বিশ্ব জুড়ে

গুরুত্বপূর্ণ খবর

করোনার নতুন প্রজাতি নিয়ে সতর্কবার্তা WHO-র

ব্যুরো নিউজ, ২১ ডিসেম্বর: করোনার নতুন প্রজাতি নিয়ে সতর্কবার্তা WHO-র ভারতে ফের ভয় ধরাচ্ছে করোনা। বাড়তে শুরু করেছে কোভিড সংক্রমণ। ওমিক্রনের উপপ্রজাতি জেএন.১-এ আক্রান্ত হওয়ার খবর মিলেছে। ইতিমধ্যে সংক্রমনে মৃত্যুও হয়েছে অনেকের। ভয় বাড়াচ্ছে কোভিড! করোনায় ১ দিনে ৫ জনের মৃত্যু করোনাভাইরাসের এই নতুন উপপ্রজাতি নতুন করে প্রচুর মানুষকে আক্রান্ত করতে পারে বলে আশঙ্ক করা হচ্ছে। কেরলে ইতিমধ্যেই আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে, পাশাপাশি মৃত্যুর সংখ্যাও। দেশে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ২ হাজার ৬৬৯। এই পরিস্থিতিতে হাসপাতালে ভর্তির হওয়ার সংখ্যাও বাড়তে পারে বলে সতর্কবার্তা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান বিজ্ঞানী সৌম্য স্বামীনাথন জানিয়েছেন, অনেকেই সাধারণ ঠান্ডা ভেবে কোভিডকে অবহেলা করছেন। কিন্তু শরীরে অন্য রোগ থাকলে কোভিড ভয়াবহ হয়ে উঠছে। তখন হাসপাতালে ভর্তি করতে হচ্ছে। এমনকি কোভিডে হৃদরোগ সহ অন্যান্য শারীরিক সমস্যাও হতে পারে বলে জানিয়েছেন তিনি। দেশের কোভিড পরিস্থিতির প্রসঙ্গে ন্যাশনাল ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন কোভিড টাস্ক ফোর্সের চেয়ারম্যান রাজীব জয়দেবন বলেছেন, “নভেম্বরের আগে অবধি ইনফ্লুয়েঞ্জা ধরনের অসুস্থতার এক শতাংশ কোভিড আক্রান্ত ছিল। এমনকি তা প্রায় শূন্যের কাছে পৌঁছে গিয়েছিল। কিন্তু নভেম্বরের শেষ পরিস্থিতি বদলেছে। ডিসেম্বরে ইনফ্লুয়েঞ্জা আক্রান্তদের মধ্যে ৯ শতাংশ কোভিড আক্রান্ত হওয়ার পরিসংখ্যান মলেছে। তথ্য থেকে জানা হাচ্ছে, কোচিতে আক্রান্তের জেরে অনেককেই ভর্তি হতে হয়েছে হাসপাতালে।” এই পরিস্থিতিতে হাসপাতালগুলিকে তৈরি রাখার কথা বলেছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান বিজ্ঞানী স্বামীনাথন। সেখানে অক্সিজেন-সহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা রাখার কথাও বলেছেন। তবে কোভিড টিকায় আশা প্রকাশ করেছেন, পাশাপাশি এও জানিয়েছেন, “কোভিড টিকা কাজ করছে। কিন্তু যাঁদের শরীরের অন্য রোগ আছে, বয়স্ক মানুষ, রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল, তাঁদেরকে টিকা সবক্ষেত্রে সুরক্ষা নাও দিতে পারে।” ইভিএম নিউজ

আরো পড়ুন »

