ব্যুরো নিউজ, ১৭ই মে ২০২৬ঃ রাজ্যের শিক্ষাব্যবস্থায় ফের পাশ-ফেল প্রথা ফিরিয়ে আনা হতে পারে, এমন জল্পনা ক্রমশ জোরালো হচ্ছে। শিলিগুড়ির বিধায়ক শঙ্কর ঘোষের সাম্প্রতিক মন্তব্য এই আলোচনার সূত্রপাত ঘটিয়েছে। তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণিতে পাশ-ফেল ব্যবস্থা পুনরায় চালু হতে পারে, যা এতদিন রাজ্যে কার্যকর ছিল না। এই সম্ভাব্য পরিবর্তন রাজ্যের শিক্ষামহলে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকার ২০২৪ সালের ২৩ ডিসেম্বর একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে শিক্ষার অধিকার আইনে সংশোধনী এনেছিল।
এই সংশোধনী অনুযায়ী, পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণির পরীক্ষায় প্রত্যেক পড়ুয়াকে পাশ করা বাধ্যতামূলক। যদি কোনও পড়ুয়া প্রথমবারে উত্তীর্ণ হতে না পারে, তবে তাকে দ্বিতীয়বার পরীক্ষায় বসার সুযোগ দেওয়া হবে। তাতেও ব্যর্থ হলে, তাকে একই ক্লাসে পুনরায় পড়াশোনা করতে হবে। পূর্বতন রাজ্য সরকার এই নীতি বাংলায় চালু করেনি, যার ফলে রাজ্যে পাশ-ফেল প্রথা দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ ছিল। তবে, রাজ্যে পালাবদলের পর শিক্ষাক্ষেত্রে বড়সড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশে শিক্ষাব্যবস্থার পুনর্গঠন নিয়ে আলোচনা শুরু করেছেন শঙ্কর ঘোষ ও স্বপন দাশগুপ্ত।
এ প্রসঙ্গে শঙ্কর ঘোষ জানিয়েছেন, “দলের যে সমস্ত বিধায়ক শিক্ষা জগতের সঙ্গে যুক্ত, তাঁদের সঙ্গে কথা বলা হচ্ছে। এছাড়াও রাজ্যের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদদের মতামত নেওয়া হচ্ছে। মানুষ কী চাইছে, তা আমরা সবাই কমবেশি জানি। বিস্তারিত রিপোর্ট মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পেশ করা হবে।” তাঁর এই মন্তব্যে শিক্ষামহলে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে। এই পদক্ষেপ রাজ্যের শিক্ষাব্যবস্থায় কী প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে চলছে গভীর বিশ্লেষণ। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানতে আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে।










