[rank_math_breadcrumb]

ব্যুরো নিউজ, ১৪ই মে ২০২৬ঃ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের পর সংসদীয় রণকৌশল নির্ধারণে কালীঘাটে জরুরি বৈঠকে বসলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। লোকসভা ও রাজ্যসভার সাংসদদের নিয়ে এই বৈঠকে মূলত বিজেপি ও নির্বাচন কমিশনকে কাঠগড়ায় তোলা হয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, দেশে এখন ‘সুপার এমার্জেন্সি’র মতো পরিস্থিতি চলছে। তিনি ২০২৯ সালে বিজেপির নিশ্চিত হারের ভবিষ্যদ্বাণী করেন এবং গণনার দিন তাঁর এজেন্টকে হেনস্থার অভিযোগ তোলেন।

শ্রীরামপুর লোকসভা কেন্দ্রে জয়ী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে এ দিন দরাজ সার্টিফিকেট দেন তৃণমূল নেত্রী। মমতা বলেন, ‘কল্যাণকে অভিনন্দন। আমরা একটা ভাল লড়াই লড়েছি। বিজেপি ১০০ জন আইনজীবী নিয়ে হাজির ছিল।’ কল্যাণের অভিযোগ, বিজেপির এক প্রবীণ আইনজীবী স্লোগান দেওয়া শুরু করেছিলেন, যা নজিরবিহীন। তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় অত্যন্ত আক্রমণাত্মক মেজাজে বলেন, তৃণমূল কেবল বিজেপির বিরুদ্ধে নয়, কেন্দ্রের গোটা শক্তির বিরুদ্ধে লড়েছে। তিনি কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে অভিযোগ করেন যে গণনাকেন্দ্রে সিএপিএফ জওয়ানরা এজেন্টদের ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দিয়েছে।

অভিষেকের আরও চাঞ্চল্যকর অভিযোগ, ভোট লুঠ, ইভিএম কারচুপি এবং ইভিএম-এর ব্যাটারি ৯০ শতাংশের বেশি চার্জড থাকার বিষয়ে গরমিল ছিল। বিজেপির লোকজন সিআরপিএফ-এর পোশাক পরে হামলা চালিয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন। গণনার তৃতীয় রাউন্ডেই বিজেপিকে ২০০-র বেশি আসনে এগিয়ে দেখিয়ে এজেন্টদের মনোবল ভাঙার চেষ্টা হয়েছিল বলেও অভিযোগ করেন অভিষেক। ভবানীপুরেও ডিআইসিও ঢুকতে না দেওয়া এবং মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়ার মতো ঘটনা ঘটেছে বলে তিনি জানান। তবে অতীতেও এমন খারাপ সময় দল দেখেছে এবং এই পরিস্থিতিতে কর্মীদের ‘অনড়’ থাকার বার্তা দিয়েছেন তিনি। সব মিলিয়ে, নির্বাচনী ফল মেনে নিলেও লড়াই যে এখনই শেষ হচ্ছে না, কালীঘাটের বৈঠক থেকে সেই বার্তাই দিলেন তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

বিশ্ব জুড়ে

গুরুত্বপূর্ণ খবর

বিশ্ব জুড়ে

গুরুত্বপূর্ণ খবর