ভয় বাড়াচ্ছে কোভিড! করোনায় ১ দিনে ৫ জনের মৃত্যু

ব্যুরো নিউজ, ১৯ ডিসেম্বর: ভয় বাড়াচ্ছে কোভিড! করোনায় ১ দিনে ৫ জনের মৃত্যু ভয় বাড়াচ্ছে করোনার নয়া প্রজাতি। বর্ষবরণের মুখে দেশে ফের করোনা সংক্রমনে মৃত্যু। ১ দিনে প্রাণ গেল ৫ জনের। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যগুলিকে সাবধান করল কেন্দ্র। ফের করোনা ‘আতঙ্ক’! উদ্বেগ বাড়াচ্ছে ভাইরাসের নয়া প্রজাতি শুধু ভারত নয়, বিশ্বজুড়ে করোনার প্রকোপ বাড়ছে। মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। বেশ কয়েকটি দেশে সতর্কবার্তা জারি করেছে হু। সিঙ্গাপুর-সহ নানা দেশেই কোভিডের দাপট বাড়ছে বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। তাই বড়দিনের সময় উৎসবের মরশুমে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে সাধারণ মানুষকে। শুধু কোভিড নয়, ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো রোগ থেকেও সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছে হু। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যগুলিকে সতর্কতামূলক নোটিশ পাঠিয়েছে কেন্দ্র। নোটিশে বলা হয়েছে, করোনার নজরদারিতে কোনরকম ঢিলেমি নয়। তাতে বিপদ বাড়তে পারে। রবিবার পাঁচজন আক্রান্তের মৃত্যু হয়েছে দেশে। তার মধ্যে চারজন কেরলের। অন্য এক জন কোভিড আক্রান্তের মৃত্যু হয়েছে উত্তরপ্রদেশে। সোমবার কেরলে আরও ১ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে পাশাপাশি তামিলনাড়ুর তিরুচিরাপল্লির এক বাসিন্দার দেহে করোনার নয়া প্রজাতি JN.1-এর হদিশ মিলেছে। জানা গিয়েছে, ওই ব্যক্তি গত অক্টোবরে সিঙ্গাপুরে গিয়েছিলেন। সিঙ্গাপুর থেকেই ওই ব্যক্তির দেহে করোনার নয়া প্রজাতির প্রবেশ হয়েছে বলে প্রাথমিক অনুমান। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ২৬০ জন। মোট সক্রিয় রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৮২৮ জন।  আইএমএ-র কোভিড টাস্ক-ফোর্সের চেয়ারম্যান রাজীব জয়াদেবান জানান, আগে যাঁরা করোনা আক্রান্ত হয়েছেন এবং ভ্যাকসিন নেওয়া রয়েছে, তাঁদের মধ্যেও সংক্রমণ ছড়াতে সক্ষম করোনার নয়া ভ্যারিয়ান্ট JN.1। এই পরিস্থিতিতে স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ বাড়ছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে রাজ্যগুলিকে কোভিড-সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়ে চিঠি দিয়েছে কেন্দ্র। এমনকি প্রবীণ নাগরিকদের মাস্ক পরার পরামর্শ দিয়েছে কর্ণাটকের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রক।  কর্ণাটকের স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “আতঙ্কিত হওয়ার দরকার নেই। আমরা গতকাল একটি বৈঠক করেছি যেখানে আমরা কী পদক্ষেপ নেওয়া উচিৎ তা নিয়ে আলোচনা করেছি। আমরা শীঘ্রই একটি পরামর্শ জারি করব। যাদের বয়স 60 বছরের বেশি এবং যাদের হার্টের সমস্যা আছে এবং কমরবিডিটি আছে তাদের অবশ্যই মাস্ক পরতে হবে।” “আমরা সরকারি হাসপাতালগুলোকে প্রস্তুত থাকতে বলেছি। কেরালার সাথে সীমান্ত ভাগ করে নেওয়া অঞ্চলগুলিকে আরও সতর্ক হতে হবে। ম্যাঙ্গালোর, চমনাজনগর এবং কোডাগুকে অবশ্যই সতর্ক থাকতে হবে। পরীক্ষা বাড়ানো হবে। যাদের শ্বাসকষ্টের সমস্যা রয়েছে তাদের বাধ্যতামূলকভাবে পরীক্ষা করাতে হবে,” এমনটাই জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী দীনেশ গুন্ডু রাও। ইভিএম নিউজ

আরো পড়ুন »

