ব্যুরো নিউজ, ৯ই মে ২০২৬ঃ যারা অফবিট ট্রাভেল আর নির্জন প্রকৃতির খোঁজে থাকেন, তাদের জন্য একদম পারফেক্ট ডেস্টিনেশনের খোঁজ দেবো আবারও । আজকের এই আর্টিকেলে আপনাদের এমন এক জায়গার নাম বলব যেখানে আপনি মনোরম পাহাড়ের কোলে কিছু জায়গা, প্রকৃতি আর আধ্যাত্মিকতার অপূর্ব মেলবন্ধন দেখতে পাবেন। ভাবছেন তো কোথায় এমন মনোরম দৃশ্য ? আজকে নিয়ে যাবো ওড়িশার দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পাহাড় মহেন্দ্রগিরিতে।
যারা অফবিট ট্রাভেল আর নির্জন প্রকৃতির খোঁজে থাকেন, তাদের জন্য একদম পারফেক্ট ডেস্টিনেশন হল এই মহেন্দ্রগিরি। ওড়িশার এক অসাধারণ স্বর্গ হল জায়গাটি। বলা হয়, এখানে মেঘ যেন পাহাড়কে ছুঁয়ে যায়। ব্রহ্মপুর থেকে গাড়ি ছাড়িয়ে যখন মহেন্দ্রগিরির আঁকাবাঁকা পাহাড়ি পথ দিয়ে যাবে তখন সেই অনুভূতি আপনাকে উত্তরবঙ্গের মতোই দেবে। পাহাড়ের পাশে সবুজের সমাহার, মাকাডাড়িয়া জলপ্রপাত দেখলে আপনার খারাপ থাকা মনও মুহূর্তে ভালো হয় যাবে। পাহাড়ের গা বেয়ে নেমে আসা জলপ্রপাতটি আপনাকে অনেকটা দুধসাগর জলপ্রপাতের কথা মনে করিয়ে দেবে। এই ঝর্ণার কাছেই রয়েছে মহেন্দ্রতনয়া নদী। মহেন্দ্রগিরি পাহাড় থেকে নেমে আসছে নদীটি। কুলকুল শব্দে সেটি বয়ে চলেছে। নদীর পাড়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে অনায়াসেই কাটিয়ে দেওয়া যায়। ওড়িশার দ্বিতীয় উচ্চতম শৃঙ্খ মহেন্দ্রগিরির উচ্চতা ৫০০ ফুটের কাছাকাছি। এই পাহাড়ে আপনি ট্রেক করে উঠতে পারেন। এই জায়গা ধীরে ধীরে অ্যাডভেঞ্চারপ্রেমীদের কাছে অন্যতম প্রিয় জায়গা হয়ে উঠছে ক্রমেই। এই মহেন্দ্রগিরি পর্বতের ওপর রয়েছে একটি মন্দির। যেখানে নাকি কুন্তি পুজো করতেন। সেকারণে সেই মন্দিরটিকে বলা হয় কুন্তি মন্দির। কুন্তির মন্দিরের কাছেই রয়েছে যুধিষ্ঠিরের শিব মন্দির। প্রায় ৪০০ বছরের পুরোনো সেই মন্দির। রয়েছে ভীম মন্দিরও।
মহেন্দ্রগিরি যেতে হলে শালিমার থেকে সন্ধে ৬:১৫-র বিশাখাপত্তনম সুপারফাস্ট এক্সপ্রেস ধরে ব্রহ্মপুর স্টেশনে নামতে হবে। এরপর সেখান থেকে প্রাইভেট গাড়ি ভাড়া করে আপনি অনায়াসেই মহেন্দ্রগিরি পাহাড় পৌঁছে যেতে পারবেন। মহেন্দ্রগিরি ছাড়াও আপনি ব্রহ্মপুর থেকে গোপালপুর, চিলিকা এছাড়াও আরও অন্যান্য জায়গা ঘুরে আসতে পারেন।



















