ব্যুরো নিউজ, ১২ই মে ২০২৬ঃ কলকাতার অদূরেই ওড়িশা রাজ্যে অবস্থিত ‘জিরাং’ (Jiranga) বর্তমানে ভ্রমণপিপাসুদের কাছে এক নতুন আকর্ষণ। ‘মিনি তিব্বত’ নামে পরিচিত এই স্থানটি তার শান্ত পরিবেশ এবং তিব্বতি সংস্কৃতির জন্য বিশেষ পরিচিতি লাভ করেছে। গরমের ছুটিতে যারা একঘেয়ে দার্জিলিং বা সিকিমের বাইরে নতুন কিছু খুঁজছেন, তাদের জন্য জিরাং হতে পারে এক আদর্শ গন্তব্য।
ওড়িশার গোপালপুর থেকে কিছুটা দূরে অবস্থিত এই জিরাং মঠ পূর্ব ভারতের বৃহত্তম মঠগুলির মধ্যে অন্যতম, যা গুরু পদ্মসম্ভবের নামে উৎসর্গীকৃত। এখানে প্রবেশ করলেই মনে হবে যেন আপনি ভারতের বাইরে, এক অন্য জগতে এসে পৌঁছেছেন। হাওয়ায় উড়ন্ত প্রার্থনা পতাকা, প্রাচীন স্তূপ এবং তিব্বতি স্থাপত্যের নিদর্শনগুলি এক অসাধারণ আধ্যাত্মিক পরিবেশ তৈরি করে। এখানে ধর্ম নয়, শান্তির এক অন্যরকম অনুভূতি পাওয়া যায়। জিরাং-এর আশেপাশে মহেন্দ্রগিরি, খাসাদা এবং মানকাদাদিয়ান জলপ্রপাতের মতো প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করা যায়। যদিও এখানে চিরাচরিত ভিউ পয়েন্ট না থাকলেও, এখানকার প্রাকৃতিক শোভা এবং শান্ত পরিবেশ মনকে এক অন্যরকম শান্তি এনে দেয়।
কলকাতার শালিমার বা হাওড়া স্টেশন থেকে ব্রহ্মপুরগামী ট্রেন ধরে সহজেই জিরাং পৌঁছানো যায়। ব্রহ্মপুর থেকে ব্যক্তিগত গাড়ি ভাড়া করে প্রায় দেড় থেকে দুই ঘণ্টার মধ্যে এই ‘মিনি তিব্বত’-এ পৌঁছে যাওয়া সম্ভব। কম খরচে বিদেশের মতো অনুভূতি পেতে চাইলে জিরাং হতে পারে আপনার পরবর্তী ভ্রমণ গন্তব্য।





















