ব্যুরো নিউজ, ৯ই মে ২০২৬ঃ ১৫ বছর পর রাজ্যে ক্ষমতা হারিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। হেরে গিয়েছেন স্বয়ং তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিধানসভায় এখন বিরোধী আসনে বসতে হবে ঘাসফুল শিবিরকে। মমতা নির্বাচনে হেরে যাওয়ায় কে বিধানসভার বিরোধী দলনেতা হবেন, তা নিয়ে ফল বেরনোর পর থেকে জল্পনা চলছিল। কিন্তু সেই জল্পনাকে দূরে সরিয়ে রেখে প্রকাশ্যে এলো বিধানসভার বিরোধী দল হিসেবে তৃণমূলের আরও তিন বিধায়কের নাম ।
শনিবার নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের পর এবার বিধানসভার বিরোধী দলনেতার নাম চূড়ান্ত করল তৃণমূল। তৃণমূল গঠনের পর থেকে মমতার বিশ্বস্ত সঙ্গী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিধানসভার বিরোধী দলনেতার দায়িত্ব দেওয়া হল। তৃণমূলের আর এক বর্ষীয়ান নেতা ফিরহাদ ওরফে ববি হাকিম। দলের এই ভরাডুবির মধ্যেও কলকাতা বন্দর আসন থেকে বিপুল ব্যবধানে জিতেছেন তিনি। শোভনদেবের মতো তিনিও মমতার দীর্ঘদিনের বিশ্বস্ত সঙ্গী। তাঁকে বিধানসভায় তৃণমূলের চিফ হুইপ করা হল। এছাড়া ডেপুটি বিরোধী দলনেতা ২ জনকে করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় ও অসীমা পাত্র হলেন বিধানসভার ডেপুটি বিরোধী দলনেতা।
প্রসঙ্গত, ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে ৮০টি আসনে জিতেছে তৃণমূল। ভবানীপুরে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে হেরে গিয়েছেন মমতা। ফলে বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা হিসেবে মমতাকে কাকে দায়িত্ব দেবেন, তা নিয়ে জল্পনা বাড়ছিল। ভোটের ফল ঘোষণার পর বিধায়কদের নিয়ে বৈঠক করেছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। সেখানে বিধানসভার বিরোধী দলনেতার নাম ঘোষণা করা হয়নি। তার পরিবর্তে শনিবার নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের পর এবার বিধানসভার বিরোধী দলনেতার নাম চূড়ান্ত করল তৃণমূল।



















