ব্যুরো নিউজ, ১২ই মে ২০২৬ঃ পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতি সত্ত্বেও ভারতে জ্বালানি রেশনিংয়ের কোনও পরিকল্পনা নেই। পেট্রোল ও ডিজেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে, যা আগামী ৬০ দিনের চাহিদা মেটাতে সক্ষম। সোমবার পেট্রোলিয়াম সচিব নীরজ মিত্তাল এই আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি জানান, দেশের কাছে পেট্রোল ও ডিজেলের ৬০ দিনের এবং রান্নার গ্যাস (LPG)-এর প্রায় ৪৫ দিনের মজুত রয়েছে।
সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জ্বালানি সংরক্ষণের জন্য নাগরিকদের কাছে আবেদন জানিয়েছিলেন। এর ফলে কিছু মহলে রেশনিংয়ের জল্পনা শুরু হয়েছিল। তবে মিত্তাল স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে প্রধানমন্ত্রীর আবেদন ছিল জ্বালানি সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য, রেশনিংয়ের কোনও ইঙ্গিত ছিল না। তিনি বলেন, “আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ নেই। পর্যাপ্ত সরবরাহ আছে এবং রেশনিংয়ের প্রশ্নই ওঠে না।”
সচিব আরও উল্লেখ করেন যে, ভারত পেট্রোল ও ডিজেলের ক্ষেত্রে স্বাবলম্বী এবং এমনকি রপ্তানিকারকও বটে। তবে এলপিজি-র ৬০ শতাংশ এবং অপরিশোধিত তেলের প্রায় ৮৮ শতাংশ আমদানির উপর নির্ভরশীল। পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের কারণে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় বিশ্বজুড়ে তেলের দাম বেড়েছে। এই পরিস্থিতিতে ভারত বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি সংগ্রহ এবং অভ্যন্তরীণ এলপিজি উৎপাদন ৪০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে। কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে পারস্য উপসাগরে আটকে থাকা বেশ কয়েকটি এলপিজি ট্যাঙ্কারও দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। এই পদক্ষেপগুলি দেশের জ্বালানি সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সহায়ক হয়েছে।


















