ব্যুরো নিউজ,২৫ মার্চ : গরমে ঠান্ডা জল খাওয়ার প্রবণতা বেড়ে যায়, কিন্তু এই অভ্যাস শরীরের জন্য কতটা ক্ষতিকর হতে পারে, সেটা অনেকেই জানেন না। বিভিন্ন গবেষণা থেকে জানা গেছে, ঠান্ডা জল পেটে সমস্যা তৈরি করতে পারে এবং এটি অনেক ধরনের শারীরিক জটিলতার কারণ হতে পারে।
কুকুরের গায়ের লোম ঝড়ে যাওয়ার আসল কারণ কি ? কি এর সমাধান
ঠান্ডা জল পাকস্থলী সঙ্কুচিত করে
গরমে ফ্রিজের ঠান্ডা জল বা রাস্তা থেকে কেনা ঠান্ডা পানীয় খাওয়ার পরিমাণ বাড়ে। তবে বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, ঠান্ডা জল খাওয়ার পর পেটে গোলমাল, অম্বল বা গ্যাস্ট্রোইন্টেস্টিনাল ডিজঅর্ডার হতে পারে। এমনকি এই অভ্যাস ‘ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোম’ (আইবিএস)-এর কারণও হতে পারে। তাছাড়া ঠান্ডা জল খেলে শ্বাসনালিতে শ্লেষ্মার অতিরিক্ত আস্তরণ তৈরি হয়, যা প্রদাহজনিত সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।
দিল্লি বিধানসভার বাজেট অধিবেশন শুরু: মিষ্টিমুখ করাতেই মুখ্যমন্ত্রী নিজের হাতে বানালেন ক্ষীর
দেশের ‘ন্যাশনাল লাইব্রেরি অফ মেডিসিন’-এর জার্নাল ‘পাবমেড’ থেকে প্রকাশিত একটি গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে, ঠান্ডা জল খেলে শরীরের ভিতরে প্রদাহ শুরু হতে পারে, যা পেট, বুক এবং তলপেটে ব্যথা তৈরি করতে পারে। ঠান্ডা জল পাকস্থলী সঙ্কুচিত করে, ফলে খাবার ঠিকভাবে পাচিত হতে পারে না। বিশেষ করে, খাবারের স্নেহ পদার্থ (ফ্যাট) ঠান্ডা জল দিয়ে ভেঙে দেওয়া বাধাগ্রস্ত হয়, যা শরীরে জমাট বাঁধিয়ে মেদ বাড়ায়।
গুজরাট বাজেট ২০২৫-২৬ এক নজরে দেখুন
এছাড়াও, অতিরিক্ত ঠান্ডা জল খেলে হৃৎস্পন্দনও কমে যেতে পারে। ‘ব্রিটিশ হার্ট ফাউন্ডেশন’-এর তথ্য অনুযায়ী, কনকনে ঠান্ডা জল খাওয়ার ফলে হার্টবিট অনিয়মিত হয়ে যেতে পারে। সাধারণত একজন প্রাপ্তবয়স্কের হার্টবিট মিনিটে ৬০-১০০-এর মধ্যে থাকে, কিন্তু ঠান্ডা জল খাওয়ার কারণে এটি অস্বাভাবিক হয়ে যেতে পারে, যা ‘কার্ডিয়াক অ্যারিদ্মিয়া’ নামে পরিচিত। এর ফলে শ্বাসের হার বেড়ে যায় এবং রক্তচাপও বাড়তে পারে, যা হৃদ্রোগের কারণ হতে পারে।তাহলে, গরমে ঠান্ডা জল খাওয়ার সময় সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত। শরীরের জন্য ক্ষতিকর না হয়ে, সতর্কভাবে পানি পান করা উচিত।