নামকরণের নতুন যুগ

ব্যুরো নিউজ,১ জানুয়ারি:নামকরণের ধরন ও যুগের সাথে সাথে পরিবর্তিত হচ্ছে। আগে বাবা-মায়েরা সন্তানদের নাম রাখতেন পরিবার, বংশ বা ঐতিহ্যকে গুরুত্ব দিয়ে। তখন নামগুলো ছিল বেশ সাধারণ, অনেক সময় একে অপরের সাথে মিলত। তবে, এখনকার সময় বদলেছে। আজকাল, নামকরণে এক ধরনের প্রতিযোগিতা দেখা যাচ্ছে— কে কতটা ব্যতিক্রমী এবং আকর্ষণীয় নাম রাখতে পারেন! একদিকে যেমন আছে নামের আধুনিকতা, তেমনি আবার রয়েছে ঐতিহ্যি এবং দেশি-বিদেশি নামের মিশ্রণ।

কলকাতার নববর্ষ উদযাপনঃ আভিজাত্য থেকে উচ্ছৃঙ্খলতায় রূপান্তর

নামেরও একটা সমাজতত্ত্ব আছে

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেছিলেন, “নামেরও একটা সমাজতত্ত্ব আছে,” অর্থাৎ নামের মধ্যে একজন ব্যক্তির সামাজিক, সাংস্কৃতিক পরিচয় পাওয়া যায়। তিনি নিজেও নবজাতকদের নামকরণে মনোযোগী ছিলেন। তার ভাবনা আজও প্রাসঙ্গিক। আজকাল, সেলিব্রিটিদের মধ্যে ছকভাঙা নাম রাখার ট্রেন্ড বেড়েছে। টলিউড থেকে বলিউড, সেলিব্রিটিদের সন্তানদের নামকরণ নিয়ে নানা আলোচনা হচ্ছে।তবে সবার পছন্দ এক নয়। দীপিকা পাড়ুকোন যেমন তার মেয়ের নাম রেখেছেন “দুয়া”, যার অর্থ প্রার্থনা। আবার অনুষ্কা শর্মা ও বিরাট কোহলির ছেলে “অকায়” নাম দিয়েছেন, যার অর্থ “পূর্ণিমার চাঁদের আলো”। নামগুলো যেমন অভিনব, তেমনি তাদের মধ্যে রয়েছে বিশেষ অর্থ ও ইতিহাস। তবে, সবার নামই যে এতটা অদ্ভুত বা আধুনিক হতে হবে, তা নয়।

চিনা হ্যাকারদের হানাঃ আমেরিকার অর্থ দফতরের সিস্টেমে সাইবার আক্রমণ

অনেক সেলিব্রিটি যেমন তাদের সন্তানের নাম রেখেছেন সাদামাটা, যেমন কাঞ্চন মল্লিক এবং শ্রীময়ী চট্টরাজ তাদের মেয়ের নাম রেখেছেন “কৃষভি”, যা শুভ অর্থ দেয়।এভাবে আজকালকার নামকরণ কেবল আধুনিকতার প্রতিফলন নয়, বরং পরিবারের ঐতিহ্য, সমাজ ও ইতিহাসেরও একটি প্রতিচ্ছবি। তাই নাম যে একটি সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক প্রতিবিম্ব, সেটি আমরা আরেকবার উপলব্ধি করতে পারি।

Article Bottom Widget

বিশ্ব জুড়ে

গুরুত্বপূর্ণ খবর

বিশ্ব জুড়ে

গুরুত্বপূর্ণ খবর