ব্যুরো নিউজ, ৮ই মে ২০২৬ঃ রাজ্যে পুরনো সরকার পালটানোর সাথে সাথেই ‘স্বাস্থ্য সাথী’ প্রকল্প নিয়ে সমস্যায় পড়ছেন চিকিৎসাধীন রোগীরা । দেহে রোগ বাসা বাঁধলে সে সময়ের অপেক্ষা করবে না । তাই তাদের পরিষেবা যাতে কোনওভাবেই ব্যহত না হয়, সেই দাবিতে মুখ্যসচিবের কাছে জরুরি আবেদন জানাল ওয়েস্ট বেঙ্গল ডক্টরস ফোরাম। সংগঠনের দাবি, এই অনিশ্চয়তার প্রভাব পড়ছে গুরুতর অসুস্থ রোগীদের উপর। বিশেষ করে- নিয়মিত হেমোডায়ালিসিস ও রক্ত সঞ্চালন নির্ভর রোগী, কেমোথেরাপি ও রেডিওথেরাপি চলা ক্যানসার আক্রান্তরা। হার্ট অ্যাটাক, কার্ডিয়াক ফেইলিওর, অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টি-সহ জরুরি হৃদরোগ চিকিৎসার রোগী। ট্রমা ও অন্যান্য জীবনসংশয়ী অবস্থার রোগী। ‘স্বাস্থ্য সাথী’র আওতায় ইতিমধ্যেই ভর্তি বা নির্ধারিত অস্ত্রোপচারের রোগীরা। চিঠিতে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, প্রশাসনিক অনিশ্চয়তার কারণে কোনও জীবনদায়ী চিকিৎসা বন্ধ, স্থগিত বা অস্বীকার করা চলবে না। কারণ, “রোগ অপেক্ষা করে না।”
মুখ্যসচিবের কাছে সংগঠনের আবেদন, অবিলম্বে রাজ্যের সমস্ত সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালকে লিখিত নির্দেশিকা জারি করা হোক যাতে বলা থাকে- ‘স্বাস্থ্য সাথী’র আওতায় চিকিৎসাধীন কোনও রোগীকে ভর্তি বা চিকিৎসা পরিষেবা থেকে বঞ্চিত করা যাবে না। ডায়ালিসিস, কেমোথেরাপি, জরুরি অস্ত্রোপচার ও অন্যান্য সংকটজনক চিকিৎসা চালু রাখতে হবে। সরকারিভাবে কোনও নীতিগত পরিবর্তনের ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত পরিষেবা স্বাভাবিক রাখতে হবে।
বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে ‘স্বাস্থ্য সাথী’ প্রকল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। নতুন সরকার গঠনের পর আগের সরকারের এই প্রকল্প আগের মতো চলবে কিনা, নাকি তার পরিবর্তে বিজেপির আয়ুষ্মান ভারত বা অন্য কোনও স্বাস্থ্যবিমা প্রকল্প চালু হবে কি না, তা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। আর এরই মাঝে যারা চিকিৎসাধীন রোগী রয়েছে তাদের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।




















