ব্যুরো নিউজ; ৩১ মার্চ : পশ্চিমবঙ্গের সরকারি কর্মচারীদের মহার্ঘ ভাতা (Dearness Allowance – DA) নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চলা মামলাটি এবার নতুন মোড় নিতে চলেছে। ২৪শে মার্চের শুনানির পর সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট করেছে, ২২শে এপ্রিল এই মামলাকে “হাই আপ অন দ্য বোর্ড” হিসেবে ধরা হবে, অর্থাৎ, সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে এই মামলার শুনানি হবে। ফলে আরও চাপের মুখে পড়তে চলেছে রাজ্য সরকার।
বাংলাদেশ স্বাধীনতা দিবসে মুজিবের নাম মুছে দেওয়ার চেষ্টা হোলো,মোদির চিঠিতে খোঁচা ইউনূসকে।
সুপ্রিম কোর্টের নজরে ডিএ মামলা
ডিএ সংক্রান্ত মামলাটি দীর্ঘদিন ধরে সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন। সরকারি কর্মচারীদের একাংশ দাবি করছেন, রাজ্য সরকার কেন্দ্রীয় হারে ডিএ দিচ্ছে না, যা তাঁদের প্রাপ্য।এই প্রসঙ্গে সম্প্রতি রাজ্য সরকার ৪% ডিএ বৃদ্ধির ঘোষণা করেছে। বর্তমানে সরকারি কর্মচারীরা ১৪% হারে ডিএ পাচ্ছেন এবং ১লা এপ্রিল থেকে তা ১৮% হবে। তবে কর্মচারীরা চাইছেন কেন্দ্রীয় হারে ডিএ, যা রাজ্য এখনও পর্যন্ত মেনে নেয়নি।
ভারতের উপর শুল্কের কোপ! ট্রাম্পের ঘোষণা ২ এপ্রিল থেকে কার্যকর নতুন নীতি
সরকারি কর্মীদের আশার আলো?
সুপ্রিম কোর্টের এই সিদ্ধান্তে রাজ্যের সরকারি কর্মীদের একাংশ মনে করছেন, এটি তাঁদের পক্ষে ইতিবাচক ইঙ্গিত। কারণ আদালত মামলাটিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে, যা তাঁদের ন্যায্য দাবি পূরণের পথ সুগম করতে পারে।যদিও এখনও নির্ধারিত হয়নি, কোন বেঞ্চে মামলাটি উঠবে, তবে কর্মচারীদের সংগঠনগুলির আশা, সুপ্রিম কোর্টের চূড়ান্ত রায়ের পর রাজ্য সরকার বাধ্য হবে কেন্দ্রীয় হারে ডিএ দিতে।
আপনার UPI নম্বর বন্ধ হয়ে যেতে পারে! জেনে নিন কেন এবং কীভাবে বাঁচবেন
রাজ্যের ওপর বাড়ছে চাপ
ডিএ ইস্যুতে এতদিন ধরে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ বাড়ছিল। আদালতের এই পদক্ষেপের ফলে সেই চাপ আরও বাড়বে। যদি সুপ্রিম কোর্ট সরকারি কর্মচারীদের দাবিকে সমর্থন জানায়, তাহলে রাজ্য সরকারকে বড় অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হবে।আগামী ২২শে এপ্রিলের শুনানি এই মামলার ভবিষ্যৎ নির্ধারণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে। এখন শুধু অপেক্ষা, রাজ্য সরকার কী পদক্ষেপ নেয় এবং সুপ্রিম কোর্ট কী রায় দেয়।