[rank_math_breadcrumb]

ব্যুরো নিউজ, ১৭ই মে ২০২৬ঃ আরজি কর কাণ্ডের তদন্ত ঘিরে ফের বিস্ফোরক মোড়। সরকার পরিবর্তনের পর পুরনো এই মামলার তদন্তে নতুন করে নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন। সম্প্রতি বিজেপি সাংসদ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়ে সিবিআইয়ের ভূমিকা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলেছেন।

তাঁর অভিযোগ, হাসপাতালের একটি নির্দিষ্ট ঘর দীর্ঘদিন ধরে তালাবন্ধ অবস্থায় পড়ে রয়েছে, যার দেওয়ালে এখনও রক্তের দাগ স্পষ্ট। এই গুরুত্বপূর্ণ ঘরটি সিবিআই এতদিনেও খোলার প্রয়োজন মনে করেনি, যেখানে মামলার মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার মতো তথ্যপ্রমাণ থাকতে পারে। প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বিশেষ করে তদন্তকারী আধিকারিক সীমা পাহুজার বিরুদ্ধে তথ্য গোপনের অভিযোগ এনেছেন।

তিনি দাবি করেন, গত বছর এই ভবনের মধ্যেই কর্তব্যরত এক তরুণী চিকিৎসকের দেহ উদ্ধার হয়েছিল। ঘটনার রাতে হাসপাতালের একটি সিঁড়ি দিয়ে একটি মৃতদেহ নামানো হচ্ছিল, যার ভিডিও এক নার্স রেকর্ড করেছিলেন। কিন্তু সীমা পাহুজা সেই ভিডিওর মূল কপি নিয়ে নার্সকে ভয় দেখিয়ে তা মুছে ফেলতে বাধ্য করেন। এই চাঞ্চল্যকর ভিডিওটি আর কখনও প্রকাশ্যে আসেনি।

অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের মতে, সিবিআই এই সম্ভাব্য রুট, সিসিটিভি ফুটেজ এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সঠিকভাবে খতিয়ে দেখেনি। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে গোটা সিবিআই সংস্থাকে নয়, বরং তদন্তকারী আধিকারিক সীমা পাহুজার ভূমিকাকেই তিনি দায়ী করছেন। ইতিমধ্যেই তিন আইপিএস আধিকারিককে সাসপেন্ড করা হয়েছে। এই মামলায় সত্য উদ্ঘাটনের জন্য সীমা পাহুজাকে জিজ্ঞাসাবাদ এবং নতুন করে নিরপেক্ষ ও পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তিনি। এই অভিযোগগুলি রাজ্যে নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর সৃষ্টি করেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

বিশ্ব জুড়ে

গুরুত্বপূর্ণ খবর

বিশ্ব জুড়ে

গুরুত্বপূর্ণ খবর