বিশ্ব জুড়ে

গুরুত্বপূর্ণ খবর

গঙ্গা দূষণ রোধে বড়সড় পদক্ষেপ পঞ্চায়েতের

ব্যুরো নিউজ, ৩১ অক্টোবর: গঙ্গা দূষণ রোধে বড়সড় পদক্ষেপ পঞ্চায়েতের    দীর্ঘ এক বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে যথাযথ রীতি নীতি মেনে উৎসাহ, উদ্দীপনার সঙ্গে শেষ হলো দুর্গা পুজো ও লক্ষী পুজো। বিজয়া দশমীর মধ্যে দিয়ে উৎসবের পরিসমাপ্তি ঘটেছে। আর বিজয়া দশমীর দিন থেকে প্রতিমা বিসর্জন শুরু হয়। চলে টানা দুদিন ধরে। দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার জয়নগর ১ নম্বর ব্লকের দক্ষিণ বারাসাতে প্রায় ২৫ থেকে ৩০ টি প্রতিমা। এই দক্ষিণ বারাসাতের অতি প্রাচীন গঙ্গার ঘাটে, প্রতিবছরের মতো এ বছরও প্রতিমা নিরঞ্জন করা হয়। পাশাপাশি বেশ কিছু লক্ষী প্রতিমাও বিসর্জন করা হয় সেখানে।   আর এই বিসর্জনের ফলে গঙ্গার ঘাটের জল দূষিত হয়। আর সেই কথা মাথায় রেখে দূষণ প্রতিরোধে দক্ষিণ বারাসাত গ্রাম পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে আজ সকাল থেকেই ঘাট পরিষ্কারের কাজে নেমে পড়েন পঞ্চায়েতের ভিসিটি অর্থাৎ ভিলেজ সার্ভিস টিমের কর্মীরা। চলে প্রতিমার কাঠামো, ফুল, অন্যান্য সামগ্রী সরানোর কাজ। পঞ্চায়েতের নজরদারিতে চলছে ঘাটে ঘাটে কাঠামো পরিষ্কারের কাজ। গঙ্গা থেকে প্রতিমা তুলে পাড়ে রাখা হচ্ছে। তারপর সেগুলো সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে অন্যত্রে। হলদিয়া-সহ ৬টি পুরসভার মেয়াদ শেষ| বন্ধ কাজ| ভোগান্তি সাধারণের অন্যান্য বছর প্রতিমা বিসর্জন হওয়ার পরও দেখা গিয়েছে কাঠামো গঙ্গাবক্ষে পড়ে থাকে। এবার আর সেটি হওয়ার কোনও সুযোগ রইলো না। একদিকে যেমন গঙ্গা দূষণ ঠেকানোর কাজ চলছে, ঠিক অন্যদিকে রাজ্যজুড়ে ডেঙ্গির বাড় বাড়ন্ত দেখা গিয়েছে। তাই তা নিয়ে প্রশাসন তৎপর হয়ে এই ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে।   প্রতিমার বিভিন্ন সরঞ্জাম থেকে যাতে গঙ্গার জল কোনও ভাবেই দূষিত না হয় সেই দিকে বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে পঞ্চায়েতের তরফে। তাই প্রতিমা বিসর্জনের পর এই কাঠামো গঙ্গার জল থেকে সরিয়ে ফেলার কাজ করছে পঞ্চায়েতের কর্মীরা। ইভিএম নিউজ 

আরো পড়ুন »