ফের করোনা ‘আতঙ্ক’! উদ্বেগ বাড়াচ্ছে ভাইরাসের নয়া প্রজাতি

ব্যুরো নিউজ, ১৯ ডিসেম্বর: ফের করোনা ‘আতঙ্ক’! উদ্বেগ বাড়াচ্ছে ভাইরাসের নয়া প্রজাতি ফের ‘করোনা আতঙ্ক’! উদ্বেগ বাড়াচ্ছে করোনা ভাইরাসের নয়া প্রজাতি।  কেরলের সত্তরোর্ধ্ব এক মহিলার পর করোনার নয়া ভ্যারিয়ান্ট JN.1 -এর হদিশ মিলল আরও এক ব্যক্তির দেহে। এবার তামিলনাড়ুর এক ব্যক্তির দেহে এই সাব-ভ্যারিয়ান্টের হদিশ মিলেছে। যা স্বাভাবিকভাবে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে দক্ষিণী রাজ্য-সহ গোটা দেশে। চিনে ভূমিকম্পে ভয়াবহ অবস্থা গোটা দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা পার করেছে ২৫০-এর গণ্ডি। সক্রিয় রোগীর সংখ্যাও ২ হাজারের কাছাকাছি। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ২৬০ জন। মোট সক্রিয় রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৮২৮ জন। এই মুহূর্তে আক্রান্তের হার সবচেয়ে বেশি কেরলে। সোমবার কেরলে আরও ১ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে এবং তামিলনাড়ুর তিরুচিরাপল্লির এক বাসিন্দার দেহে JN.1 -এর হদিশ মিলেছে। জানা গিয়েছে, ওই ব্যক্তি গত অক্টোবরে সিঙ্গাপুরে গিয়েছিলেন। সিঙ্গাপুর থেকেই ওই ব্যক্তির দেহে করোনার নয়া প্রজাতির প্রবেশ হয়েছে বলে প্রাথমিক অনুমান। আইএমএ-র কোভিড টাস্ক-ফোর্সের চেয়ারম্যান রাজীব জয়াদেবান জানান, আগে যাঁরা করোনা আক্রান্ত হয়েছেন এবং ভ্যাকসিন নেওয়া রয়েছে, তাঁদের মধ্যেও সংক্রমণ ছড়াতে সক্ষম করোনার নয়া ভ্যারিয়ান্ট JN.1। এই পরিস্থিতিতে স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ বাড়ছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে রাজ্যগুলিকে কোভিড-সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়ে চিঠি দিয়েছে কেন্দ্র। এমনকি প্রবীণ নাগরিকদের মাস্ক পরার পরামর্শ দিয়েছে কর্ণাটকের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রক।  কর্ণাটকের স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন যে, “আতঙ্কিত হওয়ার দরকার নেই। আমরা গতকাল একটি বৈঠক করেছি যেখানে আমরা কী পদক্ষেপ নেওয়া উচিৎ তা নিয়ে আলোচনা করেছি। আমরা শীঘ্রই একটি পরামর্শ জারি করব। যাদের বয়স 60 বছরের বেশি এবং যাদের হার্টের সমস্যা আছে এবং কমরবিডিটি আছে তাদের অবশ্যই মাস্ক পরতে হবে।” “আমরা সরকারি হাসপাতালগুলোকে প্রস্তুত থাকতে বলেছি। কেরালার সাথে সীমান্ত ভাগ করে নেওয়া অঞ্চলগুলিকে আরও সতর্ক হতে হবে। ম্যাঙ্গালোর, চমনাজনগর এবং কোডাগুকে অবশ্যই সতর্ক থাকতে হবে। পরীক্ষা বাড়ানো হবে। যাদের শ্বাসকষ্টের সমস্যা রয়েছে তাদের বাধ্যতামূলকভাবে পরীক্ষা করাতে হবে,” এমনটাই জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী দীনেশ গুন্ডু রাও। এবার মধ্য প্রদেশ সরকারও আগাম কোভিড সতর্কতা-বিধি লাগু করল। হাসপাতালগুলিতে কোভিড চিকিৎসার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মধ্য প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদব। সোমবার রাতে তিনি ভোপালের সরকারি হাসপাতাল পরিদর্শনেও যান। ইভিএম নিউজ

