ব্যুরো নিউজ, ৯ই মে ২০২৬ঃ বিজয়কে নিয়ে আবেগঘন তৃষা। ত্রিশার স্মৃতিচারণে জানা যায়, সেটে অন্যদের থেকে একেবারেই আলাদা ছিলেন বিজয়—নীরব, মনোযোগী এবং নিজের কাজে সম্পূর্ণ নিবেদিত। শুটিং ফ্লোরে সাধারণত যেখানে অভিনেতা-অভিনেত্রীরা ফাঁকা সময়ে গল্প-আড্ডায় মেতে ওঠেন, সেখানে বিজয়ের আচরণ ছিল সম্পূর্ণ আলাদা। ত্রিশার কথায়, “সেটে সবাই যখন একসঙ্গে সময় কাটাত, তখন তিনি চুপচাপ কোথাও একটা কোণ খুঁজে নিতেন। অনেক সময় দেয়ালের দিকে তাকিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকতেন।” তাঁর এই স্বভাব প্রথমে অনেকের কাছেই অদ্ভুত মনে হলেও, পরে বোঝা যায় এর পেছনে ছিল গভীর মনোযোগ। এই প্রসঙ্গে বিজয় নিজেই ব্যাখ্যা দিয়েছিলেন, তিনি নিছক নির্জনে বসে থাকতেন না, বরং পরবর্তী দৃশ্য নিয়ে ভাবনাচিন্তা করতেন। তাঁর কথায়, “আমি সময় নষ্ট করতাম না, পরের শটটা কীভাবে আরও ভালো করা যায় সেটাই ভাবতাম।” এই একাগ্রতা ও পেশাদারিত্বই তাঁকে অন্যদের থেকে আলাদা করে তুলেছে।
ঘিলি’ থেকে ‘লিও’—দীর্ঘ যাত্রায় তাঁদের বন্ধুত্ব ও পারস্পরিক শ্রদ্ধা আজও একই রকম অটুট। ত্রিশা আরও জানান, তাঁদের প্রথম ছবি ঘিলি-র সময় দু’জনের মধ্যে খুব একটা ঘনিষ্ঠতা ছিল না। কিন্তু একসঙ্গে কাজ করতে করতে সেই দূরত্ব ঘুচে যায়। পরবর্তীতে থিরুপাচি, আথি এবং কুরুভি-র মতো একাধিক ছবিতে তাঁদের জুটি দর্শকদের মন জয় করে।
আগেও অভিনেত্রী এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, “আমি ওকে কখনও রাগতে দেখিনি। ও সবসময় শান্ত, ভীষণ পেশাদার এবং দয়ালু একজন মানুষ।” তাঁর মতে, বিজয়ের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা শুধু পেশাগত নয়, ব্যক্তিগতভাবেও অত্যন্ত মূল্যবান। দীর্ঘ বিরতির পর লিও ছবিতে ফের একসঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে ত্রিশা আবেগঘন মন্তব্য করেন, “ওর সঙ্গে আবার কাজ করা যেন স্কুলের পুরনো বন্ধুর সঙ্গে দেখা হওয়ার মতো। একই আরাম, একই ভালোবাসা।”


