কাঁটাতারের ওপারে সম্প্রীতির কালীপুজো

ব্যুরো নিউজ, ৩১ অক্টোবর: কাঁটাতারের ওপারে সম্প্রীতির কালীপুজো দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার হিলি থানার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া হাড়িপুকুর গ্রাম। একেবারে বাংলাদেশের শূন্যরেখা লাগোয়া মন্দিরে কালীপুজো করেন হিলির মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষেরা। ED তল্লাশি নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য  এই কালী পূজা ঘিরে সাজো সাজো রব গ্রামে। শুধু গ্রামবাসীরাই নয় এই অনুষ্ঠানে যোগ দিতে সামিল হন সীমান্তের প্রহরারত বিএসএফ জওয়ানরাও। শুধুমাত্র ভারতীয় বা বিএসএফরা নয় সীমান্ত লাগোয়া এই পূজোয় মাতেন বাংলাদেশের মানুষও। এমনকী, মন্দিরের রক্ষণাবেক্ষণও করেন তাঁরাই। তবে প্রথম থেকেই রীতি মেনে এই পুজো করেন হিন্দু পুরোহিত। কালী পুজোকে ঘিরে সেজে উঠেছে কাঁটাতারের পাশের গ্রাম হাড়িপুকুর। উৎসবের রেশ হাড়িপুকুর সংলগ্ন বাংলাদেশের গ্রামগুলিতেও। শুধু গ্রামবাসীরাই নয় অনুষ্ঠানে যোগ দিতে সামিল হন সীমান্তের প্রহরারত বি.এস.এফ ও বিজিবি-র জওয়ানরাও। দীপাবলির আলোর এই অনুষ্ঠানে কার্যত মনের আঁধার দূরে সরিয়ে মিলন উৎসবে মাতে ওঠেন দুই বাংলার মানুষ।দেশ ভাগের পর থেকেই হাড়িপুকুরের সীমান্তের শূন্যরেখার পিলারের পাশেই দেবী দীর্ঘ দিন থেকে পূজিত হয়ে আসছেন। তবে এখানে কালীর থানে ঘট পূজা হয়। প্রথম থেকেই ঘট পূজার প্রচলন আজও অব্যাহত। মূর্তি তুলে পুজো হলেও গ্রামবাসীরা এই কালীর থানকে জাগ্রত বলে মানেন। হাড়িপুকুর গ্রামটি মুসলিম অধ্যুষিত গ্রাম বলে পরিচিত এবং ওপারে বাংলাদেশের গ্রামগুলিও মুসলিম অধ্যুষিত। হিন্দুদের প্রচলিত রীতি মেনে হাড়িপুকুর গ্রামের এই কালী মাতার থানে পুজো সারা বছরই করেন হিন্দু পুরোহিত। কিন্তু কালীর থান এবং যাবতীয় রক্ষণাবেক্ষণ করেন ওই গ্রামের মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষরা। সারা বছরই কাঁটাতারের বেড়ায় বন্দী এই গ্রামবাসীরা। বাইরের পুজোয় আনন্দ না করতে পারলেও গ্রামের মধ্যে আলোর এই উৎসবে মেতে ওঠেন। কালীপুজোকে ঘিরে আলোর ঝর্ণা ধারায় সেজে ওঠে এপারের হাড়িপুকুর গ্রাম এবং ওপারের বাংলাদেশের বাঘমারা গ্রাম। কালীপুজোর পরদিন পুরনো রীতি অনুযায়ী খিঁচুড়ি ভোগেরও আয়োজন করা হয়। যে ভোগে অংশগ্রহণ করে সবাই। হাড়িপুকুর গ্রামের বাসিন্দাদের সাথে কথা বলে জানাগেছে , স্বাধীনতার পর থেকেই পূজিত হয়ে আসা এই কালীপুজোর কয়েকটি দিনে এলাকায় একটি জমজমাট পরিস্থিতি তৈরি হয়। বিদ্যুতের অভাবে প্রথমে মোমবাতি ও প্রদীপ জ্বালিয়ে পুজোর প্রচলন ছিল। কিন্তু বর্তমানে গ্রামে বিদ্যুৎ এসে যাওয়ায় পুজোর কয়েকটি দিনে ছোট ছোটো টুনি বাল্বের আলোতে সেজে ওঠে দুই দেশের শূন্যরেখা এলাকা। পুরোনো রীতি মেনেই হিন্দুদের দ্বারা এই পুজো চললেও সেখানে অংশ নেন হাড়িপুকুর গ্রামের সমস্ত মুসলিম মানুষেরা। জাতি ভেদাভেদ ও দেশ ভাগাভাগি ভুলে পুজোর দিন ও পুজোর পরের দিন খিঁচুড়ি বিতরণ অনুষ্ঠানে সামিল হন বাংলাদেশের গ্রামের প্রচুর হিন্দু ও মুসলিম মানুষ। দেশজুড়ে যেখানে অসহিষ্ণুতার পরিবেশ নিয়ে অভিযোগ পালটা অভিযোগ। এরই মাঝে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অনন্য নজির গড়ছে হাড়িপুকুর গ্রাম। এযেন দেশজুড়ে অসহিষ্ণুতার পরিবেশেও অক্ষুন্ন সেখানকার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মেলবন্ধন । গ্রামের হিন্দু কালী মন্দিরের রক্ষণাবেক্ষণ করেছেন মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষজন। এখানে এসেই মনে হয় বিদ্রোহী কবি নজরুলের লাইন ‘মোরা এক বৃন্তে দুটি কুসুম হিন্দু মুসলমান’। আর মাএ কয়েকদিন তাই এই কালী পুজো ঘিরে সাজো সাজো রব হিলি হাড়িপুকুর গ্রামে। ইভিএম নিউজ