আরো পড়ুন »
প্রবীণ

প্রবীণ নাগরিকদের মাস্ক পরার পরামর্শ স্বাস্থ্য মন্ত্রকের

লাবনী চৌধুরী, ১৮ ডিসেম্বর: প্রবীণ নাগরিকদের মাস্ক পরার পরামর্শ স্বাস্থ্য মন্ত্রকের কর্ণাটকে প্রবীণ নাগরিকদের মাস্ক পরার পরামর্শ। কেরালায় কোভিডের ঘটনা বেড়েছে, ফলে কর্ণাটকের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী দীনেশ গুন্ডু রাও সোমবার প্রবীণ নাগরিকদের এবং সহজাত রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মাস্ক পরার পরামর্শ দিয়েছেন। কেরালা এবং অন্যান্য রাজ্যে কোভিড -19 কেস বৃদ্ধির পরে এমনটাই জানানো হয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের তরফ থেকে। হাসপাতালে দাউদ ইব্রাহিম | বিষ খাইয়ে খুনের চেষ্টা? কর্ণাটকে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলতে গিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন যে, “আতঙ্কিত হওয়ার দরকার নেই। আমরা গতকাল একটি বৈঠক করেছি যেখানে আমরা কী পদক্ষেপ নেওয়া উচিৎ তা নিয়ে আলোচনা করেছি। আমরা শীঘ্রই একটি পরামর্শ জারি করব। যাদের বয়স 60 বছরের বেশি এবং যাদের হার্টের সমস্যা আছে এবং কমরবিডিটি আছে তাদের অবশ্যই মাস্ক পরতে হবে।” তিনি আরও বলেন, “আমরা সরকারি হাসপাতালগুলোকে প্রস্তুত থাকতে বলেছি। কেরালার সাথে সীমান্ত ভাগ করে নেওয়া অঞ্চলগুলিকে আরও সতর্ক হতে হবে। ম্যাঙ্গালোর, চমনাজনগর এবং কোডাগুকে অবশ্যই সতর্ক থাকতে হবে। পরীক্ষা বাড়ানো হবে। যাদের শ্বাসকষ্টের সমস্যা রয়েছে তাদের বাধ্যতামূলকভাবে পরীক্ষা করাতে হবে,” এমনটাই জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। ভারতের করোনা সক্রিয় কেস 1 হাজার 800 ছুঁয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুসারে, সোমবার ভারতের কোভিড-19 সক্রিয় কেস বেড়ে দাঁড়িয়েছে 1 হাজার 828 এ। কেরালায় কোভিড সাব-ভেরিয়েন্ট JN.1 সম্প্রতি সনাক্ত করা হয়েছিল, এবার কেরালায় একজনের মৃত্যু হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুসারে। সংক্রমণ থেকে সেরে উঠেছেন 4.46 কোটি (4,44,69,931)। জাতীয় পুনরুদ্ধারের হার 98.81 শতাংশ, এমনটাই জানিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রক। এখনও পর্যন্ত, কোভিড -19 এর কারণে 53 লক্ষ 3 হাজার 317 জন মারা গেছে। ইভিএম নিউজ

আরো পড়ুন »
শরীরে

শবাসন| শরীরের উপর এর উপকারিতা জানেন কি?

