ব্যুরো নিউজ,২৫ মার্চ :চণ্ডীগড়, পাঞ্জাব বিধানসভার বাজেট অধিবেশন শুরু হয়েছে এবং তা নিয়ে উত্তেজনা তুঙ্গে। বিরোধী দলগুলি ক্ষমতাসীন আম আদমি পার্টি (আপ) সরকারকে বিভিন্ন ইস্যুতে চাপে ফেলতে প্রস্তুত। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি, কৃষক নেতাদের আটক, রাজ্যের ঋণ বৃদ্ধি এবং নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন না করার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি নিয়ে বিধানসভায় উত্তপ্ত আলোচনা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।বিধানসভার অধিবেশন রাজ্যপালের ভাষণের মাধ্যমে শুরু হয় এবং এরপর শোকসভা অনুষ্ঠিত হয়। বাজেট অধিবেশন ২১ মার্চ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত চলবে। ২৪ মার্চ রাজ্যপালের ভাষণের ওপর আলোচনা হবে, ২৬ মার্চ উপস্থাপন করা হবে ২০২৫-২৬ সালের রাজ্য বাজেট, এবং ২৭ মার্চ বাজেটের ওপর বিস্তারিত আলোচনা হবে।কংগ্রেস বিধায়ক সুখবিন্দর সিং কোটলি বলেন, “পাঞ্জাবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে, রাজ্যের ঋণ বেড়েছে এবং মহিলাদের মাসিক ১০০০ টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি এখনও বাস্তবায়িত হয়নি।” তিনি আরও অভিযোগ করেন, আপ সরকার কৃষকদের সঙ্গে প্রতারণা করেছে এবং তাঁদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে।
২৫ মার্চ দিল্লি বিধানসভায় বাজেট পেশ, কী কী নতুন সিদ্ধান্ত আসতে পারে?
কৃষক আন্দোলন দমন ও ঋণের বোঝা বৃদ্ধি পাওয়ায় রাজ্যজুড়ে ক্ষোভ বাড়ছে।
দিল্লি বিধানসভার বাজেট অধিবেশন শুরু: মিষ্টিমুখ করাতেই মুখ্যমন্ত্রী নিজের হাতে বানালেন ক্ষীর
সম্প্রতি চণ্ডীগড়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকের পর কৃষক নেতাদের আটকের ঘটনা নিয়ে তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। বিরোধী দলগুলোর অভিযোগ, সরকার কৃষকদের সঙ্গে দ্বিচারিতা করছে। কোটলি বলেন, “আপ সরকার কৃষকদের পিঠে ছুরি মেরেছে। তাদের আলোচনায় ডেকে এনে পরে আটক করেছে। এটি চরম অন্যায়।”বিরোধীরা আরও অভিযোগ তুলেছেন যে কৃষক আন্দোলনকে দমন করতে সরকার কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছে। মোহালিতে কৃষক নেতা সারওয়ান সিং পান্ধের ও জগজিৎ সিং ডালেওয়ালসহ বেশ কয়েকজনকে আটক করেছে পুলিশ। দীর্ঘদিন ধরে চলা শম্ভু ও খানৌরি সীমান্তের প্রতিবাদস্থল থেকে পুলিশ জোরপূর্বক কৃষকদের উচ্ছেদ করেছে এবং জেসিবি মেশিন ব্যবহার করে অস্থায়ী কাঠামো ও মঞ্চ গুঁড়িয়ে দিয়েছে।কোটলি আপ সরকারের মাদকবিরোধী অভিযানেরও সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, “সরকার শুধু ছোট মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে, কিন্তু বড় মাদক মাফিয়ারা এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে।”
দিল্লি বনাম লখনউ: হাইভোল্টেজ আইপিএল ম্যাচ কার দাপট বেশি?
বিরোধী দলগুলি স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে সরকারি ব্যয়ের স্বচ্ছতা চেয়ে শ্বেতপত্র প্রকাশের দাবি জানিয়েছে। এছাড়া, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির বিষয়টি বিধানসভায় জোরালোভাবে তোলা হবে বলে জানা গেছে।বিরোধী দলগুলোর দাবি, “আজ পাঞ্জাবে কেউই নিরাপদ বোধ করছে না।” বাজেট অধিবেশন জুড়ে এই বিষয়গুলো নিয়ে উত্তপ্ত বিতর্ক চলবে বলে মনে করা হচ্ছে।