ব্যুরো নিউজ, ৯ই মে ২০২৬ঃ প্রাক্তন বায়ুসেনা-কর্মী চন্দ্রনাথকে খুনের হুমকি আগেই দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু, শুভেন্দু অধিকারী নির্বাচনে জেতার পরে তাঁর আপ্ত সহায়ককে এ ভাবে ‘সরিয়ে দেওয়া’ হবে, তা হয়তো তিনি নিজেও বুঝে উঠতে পারেননি। শার্প শুটারদের এত নিখুঁত পরিকল্পনাও অবাক করেছে তদন্তকারীদের।চন্দ্রনাথ রথ কালো কাচে ঢাকা গাড়ির ঠিক কোথায় বসেছিলেন, সেই ‘ইনপুট’–ও চলে এসেছিল শার্প শুটারদের কাছে! সে কারণেই মধ্যমগ্রামের ব্যস্ত রাস্তায় চন্দ্রকে গুলিতে ঝাঁঝরা করতে মাত্র ৪৫ সেকেন্ড সময় লেগেছিল আততায়ীদের।
পুলিশ সূত্রে খবর, খুনের ‘কাজে’ রুপোলি রঙের একটি গাড়ি ছাড়াও ব্যবহার হয়েছিল লাল রঙের দ্বিতীয় একটি গাড়ি। অপারেশন শেষ করে ওই লাল গাড়ি এবং একটি বাইকে চেপে পালিয়ে যায় শুটাররা। ঘটনার দু’দিন পরে পুলিশের স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিম (সিট)–এর তদন্তে এই তথ্য উঠে এসেছে।এই অপারেশনে ভিন রাজ্যের দুষ্কৃতিদের সাথে যুক্ত ছিল স্থানীয় দুষ্কৃতীরাও।
তিন জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, দুষ্কৃতী দলে কমপক্ষে আট জন ছিল। তাদের ব্যবহৃত একটি বাইক শুক্রবার সকালে বারাসতের ১১ নম্বর রেলগেট সংলগ্ন রাস্তায় উদ্ধার করেছে পুলিশ। কে বা কারা এই খুনের পরিকল্পনার সঙ্গে যুক্ত, তা জানতে সিটের তদন্তে নেতৃত্ব দিচ্ছেন সিআইডি–র ডিআইজি (সাইবার ক্রাইম) অজয়কুমার ঠাকুর। টিমে আছেন বারাসতের পুলিশ সুপার পুষ্পা–সহ সাত জন। দু’টি টিমকে উত্তরপ্রদেশ এবং বিহারে পাঠানো হয়েছে, এমনটাই জানা যাচ্ছে পুলিশ সূত্রে




