ব্যুরো নিউজ, ২১ নভেম্বর: শবাসন| শরীরের উপর এর উপকারিতা জানেন কি?  শুধু মাত্র চিৎ হয়ে শুয়ে থাকার নাম শবাসন। শুনতে সহজ লাগলেও আদপে কিন্তু এই আসন সহজ নয়। মন ও মস্তিষ্কের সংযোগে এই আসন করা হয়ে থাকে। এই আসনে শরীর ও মনকে শান্ত ও স্থির রাখতে হয়। হাত পা যতটা সম্ভব হালকা ছেড়ে দিতে হয়। মড়ার মতো পরে থাকতে হয় এই আসনে। তাই এর নাম ‘শবাসন’। আসুন এই আসন করার পদ্ধতি জেনে নেওয়া যাক। ফুটবল খেলা ঘিরে উৎসবের আমেজ পদ্ধতি: চিত হয়ে শুয়ে, পা দুটি লম্বা করে ছড়িয়ে দিন। হাত দুটি শরীরের দুপাশে দেহ সংলগ্ন রাখুন। হাতের চেটো রাখতে হবে সম্পূর্ণ শিথিল অবস্থায়। হাত, পা ও পুর শরীর অবশ হয়ে গেছে এই ভেবে মৃত ব্যক্তির মতো শুয়ে থাকুন। যে আসন যতবার ও যতক্ষণ অভ্যাস করবেন, শবাসনেও ঠিক ততক্ষন অবশ্যই বিশ্রাম নেবেন। এই আসন করার সময় শ্বাস প্রশ্বাস স্বাভাবিক থাকবে। এছারাও আরও এক প্রকারের শবাসন করা যায়। তা হচ্ছে উপুর হয়ে শুয়ে মাটিতে কান পেতে সমস্ত শরীর শিথিল করে শুয়ে থাকা। দুহাত শরীরের দু- পাশে সংলগ্ন থাকবে। হাতের চেটো শিথিলভাবে পাতা থাকবে। যে সমস্ত আসন উপুর হয়ে শুয়ে করতে হয় সেই সমস্ত আসনের পর এই শবাসন করণীও। এইবার জেনে নেওয়া যাক এই আসনের উপকারিতা। উপকারিতা: এই আসন নিয়মিত অভ্যাস করলে হাই ব্লাডপ্রেসার, অনিদ্রা, একাগ্রতার অভাব, একটুতে রেগে যাওয়া, নার্ভাস, টেনশন, ও স্নায়বিক দুর্বলতা ও উত্তেজনার মতো রোগ দুর হয়ে যায়। ইভিএম নিউজ 

আরো পড়ুন »
চিকিৎসা

অতিমাত্রায় চিকিৎসা, অতিরিক্ত স্যালাইনে মৃত্যু হতে পারে ডেঙ্গু রোগীর! 

ব্যুরো নিউজ, ২০ নভেম্বর: অতিমাত্রায় চিকিৎসা, অতিরিক্ত স্যালাইনে মৃত্যু হতে পারে ডেঙ্গু রোগীর! বেশিরভাগ রোগীর মৃত্যু হয় অতিমাত্রায় চিকিৎসার কারণে। ডেঙ্গুর নেপথ্যে ভাইরাস। তাই ভাইরাসকে নিষ্ক্রিয় করতে রোগীর শরীরের ধাত বুঝে ততটাই ওষুধ দিতে হবে। কখনও লাগামছাড়া অ‌্যান্টিবায়োটিক, আবার চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া স্যালাইন দেওয়া। শেষ ও বড় কারণ হল, বিনা প্রয়োজনে প্লেটলেট দেওয়া। মূলত এই তিনটি কারণে ডেঙ্গু রোগীর প্রাণ সংশয় হয়। রাজ্যের সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে সমীক্ষা করে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। থ্যালাসেমিয়া মুক্ত ব্লক গড়ার লক্ষ্য! ডেঙ্গু রোগীকে অহেতুক প্লেটলেট দেওয়ার জেরে অসংখ্য রোগীর প্রাণসংশয় হচ্ছে। এদের একটা বড় অংশের ফুসফুসে জল জমে, হার্ট ফেলিওর হয়ে মারাও যাচ্ছেন। স্বাস্থ্য ভবনের কর্তাদের একাংশের সন্দেহ, এমন ঘটনা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ঘটছে বেসরকারি হাসপাতালে। স্বাস্থ‌্যভবনের দাবি, ডেঙ্গু আক্রান্তের মৃত্যু অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ঘটছে বেসরকারি হাসপাতালে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বলছেন, ডেঙ্গু রোগীর ক্ষেত্রে অত্যন্ত স্বাভাবিক ঘটনা শরীরে জলশূন্যতা। রক্তে কমে যায় অণুচক্রিকা বা প্লেটলডা। আবার রক্তবাহিকা থেকে রক্তরস বা প্লাজমা লিক করে বেরিয়ে যাওয়ার ফলে রক্ত ঘন হয়ে ওঠে। সবক’টি ক্ষেত্রেই আইভি ফ্লুইড (স্যালাইন) চলার কথা। কিন্তু ঠিক কোন সময়ে কতটা স্যালাইন দিতে হবে, আর কখন দেওয়া হবে প্লেটলেট, তা নিয়ে সরকারি নির্দেশিকা থাকলেও অনেক বেসরকারি হাসপাতালে সেটা ঠিকমতো মানা হচ্ছে না বলে আক্ষেপ করেছেন স্বাস্থ্য অধিকর্তা সিদ্ধার্থ নিয়োগী। বেশ কিছু রোগীর ক্ষেত্রে অতি-চিকিৎসায় হিতে বিপরীত হচ্ছে। স্বাস্থ্যকর্তারা মনে করছেন, ডেঙ্গু চিকিৎসার প্রোটোকল সরিয়ে রেখে চিকিৎসা হচ্ছে অনেক জায়গায়৷ সে জন্যই ফ্লুইড ওভারলোড আর প্লেটলেট সঞ্চালন সংক্রান্ত জটিলতা বেড়ে যায়। ইভিএম নিউজ

