ব্যুরো নিউজ ২ অক্টোবর :বাংলাদেশের রাজনীতিতে আবারও এক নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে জাহাঙ্গীর আলম। তিনি প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সহকারী ছিলেন এবং এখন তার বিরুদ্ধে নানা আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি, সিআইডির হাতে এসেছে এসব তথ্য, যা নিয়ে তারা তদন্ত শুরু করেছে।
রাজস্থানে পানীয় জল সরবরাহ বন্ধ কোবরার কাণ্ড
তদন্তে নেমে চমকে উঠলেন সিআইডি
জাহাঙ্গীর, যিনি নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ–সভাপতি হিসেবে পরিচিত, দাবি করা হচ্ছে যে তিনি রাজনৈতিক পদ ও নিয়োগ নিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে বিপুল অর্থ হাতিয়েছেন। বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা গেছে, তার কাছে ৪০০ কোটি টাকার সম্পদ রয়েছে, যা তিনি বিভিন্ন গাড়ি ও বাড়ির মাধ্যমে গড়ে তুলেছেন।শুধু জাহাঙ্গীর নয়, তার স্ত্রীরও বিপুল সম্পত্তি রয়েছে। কামরুন নাহার নামে তার স্ত্রীর নামেও রয়েছে ৭ কোটি ৩০ লাখ টাকার সম্পদ। তাদের সম্পত্তির মধ্যে রয়েছে ধানমন্ডিতে ২ হাজার ৩৬০ বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাট, গাড়ি, এবং নানা ব্যবসায় বিনিয়োগ। জাহাঙ্গীরের নিজের নামে রয়েছে কৃষি ও অকৃষিজমি, দোকান, এবং ভাড়া দেওয়া ফ্ল্যাটসহ বেশ কিছু সম্পত্তি।সিআইডির তদন্তে উঠে এসেছে যে এই বিপুল সম্পত্তি যে সোজা পথে অর্জিত হয়নি, সে সম্পর্কে তারা নিশ্চিত হয়েছেন। জাহাঙ্গীরের নগদ ও ব্যাঙ্কের টাকার পরিমাণ প্রায় ২ কোটি ৫২ লাখ টাকা। এছাড়া তার স্ত্রীরও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ রয়েছে ব্যাংকে।এমনকি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও গত জুলাই মাসে জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, “আমার বাসভবনে কাজ করেছে জাহাঙ্গীর। পিয়ন ছিল সে। এখন ৪০০ কোটি টাকার মালিক। হেলিকপ্টার ছাড়া চলে না। কেমন করে বানাল এত টাকা? জানতে পেরেই ব্যবস্থা নিয়েছি।
মহালয়ায় দেবীপক্ষের সুচনার আনন্দের মাঝে আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদ
এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে বেশ শোরগোল শুরু হয়েছে। সিআইডি অফিসাররা মাঠে নেমে পড়েছেন এবং তারা পুরো বিষয়টি গভীরভাবে তদন্ত করছেন। এই দুর্নীতি মামলার ফলে আওয়ামী লীগের অন্যান্য নেতাদের বিরুদ্ধে উঠা অভিযোগের সংখ্যাও বাড়ছে।

















