ব্যুরো নিউজ, ৯ মেঃ রাজস্থানের জৈসলমের জেলার একটি গ্রামে শুক্রবার সকালে এক রহস্যজনক বস্তু দেখা যায়, যা বোমার মতো দেখতে হওয়ায় গ্রামবাসীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। গ্রামবাসীরা প্রথমে এই বস্তুটি দেখতে পান এবং সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসনকে খবর দেন। সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর পুরো এলাকা খালি করে দেওয়া হয়। তবে, এখনও পর্যন্ত এই বস্তুটি আদৌ বোমা কি না, সেটি নিশ্চিত করা যায়নি।
শান্তির মুখোশে লুকানো উত্তেজনার আগুন: কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী?
সেনাবাহিনীর বিশেষ দল ডাকা হয়েছে
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কোতোয়ালি থানার কিশনঘাট এলাকার বাসিন্দা অর্জুন নাথ সকালে বাড়ির সামনে ওই বস্তু পড়ে থাকতে দেখেন। তিনি গ্রামপ্রধানকে জানান এবং এরপর পুলিশকে অবহিত করেন। পুলিশ এবং সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে, এই বস্তুটি বোমা কি না, সে বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। সেনাবাহিনীর বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দলকে খবর দেওয়া হয়েছে এবং বিশেষজ্ঞরা তদন্তে নেমেছেন।
গ্রামবাসীদের মতে, বৃহস্পতিবার রাত থেকে এলাকায় কিছু অস্বাভাবিক ঘটনা ঘটতে থাকে। সাইরেন বেজেছিল, বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায় এবং আকাশে আগুনের ফুলকি দেখা গিয়েছিল। গোটা গ্রামে রাতে ‘ব্ল্যাকআউট’ ছিল, অর্থাৎ কোনো ধরনের আলো জ্বালানো হয়নি। তার পর শুক্রবার সকালে ‘বোমা’ দেখতে পেয়ে গ্রামবাসীরা আরও আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা যায়, জৈসলমেরের এই বস্তু আদৌ বোমা নয়, এটি একটি ড্রোনের ভাঙা অংশ হতে পারে। তবে সেনাবাহিনী এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি এবং বিষয়টি নিয়ে আরও তদন্ত চলছে। এরই মধ্যে, গ্রামবাসীদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে এবং এলাকা বিশেষভাবে নজরদারি রাখা হচ্ছে।
এদিকে, বৃহস্পতিবার রাতে পাকিস্তান সীমান্তে একাধিক হামলার চেষ্টা চালায়। ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে হামলা চালানোর চেষ্টা করা হয়, তবে ভারতের প্রতিরক্ষাব্যবস্থা সেই চেষ্টা প্রতিহত করে। পাকিস্তানের এসব হামলার পরিপ্রেক্ষিতে ভারত পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার প্রতিশোধ নিয়েছে এবং পাকিস্তানে ‘অপারেশন সিঁদুর’ পরিচালনা করে একাধিক জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস করে দেয়। এখন, জৈসলমেরের গ্রামে ঘটে যাওয়া ঘটনাটি একটি বিস্ফোরক বস্তু না একটি ভাঙা ড্রোন, তা নিয়ে তদন্ত চলছে এবং এলাকাবাসীকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
