আরো পড়ুন »
চিকিৎসায়

আবারো চিকিৎসায় গাফিলতি! টিএল জয়সওয়াল হাসপাতালে রোগীর মৃত্যু

ব্যুরো নিউজ, ৭ নভেম্বর: আবারো চিকিৎসায় গাফিলতি! টিএল জয়সওয়াল হাসপাতালে রোগীর মৃত্যু ফের চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ। অভিযোগ বেলুড় থানার অন্তর্গত টি এল জয়সওয়াল হাসপাতালের বিরুদ্ধে। শাঁখারির থেকে শাঁখা পরেছিলেন স্বয়ং মা! এখনও মশাল জ্বেলে পুজো হয় দেবীর  গতকাল সকাল পাঁচটায় আদিত্য সিং চোহান নামে ২৯ বছর বয়সী এক যুবককে শ্বাসকষ্টজনিত রোগের জন্য ভর্তি করা হয় টি এল জয়সল হসপিটালে। সেখানকার চিকিৎসক ওই রোগীকে একটি ইনজেকশন দেন। তারপর থেকেই রোগীর শ্বাসকষ্ট আরও বেড়ে যায় এরপর তিনি মারা যান বোলে অভিযোগ এই রোগীর পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনের। ঘটনায় হাসপাতালের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখান রোগীর পরিবার। তাদের অভিযোগ যে হাসপাতালে ডাক্তারের চিকিৎসার গাফিলতির জন্য রোগীর মৃত্যু হয়েছে। ইভিএম নিউজ 

আরো পড়ুন »
স্বাস্থ্য

স্বাস্থ্যর উপর আপেলের প্রভাব কতটা জানেন কি?

ব্যুরো নিউজ, ১৯ অক্টোবর: স্বাস্থ্যর উপর আপেলের প্রভাব কতটা জানেন কি?  কথায় আছে, An Apple A Day, Keeps A Doctor Away অর্থাৎ প্রতিদিন একটা করে আপেল খেলে রোগ ধারে কাছে ঘেঁষবে না।  কারন এই বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই যে আপেলে আছে ভরপুর পুষ্টিগুণ। কিন্তু খোসা সমেত নাকি খোসা ছাড়িয়ে আপেল খেলে তার পুষ্টিগুণ বজায় থাকবে? আসুন জেনে নেওয়া যাক। আপেলের মধ্যে  রয়েছে ভরপুর পরিমাণে ভিটামিন, মিনারেল, ফাইবার, ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এই উপাদানগুলো স্বাস্থ্য উন্নত করতে সাহায্য করে। বেশিরভাগ মানুষ খোসা সমেত আপেল খান। এই অভ্যাস কি আদৌ স্বাস্থ্যকর? যদি হয় তাহলে তা কতটা স্বাস্থ্যকর? বিশেষজ্ঞরা বলেন, খোসা সমেত আপেল খাওয়া বেশি স্বাস্থ্যকর। কারন গবেষণায় জানা গিয়েছে, আপেলের খোসার মধ্যেও আছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার। আপেল ও আপেলের খোসার মধ্যে থাকা সেই ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করে, কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে ও রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। ‘উৎসব’ থিমে মানুষের ভিড় কিন্তু সমস্যা অন্যকিছু। এখন উৎপাদন বাড়ানোর জন্য আপেল চাষের বাগানেও ব্যবহার করা হয় প্রচুর পরিমাণ রাসায়নিক সার ও কীটনাশক। শুধু তাই নয়, আপেল যাতে চকচকে দেখায়, তার জন্য অনেক সময়ে আপেলের গায়ে মোমের মতো এক ধরনের পদার্থ লেপে দেওয়া হয়। এতে আপেলের ত্বকে থাকা দাগছোপ ঢেকে যায়। তাই খোসা না ছাড়িয়ে খেলে এই ধরনের রাসায়নিক পদার্থ শরীরে প্রবেশের আশঙ্কা থাকে। তা হলে উপায় কী? বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অবস্থায় খোসা ছাড়িয়ে আপেল খাওয়া ছাড়া উপায় নেই। আর যদি নিতান্তই খোসা সহ আপেল খেতে হয়, তবে বাইরের মোমের আস্তরণটি যাতে উঠে যায়, তার দিকে নজর দিতে হবে। এই মোমের আস্তরণ তুলতে উষ্ণ গরম জলে কিছুক্ষন আপেল চুবিয়ে রাখতে হবে। তারপর ভাল করে ঘষে নিতে হবে। চকচকে ভাব চলে গেলেই বোঝা যাবে  উপরের মোমের স্তর উঠে গিয়েছে। যদি কোনও দাগছোপ থাকে, তবে ছুরি দিয়ে সেই অংশটি কেটে বাদ দিয়ে দিতে হবে। ইভিএম নিউজ 

