নবান্নে

ব্যুরো নিউজ, ২৪ নভেম্বর: নবান্নে মন্ত্রিগোষ্ঠীর বৈঠকে তাজপুর বন্দর প্রসঙ্গ! কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী?

তাজপুরে গভীর সমুদ্র বন্দরের জন্য এ বছর বাণিজ্য সম্মেলনে আরও টেন্ডার তথা দরপত্র ঘোষণার কথা জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রীর এই ঘোষণার পর থেকে অনেকের মনেই সংশয় তৈরি হয় যে, তাজপুরে বন্দর করছে না আদানি গোষ্ঠী? নাকি রাজ্য সরকার আদানির সঙ্গে চুক্তি বাতিল করছে?

২১ জুলাইয়ের সভাস্থলে ২৯ নভেম্বর শাহী সভা | অনুমতি হাইকোর্টের

গত বছর দুর্গাপুজোর পর শিল্পপতিদের নিয়ে বিজয়া সন্মিলনীর অনুষ্ঠানে গৌতম আদানির পুত্র করণ আদানির হাতে তাজপুরে গভীর সমুদ্র বন্দর নির্মাণের জন্য লেটার অফ ইন্টেন্ট (এলওআই) তুলে দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তাই ফের টেন্ডারের কথা উঠতেই আদানির লগ্নির ব্যাপারে অনেকের মনে সংশয় তৈরি হয়েছে।

তবে এ ব্যাপারে বৃহস্পতিবার মন্ত্রিগোষ্ঠীর বৈঠকে সতর্কবার্তা মুখ্যমন্ত্রীর। নবান্নে ডাকা মন্ত্রিগোষ্ঠীর বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পষ্ট জানিয়ে দেন, এ ব্যাপারে সবার কথা বলার দরকার নেই। তাঁর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা অমিত মিত্রর সঙ্গে যেন এ ব্যাপারে কথা বলেন নেন অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য ও শিল্পমন্ত্রী শশী পাঁজা। তাঁরা দুজনেই কেবল এ বিষয়ে যা বলার বলবেন।

বাণিজ্য সম্মেলনের প্রথমে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, “তাজপুরে গভীর সমু্দ্র বন্দর তৈরি করছি আমরা। আপনারা সেখানে টেন্ডারে অংশ নিতে পারেন। সেখানে ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার তথা ২৫ হাজার কোটি টাকার লগ্নির সম্ভাবনা রয়েছে।” এই টেন্ডার ঘোষণার পর থেকেই শুরু হয় জল্পনা।
সম্প্রতি এ ব্যাপারে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে করণ আদানি বলেছেন, “রাজ্য সরকারের থেকে এখনও লেটার অফ অ্যাওয়ার্ড পাওয়া যায়নি। তা পাওয়া গেলে পরিবেশ সংক্রান্ত ছাড়পত্র ইত্যাদি জোগাড় করতে আরও ১৮ থেকে ২৪ মাস সময় লাগবে। তারপরই কাজ শুরু করা সম্ভব।”
সূত্রের খবর, মুখ্যমন্ত্রী চাইছেন লগ্নির বিষয়টি রাজনীতি থেকে বিচ্ছিন্ন রাখতে। আর সেই কারণেই এ ব্যাপারে সবাইকে মুখ খুলতে মানা করেছেন। যদি কিছু প্রশ্ন ওঠে তবে তার জবাব শুধু দেবেন চন্দ্রিমা ও শশী নবান্নে ডাকা মন্ত্রিগোষ্ঠীর বৈঠকে এমনটাই জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। ইভিএম নিউজ
Article Bottom Widget

বিশ্ব জুড়ে

গুরুত্বপূর্ণ খবর

বিশ্ব জুড়ে

গুরুত্বপূর্ণ খবর