আরো পড়ুন »
বিধায়ক

তৃণমূল বিধায়ক নয়না বন্দ্য়োপাধ্যায়ের বাড়ির পুজো

ব্যুরো নিউজ, ২৯ অক্টোবর: তৃণমূল বিধায়ক নয়না বন্দ্য়োপাধ্যায়ের বাড়ির পুজো বাঙালীর ঘরে ঘরে ধনদেবীর আরাধনা। লক্ষ্মী বন্দনায় ব্যস্ত ছিলেন গৃহস্থ থেকে সেলিব্রিটিরাও। তা সে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হোন বা অভিনেতা-অভিনেত্রী, সকলেই ব্যস্ত ছিলেন লক্ষ্মী বন্দনায়। কলকাতায় পৌঁছালো পাকিস্তান ক্রিকেট টিম প্রতি বছরের মতো এবারও নিজের বাড়িতে লক্ষ্মী পুজোর আরাধনায় সামিল হলেন তৃণমূল বিধায়ক নয়না বন্দ্য়োপাধ্যায় ও তাঁর স্বামী তৃণমূলের বর্ষীয়াণ সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় ৷ পুজো চলাকালীন নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় জানান ২৫ বছর ধরে বাড়ির লক্ষ্মী পুজো হয় তাঁদের। পুজর শুরুটা হয়েছিল খুব সাধারন ভাবেই, অন্যান্য বাড়ির মতন করেই। এরপর থেকে ধিরে ধিরে ভোগ রান্নার ব্যবস্থা করা হয়। সন্ধ্যের পর থেকে হয় ভোগ বিতরণ। উপস্থিত থাকেন তৃণমূল করমি-সমর্থকেরাও। সব মিলিয়ে এক আনন্দের বাতাবরণ তৈরি হয়। ইভিএম নিউজ

আরো পড়ুন »
পুজো

দুর্গাপুজো নয়, লক্ষ্মীপুজোই এখানকার প্রধান উৎসব!

