ব্যুরো নিউজ, ১৩ই মে ২০২৬ঃ পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং জ্বালানি তেলের সংকটের জেরে বিশ্ব অর্থনীতিতে ব্যাপক প্রভাব পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে ভারতের বিদেশি মুদ্রার ভান্ডার রক্ষা করতে প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীকে অন্তত এক বছর সোনা কেনা থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। এর পাশাপাশি, কেন্দ্র সরকার সোনা ও রুপোর উপর আমদানি শুল্ক ৬ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করেছে, যা মধ্যবিত্তের উপর আরও চাপ সৃষ্টি করবে। সোনার দাম ইতিমধ্যেই আকাশছোঁয়া, এবং এই শুল্ক বৃদ্ধির ফলে তা আরও বাড়বে। এই পরিস্থিতিতে, একজন সাধারণ মানুষ আইনত কতটা সোনা ঘরে রাখতে পারবেন, তা জানা অত্যন্ত জরুরি। সেন্ট্রাল বোর্ড অব ডাইরেক্ট ট্যাক্সেস (CBDT)-এর ১৯৯৪ সালের আইন অনুযায়ী, ব্যক্তিগতভাবে সোনা রাখার একটি নির্দিষ্ট সীমা রয়েছে। এই সীমার মধ্যে সোনা রাখলে তার জন্য কোনও নথি দেখাতে হয় না।
CBDT-এর নিয়ম অনুযায়ী, একজন বিবাহিত মহিলা সর্বোচ্চ ৫০০ গ্রাম সোনা রাখতে পারবেন। অবিবাহিত মহিলাদের জন্য এই সীমা ২৫০ গ্রাম। পুরুষরা ব্যক্তিগতভাবে ১০০ গ্রাম সোনা রাখতে পারবেন। এই পরিমাণের বেশি সোনা রাখলে তার বৈধ উৎস প্রমাণ করতে হবে। এছাড়াও, সোনা কেনার ক্ষেত্রে কিছু নিয়ম রয়েছে। আপনি যদি ২ লক্ষ টাকা বা তার বেশি দামের সোনা কেনেন, তাহলে প্যান কার্ড দেখানো বাধ্যতামূলক। ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত সোনা নগদ টাকায় কেনা গেলেও, এর বেশি মূল্যের সোনা কিনতে হলে চেক বা কার্ডের মাধ্যমে পেমেন্ট করতে হবে। এই নিয়মগুলি মেনে না চললে ভবিষ্যতে আইনি জটিলতার মুখে পড়তে হতে পারে। তাই, বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে সোনার বিনিয়োগ বা মজুত করার আগে এই আইনগুলি সম্পর্কে ওয়াকিবহাল থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।










