ব্যুরো নিউজ, ৯ই মে ২০২৬ঃ তরমুজ খেয়ে মৃত পরিবারের ৪ সদস্য । প্রথম দিকে একে সাধারণ খাদ্য বিষক্রিয়া মনে করা হচ্ছিল। কারণ, দাবি করা হচ্ছিল যে, তরমুজ খেয়ে প্রাণ হারিয়েছে প্রত্যেকে। ঘটনাটি ঘটেছে ২৬শে এপ্রিল মুম্বাইয়ের পাইধোনিতে । বিষক্রিয়া কিভাবে হল তার তদন্তে নেমে দীর্ঘ ১১ দিন এবং ৫৪টি ভিন্ন ভিন্ন পরীক্ষার পর আসল তথ্য সামনে আসে। রিপোর্টে স্পষ্ট জানানো হচ্ছে, পরিবারটির খাওয়া তরমুজের ভেতরে ছিল জিঙ্ক ফসফাইড, যা মূলত ইঁদুর মারার বিষ হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, শরীরে জিঙ্ক ফসফাইড প্রবেশ করলে তা বিক্রিয়া করে ফসফিন গ্যাস তৈরি করে ফেলে। আর এই গ্যাস সরাসরি ফুসফুসে আঘাত করে এবং শরীরের অক্সিজেনের মাত্রা দ্রুত কমিয়ে দেয়। যে কারণে ওই পরিবারের ১২ বছরের শিশুকন্যা সবথেকে আগে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। ডাক্তারদের মতে, এই গ্যাস একবার রক্তে মিশে গেলে মৃত্যু একেবারে নিশ্চিত। ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, মৃতদের লিভার, কিডনি এবং পাকস্থলীর নমুনা পরীক্ষা করে ওই বিষের উপস্থিতি পাওয়া গিয়েছে। তাই ধারণা করা হচ্ছে বিষ খোসায় বা উপরে ছিল না ছিল একদম ভেতরে।

তবে বিষ কিভাবে তাদের শরীরে প্রবেশ করল সেই নিয়ে রয়েছে নানা প্রশ্ন । দোকানদার কি ইঁদুর মারার ওষুধের পাশে ফল রেখেছিলেন? দ্বিতীয়ত, পরিবারের কেউ কি ব্যক্তিগত শত্রুতার জেরে ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে ওই ফলের ভিতরে বিষ ঢুকিয়ে দিয়েছিল? তৃতীয়ত, ফল চাষের সময় কি কোনও অতিরিক্ত শক্তিশালী কীটনাশক ব্যবহার করা হয়েছিল? কিন্তু তদন্তকারীরা জানাচ্ছেন, ওই মৃত দম্পতির ঘর তল্লাশি করে কোনও ইঁদুর মারার বিষের অস্তিত্ব মেলেনি ।

Article Bottom Widget

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

বিশ্ব জুড়ে

গুরুত্বপূর্ণ খবর

বিশ্ব জুড়ে

গুরুত্বপূর্ণ খবর