ব্যুরো নিউজ, ২৮ অক্টোবর: দুর্গাপুজো নয়, লক্ষ্মীপুজোই এখানকার প্রধান উৎসব! দুর্গা বিসর্জন হয়ে গিয়েছে, মণ্ডপ শুন্য করে দেবী দুর্গা ফিরে গিয়েছেন কৈলাসে। দুর্গার পর এবার লক্ষ্মী আরাধনার পালা। নদীতে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা! আজ কোজাগরী লক্ষ্মী পূর্ণিমা। প্রতিটি বাড়িতে বাড়িতে মা লক্ষ্মীর আরাধনা। তবে কখনও কি শুনেছেন একটা জনপদের প্রধান উৎসবই লক্ষ্মী পুজো! বিগত বহু দশক ধরেই মা লক্ষ্মী গ্রামজুড়ে পূজিত হচ্ছেন। জলপাইগুড়ির দুরামারিতে। জানা যায়, প্রায় ৫৫ বছর আগে জলপাইগুড়ির অন্যতম কৃষি বলয় হিসেবে পরিচিত দুরামারিতে পর পর কয়েক বছর ফসলের ব্যাপক ক্ষতিতে দুর্ভিক্ষ দেখা দিয়েছিল গোটা গ্রামে। ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছিলেন এলাকার কৃষকেরা। শেষ পর্যন্ত কোনও উপায় না পেয়ে সারা গ্রাম একত্রিত হয়ে ফসলের মহামারি থেকে রেহাই পেতে দেবী লক্ষ্মীর শরণাপন্ন হয়। দেবীর উপাসনার পর বদলে যায় পুরো চিত্রটাই।  এরপর থেকে ‘লক্ষ্মী গ্রাম’ হিসেবে পরিচিতি পায় দুরামারি। এরপর থেকে এলাকার প্রধান পুজো হয়ে ওঠে লক্ষ্মীপুজো। এখানে দুর্গা, কালী পুজোর আয়োজন নিয়ম রক্ষার পুজো হলেও সারা বছর লক্ষ্মীপুজোর জন্যই অপেক্ষায় থাকেন এলাকাবাসী। অন্যান্য জায়গায় লক্ষ্মী পুজো মূলত গৃহস্থ বাড়ির পুজো। তবে দুরামারিতে বিভিন্ন ক্লাবের উদ্যোগে প্রায় ৩৫টি সর্বজনীন লক্ষ্মী পুজোর আয়োজন করা হয়ে থাকে। পুজোর পরও এক সপ্তাহ ধরে চলে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। পাশাপাশি ৩ দিন ধরে চলে বিরাট মেলা। এবছর ৩১ অক্টোবর থেকে ২ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে এই মেলা। সেখানে বিভিন্ন ক্লাবের বড় বড় প্রতিমা নিয়ে প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়ে থাকে। ইভিএম নিউজ

আরো পড়ুন »
আশায়

লক্ষ্মী লাভের আশায় লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকায় লক্ষ্মী আরাধনা

