবেন তাহলে একবার ভেবে দেখতেই পারেন। কারণ এবার একটা ট্রেনেই আপনি এই সমস্ত জায়গাগুলি থেকে ঘুরে আসতে পারবেন। আইআরসিটিসি-র কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে এই বিশেষ উদ্যোগের কথা জানানো হয়েছে। বিশেষ করে উত্তরবঙ্গের পর্যটকদের কথা মাথায় রেখে তাদের এই নয়া উদ্যোগ। নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন থেকে আগামী ২৪ জুন রওনা দেবে ভারত গৌরব স্পেশাল ট্যুরিস্ট ট্রেন। গরমে ঘুরে আসুন সিল্ক রুট-সহ অন্যান্য অফবিট জায়গাগুলি। খরচ-সহ রইল যাবতীয় তথ্য… এক ট্রেনে ঘুরে আসুন ছয়টি তীর্থস্থান এটি একটি প্যাকেজ ট্যুর। অর্থাৎ শুধু ট্রেনের বুকিংই নয়, সঙ্গে তিন বেলার খাওয়া-দাওয়া, হোটেলে রাত্রিবাস-সহ সবরকম ব্যবস্থাপনা থাকবে। এক ট্রেনেই আপনি ঘুরে নিতে পারবেন অযোধ্যা, বৃন্দাবন থেকে শুরু করে হরিদ্বার, বৈষ্ণোদেবী-সহ একাধিক তীর্থস্থান, এমনটাই জানিয়েছেন আইআরসিটিসি গুয়াহাটির সিনিয়র এক্সিকিউটিভ বিশ্বরঞ্জন সাহা। কেউ চাইলে নিরামিষ খাবারও পাবেন। এছাড়া পর্যটকদের চিকিৎসার প্রয়োজনের কথা মাথায় রেখে ট্রেনে প্যারামেডিকেল স্টাফ থাকবে বলেও জানান আইআরসিটিসি গুয়াহাটির সিনিয়র এক্সিকিউটিভ বিশ্বরঞ্জন সাহা। প্যাকেজে নন এসিতে পার হেড খরচ ১৭ হাজার ৯০০ টাকা এবং এসি থ্রি টিয়ারে পার হেড খরচ পড়বে ২৯ হাজার ৫০০ টাকা। ২৪ জুন নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন থেকে ভারত গৌরব স্পেশাল ট্যুরিস্ট ট্রেন ছাড়বে সকাল ১০টায়। ভ্রমণের প্যাকেজ ৮ রাত ৯ দিন। ভ্রমণের শেষে ২ জুলাই নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন ট্রেন ঢুকবে সন্ধে ছটায়।

আরো পড়ুন »
offbeat place silk route

গরমে ঘুরে আসুন সিল্ক রুট-সহ অন্যান্য অফবিট জায়গাগুলি। খরচ-সহ রইল যাবতীয় তথ্য…

লাবনী চৌধুরী, ৫ জুন : শহরের গা প্যাঁচপ্যাঁচে গরমের হাত থেকে বাঁচতে ঘুরে আসুন সিল্ক রুট-সহ অন্যান্য অফবিট জায়গাগুলি থেকে। হাতে যদি থাকে ৫ টা দিন তবে অবশ্যই ঘুরে আসুন সিকিমের এই জায়গাগুলি থেকে। ঘুরে আসি : নির্ভেজাল বাতাসে প্রাণভরে নিঃশ্বাস নিতে যান বার্মিক শিয়ালদহ বা হাওড়া থেকে রাতের ট্রেন ধরে পৌঁছে যান নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশনে। সকালে নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশনে নেমে সেখান থেকে শেয়ার ট্যাক্সি ধরে পৌঁছে যান গ্যাংটক। সেদিন রাতে গ্যাংটক- এর এমজি মার্গেই রাত কাটাতে পারেন। সন্ধ্যায় পায়ে হেটে ঘুরে নিতে পারেন আশেপাশের মার্কেট। পরদিন সকাল সকাল বেড়িয়ে পড়ুন জুলুকের উদ্দেশ্যে। পথেই ঘুরে নিন বাবা মন্দির, ছাঙ্গু লেক। চাইলে নাথুলা পাস- এও যেতে পারেন। সেক্ষেত্রে পারমিট চার্জ ও গাড়ির ঘরচা একটু বেশি পড়বে। সন্ধ্যায় হোমস্টের বারান্দায় বসে গরম কফিতে চুমুক দিতে দিয়ে উপভোগ করুন প্রাকৃতিক দৃশ্য। পরদিন সকালে সূর্যদয় দেখে সকালের জলখাবার হোমস্টেতে সেরে আস্তে- ধিরে বেড়িয়ে পড়ুন অফবিট প্লেস আরিটারের উদ্দেশ্যে। সেখানে লেকের ধারেই কাটিয়ে দিতে পারবেন গোটা বিকেল। আরিটারে লেক সাইড হোমস্টেতেই সেদিনের রাতটা থাকতে পারেন। এরপর দিনের গন্তব্য রিসিখোলা। সকালের জলখাবার হোমস্টেতে সেরে বেড়িয়ে পড়ুন রিসিখোলার উদ্দেশ্যে। সেখানে নদীর ধারের কোনও হোমস্টেতে কাটিয়ে দিতে পারেন রাতটা। এমনকি সন্ধ্যায় আগুন জ্বেলে ক্যাম্পফায়ারও কিন্তু নেহাত মন্দ হবে না। এরপর বাড়ি ফেরার পালা। ট্রেনের টাইমের অন্তন ৪ ঘণ্টা হাতে রেখে বেড়িয়ে পড়ুন স্টেশনে উদ্দেশ্যে। চাইলে ট্রেনের বদলে বাগডোগরা বিমানবন্দর হয়েও যাতায়াত করতে পারেন। এক্ষেত্রে হোমস্টেতে থাকা খাওয়া সহ জনপ্রতি ঘরচ পড়বে ১০০০ থেকে ১২০০ টাকা। গাড়ি খরচ- প্রতিদিন ৪০০০ থেকে ৪৫০০ টাকা। (নাথুলাপাস যেতে হলে তাঁর জন্য আলাদা খরচ)

