চলো

ব্যুরো নিউজ, ০১ জানুয়ারি: ‘গ্রাম চলো’ অভিযানের রিপোর্টে সন্তুষ্ট বিজেপি

পঞ্চায়েত নির্বাচনে সাফল্য পাওয়ার জন্য রাজ্য বিজেপি একটি ‘গ্রামে চলো’ কর্মসূচি অভিযানের আয়োজন করেছিলো। যুব মোর্চাকে সেই কর্মসূচির দায়িত্ব দিয়েছিলেন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাস জুড়ে তিন দফায় চলে এই কর্মসূচি। যুব মোর্চা মোট ১৮০টি বিধানসভা এলাকার দু’হাজার গ্রামে যাওয়ার দাবি করে। এর পরে যুব মোর্চার রাজ্য সভাপতি ইন্দ্রনীল খাঁ গোটা কর্মসূচির একটি রিপোর্ট তৈরি করে দিয়েছিলেন মোর্চার সর্বভারতীয় সভাপতি তেজস্বী সূর্যকে। তা জমা পড়ে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নড্ডার কাছেও। নড্ডা এই রিপোর্ট দেখে খুবই সন্তুষ্ট। এ বার নড্ডা গোটা দেশেই লোকসভা নির্বাচনের একই রকম কর্মসূচির নির্দেশ দিয়েছেন। জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে মোট ৭ লাখ গ্রামে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০১১ সালের হিসেব বলছে দেশে মোট গ্রামের সংখ্যা ৬,৪০০-র আশপাশে। তবে বিজেপি বড় গ্রামগুলিকে ২ ভাগ করে, মোট ৭ লাখ গ্রামে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছে। নড্ডার নির্দেশ, প্রতিটি গ্রামে এক জন করে নেতাকে দায়িত্ব দিতে হবে। রাজ্যের পদাধিকারী থেকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, সাংসদ, ও বিধায়কেরাও এই কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে গ্রামে যাবেন। এ ছাড়াও জাতীয় ভোটার দিবসের আগের দিন অর্থাৎ ২৪ জানুয়ারি দলের যুব মোর্চার পক্ষে দেশের ৫ হাজার জায়গায় বড় সমাবেশ করতে হবে। সেই সব সভাতে কমপক্ষে ১ হাজার ভোটার থাকবে যারা প্রথমবার ভোট দেবে তাঁদের হাজির করতে হবে। এই কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বিজেপি দেশে মোট ৫০ লাখ নতুন ও প্রথম ভোটারের কাছে পৌঁছতে চায় বলে জানা গিয়েছে।

রেললাইনে ফাটল | ব্যাহত ট্রেন চলাচল

প্রসঙ্গত, পূর্ব মেদিনীপুরের মারিশদায় রাধাকৃষ্ণ মন্দিরে পুজো দিয়ে এই কর্মসূচি শুরু হয়েছিল গত ২৭ ফেব্রুয়ারি। সেখানে ইন্দ্রনীলের সঙ্গে ছিলেন সুকান্তও। প্রচার শেষে স্থানীয় মহাদেব মন্দির দর্শন ও সেখানে অন্নভোগ খান বিজেপি নেতারা। মাঝে গ্রামবাসীদের সঙ্গে কথা বলতে মাটিতে বসে ‘উঠোন বৈঠক’ও করেন তাঁরা। এই ভাবেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় কর্মসূচি পালন করেছিলেন বাংলার যুব মোর্চার সদস্যরা। ইভিএম নিউজ 

বিশ্ব জুড়ে

গুরুত্বপূর্ণ খবর

বিশ্ব জুড়ে

গুরুত্বপূর্ণ খবর