ব্যুরো নিউজ, ১২ই মে ২০২৬ঃ রাজ্যের প্রশাসনিক মানচিত্রে এক নয়া অধ্যায়ের সূচনা হলো। সোমবার দপ্তর পেলেন রানিবাঁধে জয়ী বিজেপি প্রার্থী ক্ষুদিরাম টুডু। তাঁকে আদিবাসী উন্নয়ন দপ্তরের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে অনগ্রসর শ্রেণিকল্যাণ এবং সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষা দপ্তরের দায়িত্বও সামলাবেন তিনি।
জঙ্গলমহলের ভূমিপুত্র তথা পেশায় স্কুল শিক্ষক ক্ষুদিরাম টুডুর এই উত্থানে খুশির হাওয়া আদিবাসী সমাজে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর মন্ত্রিসভায় তাঁর অন্তর্ভুক্তি জঙ্গলমহলের উন্নয়নের ক্ষেত্রে এক বড় পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে। মন্ত্রিত্ব পাওয়ার পরে আদিবাসী সমাজের বিভিন্ন স্তরের নেতৃত্ব তাঁদের দাবি ও প্রত্যাশার কথা তুলে ধরেছেন। আদিবাসী একতা মঞ্চের খাতড়া মহকুমার সম্পাদক দিলেশ্বর মান্ডি বলেন, ‘আমরা খুব খুশি। আশা রাখি, তিনি আদিবাসীদের সাংবিধানিক অধিকারগুলিকে খর্ব হতে দেবেন না। তবে আমাদের স্পষ্ট দাবি— অ–আদিবাসীদের জোরপূর্বক বা অনৈতিক ভাবে এসটি করা চলবে না। ২০০৬ সালের বনাধিকার আইন কঠোর ভাবে কার্যকর করতে হবে এবং ভুয়ো এসটি সার্টিফিকেট বাতিল করে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করতে হবে।’
জেলার প্রবীণ আদিবাসী নেতা সনগিরি হেমব্রম শিক্ষা এবং কর্মসংস্থানের উপরে বিশেষ জোর দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘চাইব অলচিকি লিপিতে যে স্কুলগুলিতে পড়ানো হয়, সেগুলোর পরিকাঠামো উন্নয়ন এবং বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক নিয়োগ হোক। যাঁরা স্বেচ্ছায় পাঠদান করছেন, তাঁদের স্থায়ী করা হোক। ভিন রাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিক হিসেবে আদিবাসী যুবকদের পাড়ি দেওয়া রুখতে রাজ্যেই কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার জন্য নতুন সরকারের কাছে প্রত্যাশা রেখেছেন তিনি।’ প্রকৃতি বাঁচাও, আদিবাসী বাঁচাও মঞ্চের দক্ষিণবঙ্গের আহ্বায়ক রাজেন টুডু আদিবাসীদের সংস্কৃতি ও সাংবিধানিক রক্ষাকবচ নিয়ে সরব হয়েছেন।



