ব্যুরো নিউজ, ২৮ অক্টোবর: লক্ষ্মী লাভের আশায় লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকায় লক্ষ্মী আরাধনা  তিলে তিলে জমানো লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা। সেই টাকা থেকেই লক্ষ্মী পুজোর আয়োজন। দক্ষিণ ২৪ পরগনার গঙ্গাসাগরের চেমাগুড়ি এলাকায় মহিলা গোষ্ঠীর পরিচালনায় আয়োজিত হচ্ছে লক্ষ্মীপুজো। লক্ষ্মী ভাণ্ডারের টাকা তিলে তিলে জমিয়ে গ্রামের মেয়েদের উদ্যোগেই হচ্ছে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজো। এবছর দ্বিতীয় তম বর্ষে পদার্পণ করেছে এই পুজো। অভিনেত্রীর বাড়িতে কোজাগরী লক্ষ্মী পুজোর আয়োজন কথায় আছে মেয়েরাই লক্ষ্মী। তাই অসংখ্য লক্ষ্মী মেয়েদের জমানো টাকা থেকেই লক্ষ্মী পুজোর আয়োজন করা হয়। তিলে তিলে জমানো লক্ষ্মী ভাণ্ডারের টাকায় হচ্ছে লক্ষ্মী পুজো। মূলত গঙ্গাসাগর প্রান্তিক দ্বীপ এলাকা হওয়ার কারণে প্রতিবছর প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে তছনছ হয়ে যায় জমির ফসল। অনাবৃষ্টির কারণে এ বছর জমিতে ফসল ফলাতে পারেনি এলাকাবাসীরা। এরফলে আর্থিক সংকটের মধ্যে পড়েছে গ্রামবাসীরা। আর এই আর্থিক সংকট থেকে উদ্ধারের জন্য কার্যত রাজ্য সরকারের দেওয়া লক্ষীর ভাণ্ডারের টাকায় দেবী লক্ষীর আরাধনাতে ব্রতী হয়েছে গ্রামের মহিলারা।   এ বিষয়ে পদ্মা মাহাতো নামে এক মহিলা জানান, “গঙ্গাসাগর দ্বীপ এলাকা চারিদিকে নদী বিস্তৃত। প্রতিবছর বিভিন্ন প্রাকৃতিক বিপর্যয় নদী বাঁধ ভেঙে এলাকা প্লবিত হয়। নদীর নোনা জলে নষ্ট হয়ে যায় ফসল। এই বিপদের হাত থেকে বাঁচাতেই গ্রামের মহিলারা উদ্যোগ নিয়েছে গ্রামে লক্ষ্মী পুজো করার।   রাজ্য সরকারের দেয়া লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা তিল তিল করে জমিয়ে গ্রামের মহিলারা এই গ্রামে লক্ষ্মী পুজো শুরু করে। মা লক্ষ্মী আমাদেরকে এই বিপদ থেকে উদ্ধার করবে। দুর্গাপুজোতে আনন্দ না হলেও লক্ষী পুজোতে গ্রামের সকল মহিলারা সামিল হয় ও নিজেদের সাধ্যর মধ্যেই আমরা লক্ষ্মীপূজো করে থাকি”। ইভিএম নিউজ

আরো পড়ুন »
কোজাগরী

অভিনেত্রীর বাড়িতে কোজাগরী লক্ষ্মী পুজোর আয়োজন

ব্যুরো নিউজ, ২৮ অক্টোবর: অভিনেত্রীর বাড়িতে কোজাগরী লক্ষ্মী পুজোর আয়োজন     আজ কোজাগরী লক্ষ্মী পুজো। আল্পনা এঁকে, শঙ্খ বাজিয়ে এদিন ঘরে ঘরে দেবী লক্ষ্মীর আরাধনা করা হয়। টলিপাড়ার দাপুটে অভিনেত্রী অপরাজিতা আঢ্য প্রতিবছরই ঘটা করে লক্ষ্মীপুজো করে থাকেন। এবারেও তার অন্যথা হল না। নিজের হাতে মা লক্ষ্মীকে সাজিয়েছেন অভিনেত্রী। কোজাগরী শব্দের অর্থ কী? কীভাবে পুজো করলে হবেন ধন-সম্পত্তির অধিকারী? প্রত্যেক বছরই অভিনেত্রীর বাড়িতে জাঁকজমকের সঙ্গে পালন করা হয় লক্ষ্মীপুজো। অপরাজিতা নিজে এই পুজোর সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে যুক্ত থাকেন। এইদিন তাঁর ব্যস্ততা একেবারে তুঙ্গে। মা লক্ষ্মীকে তিনি নিজের হাতেই সাজান। এই বছরও তার ব্যতিক্রম হল না।   মায়ের ভোগের জন্য প্রতিবছরের মতো এ বছরেও থাকছে শুকনো ভোগ। লুচি, পাঁচ রকমের ভাজা ইত্যাদি। গানে গানই লক্ষ্মী পুজোর শুভেচ্ছা বার্তা সকলের উদ্দেশ্যে দিলেন অভিনেত্রী। ইভিএম নিউজ 

