ব্যুরো নিউজ, ১৬ই মে ২০২৬ঃ ওড়িশার গঞ্জাম জেলায় অবস্থিত তারা তারিণী মন্দির ভারতের অন্যতম প্রাচীন ও গুরুত্বপূর্ণ সতীপীঠগুলির মধ্যে একটি। পাহাড়ের কোলে এই মন্দিরের অবস্থান এর সৌন্দর্যকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে, যা গরমের ছুটিতে পর্যটকদের জন্য এক অসাধারণ অফবিট গন্তব্য হতে পারে।
পৌরাণিক বিশ্বাস অনুযায়ী, এটি ৫১ বা ৫২টি শক্তিপীঠের মধ্যে চারটি আদি শক্তিপীঠের অন্যতম, যেখানে দেবী সতীর বক্ষ বা স্তন পতিত হয়েছিল বলে মনে করা হয়। ব্রহ্মপুর শহর থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত এই মন্দিরে দেবী তারা ও তারিণীর দুটি প্রাচীন পাথরের মূর্তি রয়েছে, যা সোনা ও রুপোর অলঙ্কারে সজ্জিত। মূর্তি দুটির মাঝখানে পিতলের দুটি মুখ ‘জীবন্ত মূর্তি’ নামে পরিচিত। শক্তিতন্ত্রের একটি প্রধান কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত এই মন্দির দক্ষিণ ওড়িশার প্রধান অধিষ্ঠাত্রী দেবী। মন্দিরে পৌঁছানোর জন্য রোপওয়ে এবং সিঁড়ি উভয় সুবিধাই রয়েছে।
কীভাবে পৌঁছাবেন? নিকটতম বিমানবন্দর হল ভুবনেশ্বর, যা মন্দির থেকে প্রায় ১৭৬ কিমি দূরে। নিকটতম রেলওয়ে স্টেশন ব্রহ্মপুর, প্রায় ৪০ কিমি দূরে অবস্থিত। ভুবনেশ্বর থেকে ব্রহ্মপুরের দূরত্ব প্রায় ১৭০ কিমি। সড়কপথেও মন্দিরে পৌঁছানো সহজ। ব্রহ্মপুর থেকে স্থানীয় যানবাহন ব্যবহার করে এই সতীপীঠে যাওয়া যায়। এই ভ্রমণসূচিতে গোপালপুর সি বিচও ঘুরে আসা যেতে পারে। গরমের ছুটিতে যারা সমুদ্র ও পাহাড়ের এক অন্যরকম অভিজ্ঞতা চান, তাদের জন্য তারা তারিণী মন্দির এক আদর্শ স্থান।










