Abhijit Gangopadhyay's demand for President's rule

ব্যুরো নিউজ, ৫ মার্চ: চলতি বছরের অগাস্ট মাসেই বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের অবসর গ্রহণের দিন। কিন্তু তিনি তার আগেই কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানান। আর তার এই মন্তব্যই জন্ম দিয়েছে নতুন জল্পনার। তার এই অবসরের কথা সামনে আসতেই রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন শোনা যায়, তিনি হয়তো এবার কোনও রাজনৈতিক দলে যোগ দিতে চলেছেন।

গর্ভপাতের অধিকারকে সাংবিধানিক স্বীকৃতি দিল ফ্রান্স
বরাবরই শাসক দলের তীব্র বিরোধিতা করতে দেখা গিয়েছিল তাকে। একেবারে স্পষ্ট ভাষায় তোপ দেগেছিলেন শাসকদলের প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে। অন্যায়কে মুখের ওপর অন্যায় বলে চিহ্নিত করে ছিলেন তিনি। এমনকি পুরসভায় নিয়োগ দুর্নীতি থেকে শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বরাবরই বঞ্চিতদের পক্ষেই রায় দিয়েছেন। পাশাপাশি কড়া ভাষায় সমালোচনা করেছেন দুর্নীতিকারীদের।

কিন্তু অবসর গ্রহণের আগেই তার আগাম অবসর গ্রহনের বিষয়টি সামনে আসতেই তুঙ্গে ওঠে চর্চা। তিনি যে রাজনৈতির মঞ্চে যোগ দিতে চলেছেন, তার আভাস আগেই মিলেছিল।
কিন্তু কেন বিজেপিতেই যোগ?

Advertisement of Hill 2 Ocean

শাসক দলের একাধিক দুর্নীতি সামনে এসেছে। এ বিষয়ে তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, তৃণমূলই তাকে রাজনীতিতে আসার অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে। বিচারপতিদের অপমান, গালিগালাজ কড়া হয়েছে। বিজেপিই তৃণমূলের দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করছে। বিজেপি সর্ব ভারতীয় পার্টি। তাই বিজেপিতে যোগ দিচ্ছি। আগামী ৭ মার্চ বিজেপিতে যোগ দিচ্ছি বলে স্পষ্ট জানান অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। তবে কোথাকার প্রার্থী হয়ে তিনি লোকসভা লড়বেন সে বিষয়ে তিনি জানান, তা এখনও ঠিক হয়নি। তা বিজেপিই ঠিক করবে আমি প্রার্থী হব কি না। তবে মনে করা হচ্ছে দক্ষিণে ডায়মন্ড হারবারের বিজেপি প্রার্থী হতে পারেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।

একই সঙ্গে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, “আমি বিজেপিতে যাই, সেটা দুতরফেরই সিদ্ধান্ত। বিজেপি থেকে শেষ ৫-৬ দিনে প্রস্তাব এসেছিল। আমিও এই বিষয়টা নিয়ে আগেই ভাবনাচিন্তা করেছিলাম। আমি সাত দিন ধরে ছুটিতে ছিলাম। সেই সময় আমি বিষয়টি চিন্তাভাবনা করেছি।” পাশাপাশি এও জানা যায়, গঙ্গোপাধ্যায় তার কাছের কয়েকজন ও আইনজীবীদের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনাও সেরেছিলেন। তারপরেই এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।

আপনি কি মনে করেন যেই দলে যোগ দিতে যাচ্ছেন সেই দল সম্পূর্ণ দুর্নীতি মুক্ত কিনা? সাংবাদিকের সেই প্রশ্নের উত্তরে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, সেই দল সম্পূর্ণ দুর্নীতি মুক্ত কিনা তা আমার দেখার বিষয় নয়। সেই দলে আমি যদি কোনও দায়িত্ব পাই যেই কাজটা আমি করবো তা দুর্নীতি মুক্ত করার কাজ। তবে তিনি এও জানান, ‘সন্দেশখালির মতো ঘটনা রাজ্যের আরও বহু জেলায় বহু গ্রামে ঘটছে।

বিশ্ব জুড়ে

গুরুত্বপূর্ণ খবর

বিশ্ব জুড়ে

গুরুত্বপূর্ণ খবর