আরো পড়ুন »
মন

আমাদের মন আমাদের অধিকার

ব্যুরো নিউজ, ১১ অক্টোবর: আমাদের মন আমাদের অধিকার  ১০ ই অক্টোবর বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস। মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে সারাবিশ্বে সচেতনতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে এই দিবসটি পালন করা হয়। স্বাস্থ্য আমাদের কাছে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। এই সম্পদের রক্ষণাবেক্ষণ ও তার পরিচর্যা সম্পূর্ণ নির্ভর করে তাদের পারিপার্শ্বিক ও অভ্যন্তরীণ ভারসাম্যের উপর। এই ভারসাম্য যখন বিঘ্নিত হয় তখন তাকে অসুস্থতার তকমা দেওয়া হয়। আমাদের শরীরের মতো আমাদের মনও নানাভাবে অসুস্থ হতে পারে। সেটা অত্যন্ত স্বাভাবিক একটি বিষয়। কিন্তু দুঃখের কথা এই যে এখন প্রচুর মানুষ আছেন যারা এই অসুস্থতাকে সামাজিক বোঝা মনে করেন। যার জন্য পরবর্তীকালে নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় তাঁদের। শিয়ালদহ স্টেশনের নতুন চমক ‘এসি লোকাল’ এই হীনমন্যতা দূর করার উদ্দেশ্যে প্রতিবছর ১০ই অক্টোবর বিশ্বব্যাপী পালন করা হয় World Mental Health Day। World Federation of Mental Health এর উদ্যোগে ১৯৯২ সালে প্রায় ১৫০ টিরও বেশি দেশের সদস্য মিলে সর্বপ্রথম এই দিনটি পালন করেন। মানসিক অসুস্থতা ও সেই সংক্রান্ত শিক্ষা সচেতনতা বৃদ্ধি করাই ছিল এর মূল উদ্দেশ্য। প্রতিবছর হাজার হাজার মানুষ এই দিনটিতে অংশগ্রহণ করে। এই মানসিক অসুস্থতা সামাজিক ও ব্যক্তিগত জীবনে একই রকম  প্রতিক্রিয়া ফেলে। Deputy Secretary General Richard hunter এর তত্ত্বাবধানে ১৯৯২ সাল থেকে শুরু হয় বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস। ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত এই দিনটির কোন নির্দিষ্ট দিন ছিল না।  প্রথম ১৯৯৪ সালে বিশ্ব মানসিক অসুস্থতা দিবসের একটি থিম আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়। সর্বপ্রথম থিমটি ছিল, ‘সারা বিশ্বে মানসিক অসুস্থতা সম্পর্কিত পরিষেবাগুলির মান উন্নত করা’। ২০১৯ এর থিম ছিল ‘মানসিক স্বাস্থ্য উন্নতি করা ও আত্মহত্যা প্রতিরোধ।’ পৃথিবীতে অসমতার সুস্পষ্ট এই অসমতা রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক, শিক্ষা, স্বাস্থ্য সংস্কৃতি সব ক্ষেত্রে। মানসিক স্বাস্থ্য স্বাস্থ্যর একটি অবিচ্ছেদ্য ও মৌলিক অংশ। স্বাস্থ্যের তিনটি মৌলিক উপাদান শারীরিক, মানসিক ও সামাজিক সুস্থতা। কিন্তু সর্বক্ষেত্রেই আমরা স্বাস্থ্য বলতে শারীরিক সুস্থতাকে গুরুত্ব দিই ও মানসিক স্বাস্থ্যের কথা ভুলে যাই। আমাদের চলন বলন কথা বলার ইচ্ছা আকাঙ্ক্ষা কর্মস্পৃহা আবেগ অনুভূতি সবকিছুর মূলেই রয়েছে মন। মন যদি অসুস্থ হয় তবে অন্যান্য সব কিছুর সঙ্গেই চিন্তা চেতনা বিচার বিশ্লেষণ স্তব্ধ হয়ে যায়। করোনা মহামারির পরের পরিস্থিতিতে জনসাধারণের মানসিক স্বাস্থ্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বিশ্ব সভ্যতা বিকশিত হয়েছে। কিন্তু বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিস্তর বৈষম্য ও নানাবিধ অসমতা রয়ে গেছে দেশে দেশে। এ অসমতা অর্থনৈতিক, সামাজিক এমনকি স্বাস্থ্য ক্ষেত্রেও। স্বাস্থ্যের দিকে যদি তাকাই তাহলে মানসিক স্বাস্থ্য আরও বেশি উপেক্ষিত। অথচ সুখী, সমৃদ্ধ, বৈষম্যহীন মানবিক বিশ্ব গঠনে শারীরিক স্বাস্থ্যের পাশাপাশি মানসিক স্বাস্থ্যের দিকেও নজর দেওয়া প্রয়োজন, আসুন মনের কথা ভাবী মাথার কথা ভাবি, স্বাস্থ্য বলতে শুধু শরীরের উত্তাপ মাপা আর আর পালস অক্সিমিটার এ অক্সিজেনের মাত্রা নির্ণয় এর বাইরে বেরিয়ে আমাদের মনের উত্তাপ পরিমাপ করি। শারীরিক এবং মানসিক উভয় ক্ষেত্রেই সুস্থ থাকুন সকলে অবশ্যই পাশের মানুষগুলো সঙ্গে। ইভিএম নিউজ  

আরো পড়ুন »

আবার মৃত্যু ঘটল শিশুর

ব্যুরো রিপোর্ট ,৯ সেপ্টেম্বর :আবার মৃত্যু ঘটল শিশুর। সদ্যোজাত এক শিশুর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হল মালদহের চাঁচলের এক বেসরকারি নার্সিংহোমে। চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ তুলে তুলকালাম কান্ড বাঁধালেন মৃত শিশুর পরিবারের লোকজনেরা। কাঁথিতে বিরল শিশু জন্মালো নার্সিংহোমে ভাঙচুর চালানোর অভিযোগ উঠল মৃত শিশুর পরিবারের লোকজনেদের বিরুদ্ধে।এবিষয়ে নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন তাদের নার্সিংহোমে তেমন কোন পরিকাঠামো নেই। ওই শিশুপরিবারের লোকেরা জানিয়েছেন তাদের বাচ্চার কাছে যেতে দেওয়া হয়নি বাচ্চাকে ছুতে দেওয়া হয়নি।বাচ্চা অসুস্থ থাকলেও তা জানানো হয়নি নার্সিংহোমের তরফ থেকে এমনটাই অভিযোগ পরিবারের।ইভিএম নিউজ

আরো পড়ুন »

বিশ্ব জুড়ে

গুরুত্বপূর্ণ খবর

বিশ্ব জুড়ে

গুরুত্বপূর্ণ খবর

ঠিকানা