ব্যুরো নিউজ, ১২ই মে ২০২৬ঃ পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার সুজিত বসুর বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ আনল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা আদালতে দাবি করেছে, লকডাউনের সময় সুজিত বসুর রেস্টুরেন্ট ‘বেঙ্গল ধাবা’ বন্ধ থাকা সত্ত্বেও ১.১১ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। ইডির আইনজীবীর সওয়াল, কোভিডকালে রেস্টুরেন্ট বন্ধ থাকলেও কোটি টাকার এই বিক্রি আসলে কালো টাকা সাদা করার কৌশল। পুর নিয়োগ দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অর্থ রিয়েল এস্টেটে এবং ভুয়ো সংস্থায় বিনিয়োগ করে সাদা করা হয়েছে বলে অভিযোগ ইডির।
মঙ্গলবার ইডি বিশেষ আদালতে আইনজীবী ধীরাজ ত্রিবেদী জানান, সুজিত বসু প্রভাবশালী ব্যক্তি এবং তিনি জামিন পেলে তদন্ত প্রভাবিত করতে পারেন। তিনি সমনে সাড়া দেননি এবং জিজ্ঞাসাবাদের সময় অসহযোগিতা করেছেন। ইডির দাবি, অয়ন শীলের কাছ থেকে পাওয়া ডিজিটাল তথ্য অনুযায়ী, সুজিত বসু সাউথ দমদম পুরসভায় একাধিক চাকরিপ্রার্থীকে সুপারিশ করেছিলেন। নিতাই দত্তের নামও এই প্রসঙ্গে উঠে এসেছে। সুজিত বসু ও তাঁর পরিবারের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে কোটি কোটি টাকার অস্বাভাবিক লেনদেনের হদিশ মিলেছে।
ইডি আরও জানিয়েছে, দুর্নীতির টাকা চাইনিজ কুইজিনের রেস্টুরেন্ট, বেঙ্গল ধাবা এবং অপর একটি রেস্টুরেন্টে নগদ জমা করা হয়েছে। ধাবা বন্ধ থাকলেও ২.২ কোটি টাকা ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে গিয়েছে। সুজিতের সঙ্গে একাধিক ব্যক্তির টাকা লেনদেনের আইনি কারণ পাওয়া যায়নি। যদিও সুজিত বসুর আইনজীবীর পাল্টা দাবি, ২০২২-২৩ সালের নথির ভিত্তিতে ২০২৬ সালে গ্রেফতারি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং তদন্ত প্রভাবিত করার অভিযোগ ভিত্তিহীন। ইডি সুজিত বসুর ১০ দিনের হেফাজত চেয়েছে।





















