ব্যুরো নিউজ, ১৭ই মে ২০২৬ঃ ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের হাইভোল্টেজ পুনর্নির্বাচনের প্রাক্কালে রাজনৈতিক উত্তাপ চরমে। শনিবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সভার পর রবিবার ফলতার মাটি থেকে তৃণমূলকে তীব্র আক্রমণ শানালেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে ২৯৩টি আসনের মধ্যে ২০৭টি আসন পেয়ে বাংলায় সরকার গড়ার আত্মবিশ্বাস তাঁর বক্তৃতায় স্পষ্ট ছিল। তৃণমূলকে ‘অতীত’ আখ্যা দিয়ে তিনি সাধারণ মানুষকে নতুন জমানায় শ্বাস নেওয়ার আশ্বাস দেন। স্বভাবসিদ্ধ ব্যঙ্গাত্মক ভঙ্গিমায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও বিঁধতে ছাড়েননি শমীক।
তিনি বলেন, ‘‘একেন বাবুর মাথায় চুল গজালেও গজাতে পারে, তবু তৃণমূল আর কোনও দিন এ রাজ্যে ক্ষমতায় আসতে পারবে না।’’ ডায়মন্ড হারবার লোকসভা এলাকার অন্তর্গত ফলতায় দাঁড়িয়ে শমীকবাবু আরও বলেন, ‘‘আগের সরকারের আমলে নেতা, মন্ত্রী আর পুলিশ-প্রশাসন মিলেমিশে একাকার হয়ে গিয়েছিল। সেই প্রতিকূলতার মধ্যেও ডায়মন্ড হারবারে দাঁতে দাঁত চেপে লড়াই করেছেন বিজেপি কর্মীরা। আজ মানুষ তৃণমূলকে রাজনৈতিক ভাবে নির্বাসিত করে দিয়েছে।’’ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ৪ তারিখ রাত ১২টার পর ডিজে বাজানোর হুঁশিয়ারি প্রসঙ্গে শমীক কটাক্ষ করেন, ‘‘এখন ডিজের বদলে তৃণমূল নেতাদের ঘরে ঘরে বিষাদের হারমোনিয়াম বাজছে।’’ তিনি অভিষেককে ‘বীরবাবু’ সম্বোধন করে বলেন, ‘‘একটু তো সামনে এসো, এভাবে লুকিয়ে থেকো না।’’
শমীক পরামর্শ দেন, এবার অন্তত দিল্লিতে গিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করে আসা উচিত তাঁর। ২১ মে ফলতার এই পুনর্নির্বাচনেও বিজেপি প্রার্থীর জয় যে কেবল সময়ের অপেক্ষা, এ দিনের সভা থেকে সেই বার্তাই স্পষ্ট করে দিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি।