আরো পড়ুন »
কলকাতা

পুজো কার্নিভালে জমজমাট কলকাতার রেড রোড

ব্যুরো নিউজ, ২৭ অক্টোবর: পুজো কার্নিভালে জমজমাট কলকাতার রেড রোড  চারদিনের পুজোর পর দশমীতে দুর্গা প্রতিমার বিসর্জনের নিয়ম। আর সেই নিয়ম মেনেই কলকাতার বেশ কয়েকটি পুজো মণ্ডপ ভাসান কার্নিভালে যেতে পারছে না। খোদ মুখ্যমন্ত্রীর পাড়ার পুজো, কলকাতার থিম পুজোর অন্যতম পুরোধা সঙ্ঘশ্রীই কার্নিভালে যাচ্ছে না। এই পুজোর সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাই কার্তিক বন্দ্যোপাধ্যায়েরও যোগ  রয়েছে। কিন্তু পুজোর উদ্যোক্তারা পাড়ার মানুষের আবেগকে স্বীকৃতি দিয়ে দশমীর দিনে ভাসান দিয়েছে সঙ্ঘশ্রী। কার্নিভালে আমন্ত্রিত নন রাজ্যপাল আনন্দ বোস! এছাড়া দশমীতে ভাসানরীতি মেনে কার্নিভালে নেই বাগবাজার, ম্যাডক্স স্কোয়ারের মতো সাবেকি পুজো। শুক্রবার কার্নিভালে যাচ্ছে না মুদিয়ালির পুজো। টালা প্রত্যয়ও এই কার্নিভালে অংশগ্রহন করতে পারবে না কারন তারা বৃহস্পতিবার তাদের প্রতিমা মণ্ডপেই গলিয়ে ফেলবে। মণ্ডপে ঢোকার মুখে রাখা ফাইবারে দুর্গা প্যানেল ও নটরাজের মূর্তি নিয়ে তারা কার্নিভালে অংশ নেবে। অন্যদিকে গতবারের মতো এবারও থাকছে না প্রয়াত সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের পুজো একডালিয়া এভারগ্রিন। উদ্যোক্তারা জানিয়েছে, সম্পাদক গৌতম মুখোপাধ্যায় ও সহ-সভাপতি তরুণ বন্দ্যোপাধ্যায় সদ্য মারা যাওয়ায় শোকের আবহে তারা কার্নিভালে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রতিমার উচ্চতার কারণে কার্নিভালে যাচ্ছে না টালা বারোয়ারি। তবে এবার পুজো কার্নিভালে হাজির থাকছে একদা পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের পুজো নাকতলা উদয়ন সঙ্ঘ। অনেকে থিমের প্রতিমা করলেও মণ্ডপেই পুজো করেন সাবেকি একচালার প্রতিমাকে। সেই প্রতিমাকে দশমীতে বিসর্জন দিয়ে থিমের প্রতিমাকে নিয়ে এবার কার্নিভালে অংশ নেবেন। তাছাড়া পুজো উদ্যোক্তাদের মতে থিমের ঠাকুর বেশি দিন ধরে রেখে দেওয়াতে অনেক খরচ। তার কার্নিভালের খরচও মাথা ব্যথার কারণ হয়েছে অনেক পুজো উদ্যোক্তাদের। একদিন ট্রেলার ভাড়া অনেক। কার্নিভালের অংশ নিতে গিয়ে পুজোর বাজেট দুই-তিন লক্ষ বাড়ে। এ সব সত্বেও পুলিশ মনে করছে প্রায় ১০০ কাছাকাছি পুজো এবারের কার্নিভালে অংশ নেবে। ইভিএম নিউজ 

আরো পড়ুন »
কোজাগরী

কোজাগরী শব্দের অর্থ কী? কীভাবে পুজো করলে হবেন ধন-সম্পত্তির অধিকারী?

