pahalgam-attack-lashkar-isi-link

ব্যুরো নিউজ ,২ মে: পহেলগাঁওতে পর্যটকদের উপর গুলি চালিয়ে সন্ত্রাসের রক্তাক্ত খেলা শুরু করেছিল জঙ্গিরা। এই নারকীয় ঘটনার পর ভারত কঠিন পদক্ষেপ নিতে শুরু করেছে। পাকিস্তানের উপর আন্তর্জাতিক চাপও ক্রমেই বাড়ছে।
তবে প্রশ্ন উঠছে, কারা এই হামলার পিছনে ছিল? কে বা কারা সাধারণ নিরীহ পর্যটকদের নিশানা করল?

জেরার পর উঠে এসেছে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

পহেলগাঁও কাণ্ডে হাফিজ সইদের নাম জড়াল! লাহৌরে নিরাপত্তা চাদরে মোড়া লশকর প্রধানের ঘর

সরকারি তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ ইতিমধ্যেই সন্দেহভাজন জঙ্গিদের ছবি প্রকাশ করেছে। এবার এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। সূত্র অনুযায়ী, পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই এবং জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তইবা এই হামলার নেপথ্যে রয়েছে।

প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, লস্করের সদর দফতরেই এই নৃশংস পরিকল্পনা করা হয়েছিল। আইএসআই-এর নির্দেশেই এই ছক কষে লস্করের শীর্ষ নেতারা।

ইতিহাসে প্রথম! কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি সরে দাঁড়ালেন জনস্বার্থ মামলার শুনানি থেকে

দুই জঙ্গিকে ইতিমধ্যেই চিহ্নিত করা গিয়েছে। একজন হল হাসমি মুসি ওরফে সুলেমান। অপরজন আলি ভাই ওরফে তালহা ভাই। জানা গিয়েছে, দুজনেই পাকিস্তানের নাগরিক।

সূত্রের খবর, হামলায় সাহায্য করার জন্য ওভারগ্রাউন্ড কনটাক্টরা সক্রিয় ছিল। তাদের মধ্যে সন্দেহভাজন কয়েকজনকে ইতিমধ্যেই আটক করা হয়েছে। জেরার পর উঠে এসেছে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।

জানা গিয়েছে, পাকিস্তানে বসে হ্যান্ডলাররা গোটা হামলার রিমোট নিয়ন্ত্রণ করছিল। কখন হামলা চালানো হবে, কীভাবে অস্ত্র ও রসদ পাঠানো হবে, তা নিয়ে নিয়মিত যোগাযোগ হচ্ছিল।

হামলার অন্তত এক সপ্তাহ আগে ভারতে প্রবেশ করেছিল এই জঙ্গি দল। এদেশের ওভারগ্রাউন্ড ওয়ার্কার্সরা তাদের আশ্রয় দেয়। তাদের চলাফেরার জন্য প্রয়োজনীয় লজিস্টিক সাপোর্টও নিশ্চিত করেছিল তারা।

তদন্তকারী এনআইএ টিম ইতিমধ্যেই প্রমাণ সংগ্রহ শুরু করেছে। ফরেনসিক নমুনা এবং প্রযুক্তিগত তথ্য সংগ্রহের কাজ চলছে জোরকদমে।

যে এলাকায় হামলা হয়েছিল, তার আশেপাশের মোবাইল টাওয়ার থেকে ডেটা সংগ্রহ করা হচ্ছে। হামলার সময় কোন ধরনের কথাবার্তা হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

সূত্রের দাবি, হামলার সময় বৈসরন উপত্যকায় অন্তত তিনটি স্যাটেলাইট ফোন সক্রিয় ছিল। তার মধ্যে দুটির সিগন্যাল এখনো ট্র্যাক করা সম্ভব হয়েছে। এই ফোনগুলির তথ্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এ পর্যন্ত প্রায় ২৮০০ জনের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। জঙ্গিদের সঙ্গে যাদের সম্ভাব্য যোগাযোগ রয়েছে, তাদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

তদন্তের অগ্রগতি ইঙ্গিত দিচ্ছে, এই হামলার মূল সূত্রপাত হয়েছিল পাকিস্তানে। এবং ভারতীয় ভূখণ্ডে স্থানীয় কিছু চক্র এই অপারেশনে হাত লাগিয়েছিল।

Article Bottom Widget

বিশ্ব জুড়ে

গুরুত্বপূর্ণ খবর

বিশ্ব জুড়ে

গুরুত্বপূর্ণ খবর