ব্যুরো নিউজ, ১৫ই মে ২০২৬ঃ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সংযুক্ত আরব আমিরশাহী সফরে ভারতের জ্বালানি সংকট মেটাতে এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হলো। পশ্চিম এশিয়ার বর্তমান অস্থির পরিস্থিতির মাঝেই মোদির এই সফরকে কূটনৈতিক দিক থেকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। সংযুক্ত আরব আমিরশাহী পৌঁছতেই প্রধানমন্ত্রীকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়। এরপর আমিরশাহীর প্রেসিডেন্ট শেখ মহম্মদ বিন জায়ের আল নাইয়ানের সঙ্গে তাঁর দুটি বিশেষ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
এই চুক্তির প্রধান বিষয়গুলির মধ্যে অন্যতম হলো, সংযুক্ত আরব আমিরশাহী ভারতকে যথেচ্ছ পরিমাণে এলপিজি সরবরাহ করবে। বর্তমানে দেশে এলপিজির যোগান নিয়ে কেন্দ্রকে যে সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে, এই চুক্তি সেই পরিস্থিতিতে দেশের সাধারণ মানুষের জন্য এক বিরাট স্বস্তি নিয়ে আসবে বলে মনে করা হচ্ছে। বন্ধু রাষ্ট্র হিসেবে সংযুক্ত আরব আমিরশাহী ভারতের পাশে দাঁড়ানোয় জ্বালানি নিরাপত্তা আরও জোরদার হবে।
শুধু এলপিজি সরবরাহ নয়, দুই দেশের মধ্যে পেট্রোলিয়াম মজুদ এবং জরুরি পরিস্থিতিতে ভারতের পাশে থাকার বিষয়েও গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি হয়েছে। এর ফলে ভারতের কৌশলগত তেল মজুদ আরও সুরক্ষিত হবে। এছাড়াও, গুজরাতের ভাদিনারায় একটি শিপ রিপেয়ার ক্লাস্টার তৈরি এবং সামরিক ও নিরাপত্তা ক্ষেত্রে একসাথে কাজ করার বিষয়েও ঐকমত্য হয়েছে ভারত ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর মধ্যে। প্রধানমন্ত্রীর এই সফর দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ককে আরও মজবুত করবে এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।