ব্যুরো নিউজ, ২৭ অক্টোবর: কোজাগরী শব্দের অর্থ কী? কীভাবে পুজো করলে হবেন ধন-সম্পত্তির অধিকারী? কথাতেই আছে বাঙ্গালীর ১২ মাসে ১৩ পার্বণ। দুর্গা বিসর্জন হলেও ঘর-বাড়ি এবার নতুন ভাবে আল্পনায় সেজে উঠার পালা। ধূপ-ধুনোর গন্ধে কোজাগরী মায়ের আরাধনা। বিরলতম সুড়ঙ্গ তৈরি করে গড়ল ইতিহাস! কবে লক্ষ্মীপুজো? কত ক্ষণ থাকছে কোজাগরী পূর্ণিমা তিথি? জেনেনিন পঞ্জিকা কী বলছে… দুর্গাপুজোর পর এবার কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর পালা। শারদপূর্ণিমায় ধনসম্পদদাত্রী দেবীর আরাধনায় মেতে উঠবে আপামর বাঙ্গালী৷ এই বছর কোজাগরী পূর্ণিমা ২৮ অক্টোবর শনিবার৷ দৃকসিদ্ধান্ত পঞ্জিকা মতে শনিবার পূর্ণিমা তিথি শুরু হচ্ছে ভোর ৪.১৭ মিনিটে৷ পূর্ণিমা তিথি থাকবে রাত ১.৫৩ মিনিট পর্যন্ত৷ কথিত আছে, এই তিথিতে সারা রাত জেগে লক্ষ্মীদেবীর আরাধনা করতে হয়৷ ঘর-বাড়ি পরিষ্কার করে পিটুলি বাটা দিয়ে আলপনা একে, নিষ্ঠা মেনে লক্ষ্মীদেবীর পুজো করলে সকল মনস্কামনা পূর্ণ হয়, দেবীর আশীর্বাদ প্রাপ্ত হওয়া যায়। হওয়া যায় ধন-সম্পত্তির অধিকারী। এমনকি অলক্ষ্মী গমন করে সাক্ষাৎ মা লক্ষ্মী অধিষ্ঠান করেন গৃহে। কোজাগরী শব্দটি এসেছে ‘কে জাগতী’ অর্থাৎ ‘কে জেগে আছ’ কথাটি থেকে। বলা হয়, যার বিষয়-সম্পত্তি কিছু নেই সে পাওয়ার আশায় জাগে। আর যার আছে, সে সেই বিষয়-আশয় না হারানোর আশায় জাগে। আর সারারাত জেগে লক্ষ্মীর আরাধনা করাই এই পূজার বিশেষ আচার। কথিত আছে কোজাগরী লক্ষ্মী পূর্ণিমার দিন দেবী রাত্রে খোঁজ নেন-কে জেগে আছেন? যে জেগে অক্ষক্রীড়া করে, মা লক্ষ্মী তাকে ধন সম্পদ দান করেন। ইভিএম নিউজ