আরো পড়ুন »
Sidrapong Trekking

ট্রেক করতে ভালোবাসেন? আপনার জন্য রইল নতুন ট্রেকিং রুট

শর্মিলা চন্দ্র, ৩০ মে:  যারা ট্রেক করতে ভালোবাসেন তাঁদের একেবার আদর্শ জায়গা সান্দাকফু-ফালুট ট্রেক রুট। পর্যটকদের কাছে এই ট্রেক রুট বেশ জনপ্রিয়ও বটে। সিঙ্গলীলা জাতীয় উদ্যানের মধ্য দিয়ে এই ট্রেক রুট পর্যটকদের অপরূপ নৈসর্গিক শোভা উপহার দেয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সান্দাকফুতে পর্যটকদের ভিড়ও বাড়ছে। ঘুরে আসি : নির্ভেজাল বাতাসে প্রাণভরে নিঃশ্বাস নিতে যান বার্মিক দার্জিলিং শহর থেকে দূরত্ব মাত্র ১০ কিলোমিটার তবে সান্দাকফুতে গেলে পুরো ট্রেক রুট শেষ করে ফিরতে বেশ কিছুদিন কিন্তু সময় লাগে। অনেকই আছেন যারা কম সময়ের মধ্যে ট্রেক সম্পূর্ণ করে ফিরে আসতে চান। কারণ অনেক সময় ছুটি বেশি দিন পাওয়া যায় না। সেক্ষেত্রে সান্দাকফু একটু সমস্যার। আবার এখানে যেহেতু পর্যটকদের ভিড় বেশ, তাই যারা একটু শান্তশিষ্ট পরিবেশে ট্রেকিংয়ে যেতে পছন্দ করে তাদের জন্য রইল একটি নতুন ঠিকানা। আর সেই নতুন ঠিকানা হল সিদ্রাপং। দার্জিলিং থেকে এই জায়গায় দূরত্ব মাত্র ১ কিলোমিটার। পাহাড়ের কোলে এই ছোট্ট জায়গা জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য বেশ পরিচিত। এই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি তৈরি হয়েছিল ১৮৯৭-তে। ভারত তথা গোটা এশিয়া মহাদেশে এটি সব থেকে পুরনো জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র। ঘন পাহড়, জঙ্গলে ঘেরা পথ দিয়ে হেঁটে যেতে হবে। পাহাড়ের গা বেয়ে জল নেমে আসার শব্দ আপনাকে অন্যরকম অনুভূতি দেবে। আর এর সঙ্গে উপরি পাওনা পুরনো সাঁকো। প্রকৃতির সঙ্গে একান্তে সময় কাটাতে চাইলে এই জায়গাটি কিন্তু একেবারে আপনার জন্যই। তবে তার জন্য বেশ কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে। পর্যটকদের কথা মাথা রেখে জিটিএ-র উদ্যোগে দার্জিলিঙের সিদ্রাবং হাইডেল প্রজেক্টে একটি ট্রেকিং রুট তৈরির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। আর সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলেও পাহারপ্রেমীরা পেয়ে যাবে আরও একটি ট্রেকিং রুট।

আরো পড়ুন »

বিশ্ব জুড়ে

গুরুত্বপূর্ণ খবর

বিশ্ব জুড়ে

গুরুত্বপূর্ণ খবর

ঠিকানা