আন্দোলনকারী চাকরিহারাদের স্বস্তি: SSC মামলায় হাইকোর্টের বড় নির্দেশ

Share:

ব্যুরো নিউজ ২৩ মে : এসএসসি’র মাধ্যমে চাকরিহারা আন্দোলনকারী শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীদের জন্য স্বস্তির খবর। আন্দোলনকারীদের পাশাপাশি এফআইআর-এ নাম থাকা শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীদের বিরুদ্ধেও পুলিশ এখনই কড়া পদক্ষেপ করতে পারবে না। শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ এমনটাই নির্দেশ দিয়েছেন। পুলিশকে ‘ধীরে চলো’ নীতি পালনের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। একইসঙ্গে, সল্টলেকের সেন্ট্রাল পার্ক সংলগ্ন এলাকায় আন্দোলনকারীদের অবস্থানে বসার পরামর্শও দিয়েছে আদালত।


আন্দোলনকারীদের জন্য সুবিধা: তাঁবু, পানীয় জল, বায়ো টয়লেট

জানা গেছে, শুক্রবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি জানান, প্রশাসন সম্ভব হলে অস্থায়ী তাঁবু টাঙানোর ব্যবস্থা করবে। বায়ো টয়লেট এবং পানীয় জলের ব্যবস্থা করার কথাও আদালত বলেছে। এছাড়াও, মধ্যশিক্ষা পর্ষদের তরফে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে জারি করা শোকজ নোটিসও কার্যকর করা যাবে না বলে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

‘অপারেশন সিঁদুর’ এর সর্বদলীয় প্রতিনিধিদলে থাকছেন না ইউসুফ পাঠান, তৃণমূল সাংসদের সিদ্ধান্ত


মিথ্যা মামলার অভিযোগ ও হাইকোর্টের দ্বারস্থ

মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ তুলে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন দুই শিক্ষক নেতা ইন্দ্রজিৎ মণ্ডল ও সুদীপ কোনার। সেই মামলার শুনানিতেই বিচারপতি চাকরিহারাদের উদ্দেশে সেন্ট্রাল পার্কে অবস্থান করার পরামর্শ দেন। আদালত আরও জানিয়েছে, ২০০ জন করে আন্দোলনকারী রোটেশন পদ্ধতিতে অবস্থান-বিক্ষোভ করতে পারবেন।

কলকাতায় তিরঙ্গা যাত্রা ,বিএসএফ জওয়ান মুক্তি, ভুয়ো খবর দমন, সন্ত্রাসবাদ নিপাতন : মোদীর নেতৃত্বে দেশ সুরক্ষিত দাবি শুভেন্দু অধিকারীর


বিকাশ ভবন ঘেরাও অভিযান ও আন্দোলনকারীদের দাবি

কয়েক দিন আগে, চাকরিহারারা বিকাশ ভবন ঘেরাও অভিযান করেন। তাদের মূল দাবি হলো, কোনো পরীক্ষা নয়, যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সসম্মানে তাঁদের চাকরি ফিরিয়ে দিতে হবে। এই অভিযান ঘিরে বিকাশ ভবনের সামনে ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছিল। সেই পরিস্থিতির পর চাকরিহারারা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, “দ্বিতীয়বার কোনো পরীক্ষা দেব না। যে দফতরে আমরা আছি, সেখানে সবাইকে যোগ্যতার পরীক্ষা দিতে হবে। আমাদের পরীক্ষা দিতে হলে মুখ্যমন্ত্রী, সাংসদ, সবাইকে পরীক্ষা দিতে হবে। সবাই ফের নির্বাচনে দাঁড়াক। আবার নির্বাচিত হোন।” তাঁরা আরও বলেন, “আমাদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ নেই। তারপরেও চাকরি গেল। মূল দায়ী স্কুল সার্ভিস কমিশন ও রাজ্য সরকার। ‘ধরি মাছ, না ছুঁই পানি’ স্ট্যান্ড রাজ্য সরকারের।” আন্দোলনকারীরা মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।