ব্যুরো নিউজ, ১৫ই মে ২০২৬ঃ গ্রীষ্মকাল ট্রেকিংয়ের জন্য আদর্শ সময়। মনোরম আবহাওয়া ও প্রকৃতির সবুজ ছোঁয়ায় মন ভরে ওঠে। উত্তরাখণ্ডে অ্যাডভেঞ্চার প্রিয়দের জন্য অসংখ্য ট্রেকিং রুট থাকলেও, নতুনদের জন্য সব রুট উপযুক্ত নয়। এই প্রতিবেদনে উত্তরাখণ্ডের তিনটি সহজ ট্রেকিং রুটের খোঁজ দেওয়া হলো, যা নতুন ট্রেকারদের জন্য আদর্শ। প্রথমেই আসে নাগ টিব্বা ট্রেক। এটি উত্তরাখণ্ডের অন্যতম জনপ্রিয় ও সহজ উইকেন্ড ট্রেক। মাত্র দু’দিনেই শেষ করা যায়। ঋষিকেশ বা দেরাদুন থেকে শুরু হয়ে পন্তওয়ারি পর্যন্ত প্রায় ১৫-১৬ কিমি হাঁটা পথ। পথে ওক ও রডোডেনড্রনের সমাহার মন মুগ্ধ করে। নাগ টিব্বা থেকে গঙ্গোত্রী, বান্দরপুঞ্চ, কেদারনাথের মতো পর্বতশৃঙ্গের চূড়া দৃশ্যমান।
এরপর রয়েছে চোপতা-তুঙ্গনাথ-চন্দ্রশিলা ট্রেক। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও আধ্যাত্মিকতার অপূর্ব মিশ্রণ এই রুটে। চোপতাকে ভারতের ‘মিনি সুইৎজ়ারল্যান্ড’ বলা হয়। তুঙ্গনাথ হলো পৃথিবীর সর্বোচ্চ শিব মন্দির। ৩-৪ দিনে এই ট্রেক সম্পন্ন হয়, হাঁটা পথ প্রায় ১২ কিলোমিটার। চন্দ্রশিলা থেকে চৌখাম্বা, নন্দা দেবী, ত্রিশূল ও কেদারনাথ শৃঙ্গের ৩৬০-ডিগ্রি প্যানোরামিক ভিউ মেলে। তৃতীয়ত, দয়ারা বুগিয়াল ট্রেক। উত্তরাখণ্ডের ভাষায় ‘বুগিয়াল’ মানে অ্যালপাইন তৃণভূমি। গ্রীষ্মকালে এই তৃণভূমি সবুজ মখমলের মতো দেখায়। ৪ থেকে ৫ দিনে এই ট্রেকটি সম্পন্ন করা সম্ভব, হাঁটা পথ প্রায় ১৮-২০ কিমি। উত্তরকাশির রাইথল গ্রাম থেকে শুরু হয়ে এই পথে শ্রীকণ্ঠ, গঙ্গোত্রী এবং বান্দরপুঞ্চ পর্বতমালার অসাধারণ দৃশ্য উপভোগ করা যায়। এই রুটগুলি নতুন ট্রেকারদের জন্য এক দারুণ অভিজ্ঞতা এনে দেবে।










