ইভিএম নিউজ ব্যুরো, ১৭ মেঃ (Latest News) এগড়া কাণ্ডে প্রশ্নের মুখে পুলিশ-প্রশাসন, এনআইএ তদন্তের দাবি
এগড়ার খাদিকুলে বাজি কারখানায় বিস্ফোরণে মৃতের সংখ্যা আনুমানিক ১২। আরও আন্তত ২ জন হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা কষছেন। যদিও বিরোধী দল নেতা সুভেন্দু অধিকারির অভিযোগ, ঘটনা স্থল থেকে মৃত দেহ লোপাট করে দেওয়া হচ্ছে। রাজ্য বিজেপি সভা পতি তথা বালুর ঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার এনআইএ তদন্তে দাবিই জানিয়েছেন। একই দাবি জানিয়েছেন বিরোধী দল নেতা শুভেন্দু অধিকারীও। গোটা ঘোটনায় তিনি পুলিশ ও প্রশাসনকে দায়ী করেছেন, এমন কি পুলিশ মন্ত্রীর পদত্যেগও দাবি করেছেন। এই দাবিতে পঁচিশ হাজার লোক নিয়ে মহা মিছিল করবেন-রিতিমত হুমকির সুরে একথাও বলেছেন। এনআইএ তদন্তে দাবি জানিয়ে আদালতে আবেদনও করেছেন শুভেন্দু। তাঁর আরও বক্তব্য, ওই বাজি কারখানায় পাহারার জন্য কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হক কারণ রাজ্য পুলিশ পাহারায় থাকলে প্রমান লোপাট হতে পারে। অন্য দিকে মুখ্যমন্ত্রী তথা পুলিশ মন্ত্রী মমতা বন্ধ্যোপাধ্যায়ও জানিয়েছেন এনআইএ তদন্তে তাঁর আপত্তি নেই।
অন্য দিকে পুলিশ এর ওপর আস্থারাখতে পারছেন না গ্রাম বাসী। পুলিশ ঘটনা স্থলে গেলে তাদেরকে রিতিমতো ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। এই বাজি কারখানায় এই নিয়ে সাত বার বিস্ফোরণ হল। এর আগেও এই কারখানাটিতে বিস্ফোরণের ফলে প্রাণ হানি ঘটেছে। অথচ প্রতিবারই ওই কারখানার মালিক গ্রাপ্তার হয়ে কিছু দিন বাদেই ছাড়া পেয়ে যায় এবং তাঁর পর আবার রমরমিয়ে চলে বাজি তৈরির কাজ।
তদন্ত যা হওয়ার তাতো হবে। কিন্তু ঘটনা হচ্ছে রাজ্যে দির্ঘ দিন ধরেই বাজি কারখানার রমরমা, বিশেষ করে বেআইনি বাজি কারখানা। এর আগে বিভিন্ন সময়ে রাজ্যের বিভিন্ন যায়গায় বেআইনি বাজি কারখানায় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে এবং সেই সব বিস্ফোরণে প্রাণ হানিও হয়েছে। এর আগে যেমন- এগরা পুরান্দা গ্রামে এই রকমই বিস্ফোরণে ১ জনের মৃত্যু হয়েছিল। পূর্ব মেদিনীপুরের পাঁশকুড়াতে বিস্ফোরণে মৃত্যু হয়েছিল ২ জনের, পূর্ব মেদিনীপুরের ভূপতিনগরে বস্ফোরণে মৃত্যু হয়েছিল ২ জনের, দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলার আশুরালি গ্রামে বিস্ফোরণে মৃত্যু হয়েছিল ২ জনের, মহেশ তলায় মৃত্যু হয়েছিল ৩ জনের, এবং নদিয়ার গাংনাপুরে ২ জনের মৃত্যু হয়েছিল।
সেই ১৯৯৫ শাল থেকে শুরু হয়েছে বিস্ফোরণ এবং মৃত্যু মিছিল। অবশ্যই রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা এবং সর্ব পরি পুলিশ ও প্রশাসন স্বাভাবিক ভাবেই বেশ বড়সড় প্রশ্ন চিহ্নর মুখে। (EVM News)










