ব্যুরো নিউজ, ২ ডিসেম্বর : পাহাড়ি দুর্গম পথে ট্রেকিং করার ইচ্ছে থাকলে প্রস্তুতির দিকে বিশেষভাবে নজর দেওয়া প্রয়োজন। এর জন্য শুধু শখ থাকলেই হবে না শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ থাকা অত্যন্ত জরুরি। ট্রেকিং শুধুমাত্র মজা নয় এটি একটি শারীরিক চ্যালেঞ্জও। যদি প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি না নেওয়া হয় তাহলে বিপদে পড়া খুবই সম্ভব।
শমীক ভট্টাচার্যঃ ‘ভারতীয় রাষ্ট্রনায়কদের ভুল সিদ্ধান্তের ফল’ বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর চলমান অত্যাচার
ট্রেকিংয়ের আগে কীভাবে প্রস্তুতি নিতে হবে

শারীরিক প্রস্তুতি:
প্রথমে শারীরিক প্রস্তুতির দিকে নজর দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। পাহাড়, জঙ্গল বা নদী উপত্যকায় চলতে গেলে সাধারণ হাঁটাহাঁটি একদমই যথেষ্ট নয়। এর জন্য ফুসফুসের শক্তি প্রয়োজন। যারা আগে কখনো ট্রেকিং করেননি, তাদের জন্য কমপক্ষে দুই মাস আগে থেকে হাঁটাহাঁটি, দৌড়ানো বা জগিং শুরু করা উচিত। এ ছাড়া কার্ডিয়ো ব্যায়াম এবং পায়ের শক্তি বাড়ানোর জন্য সিঁড়ি ভাঙার অভ্যাস করাও প্রয়োজন। শ্বাসকষ্ট হলে শ্বাসের ব্যায়াম শিখে নেওয়া উচিত তবে হাঁটুতে বা ফুসফুসে কোনো সমস্যা থাকলে ট্রেকিং করা বিপজ্জনক হতে পারে। সেক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া জরুরি।
মানসিক প্রস্তুতি:
ট্রেকিং শুধুমাত্র শারীরিক দক্ষতার বিষয় নয় মানসিকভাবে সুস্থ থাকা আরো বেশি গুরুত্বপূর্ণ। অচেনা স্থানে কখনো মন খারাপ বা উদ্বেগ হতে পারে তাই মনোবিদের পরামর্শ নেয়া যেতে পারে। নিয়মিত মেডিটেশন বা ধ্যান মানসিক প্রশান্তি এনে দিতে পারে, যা ট্রেকিংয়ের পথে সহায়ক হতে পারে। অনেক সময় অজানা আতঙ্ক বা ভয়ও মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে তাই মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকা উচিত।
সঙ্গী হিসেবে কী কী রাখতে হবে:
ট্রেকিংয়ের সময় নিজের সব জিনিস নিজে বহন করতে হয়। তাই হালকা এবং ওয়াটারপ্রুফ ব্যাকপ্যাক নিতেই হবে। ক্যামেরা, বাইনোকুলার বা ল্যাপটপ রাখার জন্য জলনিরোধক ব্যাগ নিতে ভুলবেন না। জল পিউরিফায়ার জলের বোতল এবং মোবাইলের জন্য জলনিরোধক কেসও প্রয়োজনীয়। ট্রেকিংয়ের পথে মোবাইল চার্জ দিতে না পারলে সোলার চার্জার খুবই কার্যকরী হতে পারে।এর পাশাপাশি কিছু অতিরিক্ত পোশাক যেমন টি-শার্ট, ট্রাউজ়ার্স, মোজা, গ্লাভস এবং টুপি নিতেই হবে।
শীর্ষে কলকাতা , বিশ্বব্যাপী গবেষণার মানে ভারত এগিয়ে
ভালো মানের ট্রেকিং জুতো, বিশেষ করে অ্যাঙ্কেল ও আর্চ সাপোর্ট দেওয়ার জুতোই বেছে নিন। শুকনো খাবার, জল এবং প্রয়োজনীয় ম্যাপ রাখুন। আর ফার্স্ট এইড বাক্সও সঙ্গে নিয়ে চলুন, যাতে দুর্ঘটনার পর সঠিক সময়ে সাহায্য পাওয়া যায়। ব্যান্ডেজ, জ্বরের ওষুধ, পেটের সমস্যা, বমি বা মাথা ঘোরা কমানোর ওষুধ রাখুন, এবং অ্যালার্জি বা মাইগ্রেনের সমস্যা থাকলে সেগুলোরও ব্যবস্থা করুন।