ব্যুরো নিউজ, ১৫ই মে ২০২৬ঃ বিশ্বজুড়ে ইরান-আমেরিকা সংঘাতের আবহে ফের মুখোমুখি হল বিশ্বের দুই বৃহত্তম শক্তি। প্রায় এক দশক পর কোনও মার্কিন রাষ্ট্রপ্রধানের চিন সফর ঘিরে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলে তীব্র আগ্রহ তৈরি হয়েছে। বৃহস্পতিবার চিনের রাজধানী বেজিংয়ে ‘গ্রেট হল অব দ্য পিপল’-এ বৈঠকে বসেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। এই ঐতিহাসিক বৈঠকে বাণিজ্য, আমদানি শুল্ক, এআই প্রযুক্তি, রেয়ার আর্থ মিনারেল, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এবং পশ্চিম এশিয়ার অস্থিরতা সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে ইরান যুদ্ধ এবং তাইওয়ান ইস্যুই যে আলোচনার সবচেয়ে স্পর্শকাতর অংশ ছিল, তা দুই পক্ষের বক্তব্যে স্পষ্ট।
বৈঠকের সময় সৌজন্যের আবহ বজায় থাকলেও, কূটনৈতিক বার্তায় ছিল স্পষ্ট চাপানউতোর। শি জিনপিং তাইওয়ানকে চিনের অবিচ্ছেদ্য অংশ বলে উল্লেখ করে আমেরিকার ভিন্ন অবস্থানকে বিপজ্জনক আখ্যা দেন। হোয়াইট হাউস হরমুজ প্রণালী খোলা রাখার বিষয়ে দুই দেশের নীতিগত ঐকমত্যের কথা জানালেও, চিনের সরকারি সংবাদমাধ্যম শিনহুয়া এ বিষয়ে নির্দিষ্ট আলোচনার কথা অস্বীকার করেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরানের সঙ্গে সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হলে মার্কিন অর্থনীতির উপর চাপ বাড়বে, যা ট্রাম্প প্রশাসনকে চিনের সঙ্গে আপসের পথে ঠেলে দিচ্ছে। অন্যদিকে, চিনও এই পরিস্থিতিকে কৌশলগতভাবে কাজে লাগিয়ে তাইওয়ান ইস্যুতে নিজেদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করার চেষ্টা করছে। জ্বালানি নিরাপত্তা এবং ভূ-রাজনৈতিক স্বার্থ উভয় দেশের কাছেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।