আরো পড়ুন »
জেলায়

জেলায় জেলায় কার্নিভাল

ব্যুরো নিউজ, ২৭ অক্টোবর: জেলায় জেলায় কার্নিভাল উৎসব মুখরিত বাঙ্গালীকে উৎসব মুখি করতে দক্ষিন ২৪ পরগণা জেলার ৪ টি পৃথক মহকুমার এলাকায় পুজোর কার্নিভাল। আগ্নেয়াস্ত্র-সহ গ্রেফতার ২ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রের ডায়মন্ড হারবার হুগলী নদীর তীরে সান্ধ্যকালীন অনুষ্ঠানের মধ্যে বিসর্জনের কার্নিভাল অনুষ্ঠিত হলো। এই অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহণ করেছে ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রের ২০টি পূজা কমিটি। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বজবজের বিধায়ক আশক দেব, বিষ্ণুপুরের বিধায়ক তথা পরিবহন দফতরের মন্ত্রী দীলিপ মণ্ডল, ডায়মন্ড হারবারের বিধায়ক পান্নালাল হালদার। ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার রাহুল গোস্বামী ডায়মন্ড হারবার মহকুমারের এসডিও ও ডায়মন্ড হারবারের এসডিপিও-সহ একাধিক বিশিষ্ট জনেরা। ক্যানিং মহকুমার ১৭টি পূজা কমিটি অংশ গ্রহণ করেছে। এই কার্নিভালে উপস্থিতি ছিলেন একাধিক বিশিষ্ট জনেরা। কাকদ্বীপ মহাকুমারের পূজা কার্নিভালে উপস্থিতি ছিলেন সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা ও কাকদ্বীপের বিধায়ক মন্টুরাম পাখিরা। বারুইপুরের বিসর্জনের কার্নিভালে অংশ গ্রহণ করেছে ২৩ টি পূজা কমিটি। এই সংস্কৃতিক অনুষ্ঠান থেকে হুগলী নদীর তীরে জন প্লাবন। ভিড় নিয়ন্ত্রন করতে কার্যত হিমশিম খেতে হচ্ছে পুলিশ প্রশাসনকে। হুগলী নদীর তীরে চাঁদের হাট আর চোখ ধাঁধানো আলোয় সেজে উঠেছে মায়া নগরী। ইভিএম নিউজ

আরো পড়ুন »
সম্পন্ন

সম্পন্ন হোল ‘তরুণের আহ্বান’ ক্লাবের কালিপুজোর খুঁটি পুজো

ব্যুরো নিউজ, ২৬ অক্টোবর: সম্পন্ন হোল ‘তরুণের আহ্বান’ ক্লাবের কালিপুজোর খুঁটি পুজো   দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুরের ক্লাব হোল তরুণের আহ্বান ক্লাব। সেই ক্লাবের খুঁটি পুজোর মধ্য দিয়ে এবছরের কালীপুজোর শুভ সূচনা হলো মন্ত্রী বিপ্লব মিত্রের হাত ধরে। খুঁটি পুজোর মধ্যে দিয়ে শ্যামা পুজোর প্যান্ডেলের কাজের সূচনা করলেন দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুরের তরুণের আহ্বান ক্লাব। ৫৬৯ বছরে হুগলীর কোন্নগরের ঘোষাল বাড়ির পুজো রাজ্যের ক্রেতা সুরক্ষা দপ্তরের মন্ত্রী বিপ্লব মিত্রের ক্লাব নামে পরিচিত তরুণের আহ্বান ক্লাব। এদিন ঢাক ঢোল বাজিয়ে মন্ত্রীর বিপ্লব মিত্রের মাধ্যমে খুঁটি পুজো করে শ্যামা পুজোর প্যান্ডেলের কাজের সূচনা করা হয়। এবারে ৫৪ তম বর্ষে তাদের পুজো, থিম টেরাকোটা সামগ্রী দিয়ে পুরো প্যান্ডেলের কাজ ফুটিয়ে তোলা হবে বলে জানান মন্ত্রী বিপ্লব মিত্র সহ ক্লাব সেক্রেটারি দেবু বাগচী। পুজোর তিন দিনই বিশিষ্ট শিল্পীদের দ্বারা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজনের পাশাপাশি গরীব দুঃস্থদের মধ্যে বস্ত্র দান ও প্রসাদ বিতরণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার মধ্যে অন্যতম কালীপুজো তরুণের আহবান এই ক্লাবের পুজো। যাকে ঘিরে ক্লাব কর্তৃপক্ষ সদস্য ও এলাকাবাসীদের মধ্যে উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছে। ইভিএম নিউজ 

আরো পড়ুন »

বিশ্ব জুড়ে

গুরুত্বপূর্ণ খবর

বিশ্ব জুড়ে

গুরুত্বপূর্ণ খবর

ঠিকানা