ব্যুরো নিউজ, ১৭ই মে ২০২৬ঃ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ফলতার নির্বাচনী সভা থেকে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র আক্রমণ শানালেন। তথাকথিত ‘ডায়মন্ড হারবার মডেল’-এর কড়া সমালোচনা করে তিনি দুর্নীতি ও ভোট সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা দেন। শুভেন্দু দাবি করেন, শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে নাম জড়ানো সংস্থা ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস’-এর একাই কলকাতা পৌরসংস্থার নথি অনুযায়ী ২৪টি সম্পত্তির হদিশ মিলেছে। পাশাপাশি আমতলায় রাজপ্রাসাদের মতো অফিস তৈরি নিয়েও অভিষেককে নিশানা করেন তিনি।
শুভেন্দু অধিকারী হুঁশিয়ারি দেন, পূর্বতন মমতা-অভিষেক সরকারের সমস্ত দুর্নীতি ও পুলিশ-প্রশাসনের একাংশের অন্যায় মদতের বিরুদ্ধে তাঁর সরকার কড়া তদন্ত শুরু করেছে। তিনি অভিযোগ করেন, দীর্ঘ বছর ধরে ডায়মন্ড হারবার ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিস্তীর্ণ এলাকায় সাধারণ মানুষকে ভোট দিতে দেওয়া হয়নি। এলাকার কুখ্যাত দুষ্কৃতী ও এক শ্রেণীর পুলিশ আধিকারিকদের ব্যবহার করে এই ভোট লুঠের ‘মডেল’ চালানো হচ্ছিল।
মুখ্যমন্ত্রী আশ্বাস দেন, আগামী ২১ মে-র উপনির্বাচনে সাধারণ মানুষ যাতে সম্পূর্ণ গণতান্ত্রিক উপায়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, তার জন্য প্রশাসনকে কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও জানান, আরজি কর কাণ্ডের তদন্তে গাফিলতির অভিযোগে ইতিমধ্যেই তিন আইপিএস অফিসারকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। তৎকালীন পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েল, ইন্দিরা মুখোপাধ্যায় এবং অভিষেক গুপ্তার মতো শীর্ষ পুলিশ কর্তাদের কল রেকর্ড ও হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট খতিয়ে দেখলে পূর্বতন সরকারের শীর্ষ নেতৃত্বের ভূমিকা পরিষ্কার হয়ে যাবে। ফলতা বিধানসভার জনবিন্যাসকে সামনে রেখে তিনি বিজেপি প্রার্থী দেবাংশু পাণ্ডাকে এক লক্ষেরও বেশি ভোটে জেতানোর আহ্বান জানান, যা অভিষেকের সাজানো ‘ভোট লুঠের মডেল’কে ধূলিসাৎ করে দেবে।










