ব্যুরো নিউজ,৮ এপ্রিল: মহাবিষুব পানা সংক্রান্তি বা পহেলি বৈশাখ, একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎসব যা প্রতি বছর ১৪ এপ্রিল উদযাপিত হয়। এটি বিশেষত উড়িষ্যার (ওড়িশা) মানুষের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন, কারণ এটি উড়িষ্যার নতুন বছরের প্রথম দিন এবং কৃষির প্রারম্ভের দিন। এই দিনটি ধান, শস্য ও কৃষির শুভ সূচনার দিন হিসেবে পালিত হয়।
Tollywood Gosip: বিয়ের পরেও নিস্তার নেই প্রাক্তনের হাত থেকে তাই সোহিনী এবার রনং দেহি
মহাবিষুব পানা সংক্রান্তি বা পহেলি বৈশাখের ইতিহাস অত্যন্ত প্রাচীন। এটি মূলত বাংলা, উড়িয়া, এবং অসমিয়া সংস্কৃতির অংশ। এই দিনটি মূলত কৃষকদের জন্য, যাদের সারা বছরের পরিশ্রমের পর নতুন ফসল তোলার সময় আসে। এই দিনে নতুন ফসলের সঙ্গেই নানান প্রকার খাদ্য সামগ্রী তৈরি করে এবং সবাই একে অপরকে উপহার হিসেবে দেয়। ওড়িশায় এই দিনটি বিশেষভাবে পালিত হয়, কারণ এটি কৃষির উৎপাদন ও সাফল্যের সূচনা। সঙ্গত কারণেই, পহেলি বৈশাখে কৃষকেরা তাদের ধান ক্ষেতের ফলন ভালো হওয়ার জন্য দেবতার কাছে প্রার্থনা করে। ১৪ এপ্রিল এই দিনটি পহেলি বৈশাখ হিসাবে উদযাপন করা হয়, যা একদিকে নতুন বছরের শুরু এবং অন্যদিকে প্রকৃতির প্রতি শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতার দিন।
নজরকাড়া ডিজাইনের সঙ্গে Toyota লঞ্চ করতে চলেছে Taisor মডেল! রয়েছে দুর্ধর্ষ ফিচারসও!
মহাবিষুব পানা সংক্রান্তির গুরুত্ব:
এই উৎসবের গুরুত্ব শুধু কৃষির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়, এটি উড়িষ্যা সংস্কৃতির একটি অঙ্গ। সারা রাজ্যে পহেলি বৈশাখে বিশেষ ধরনের রীতি-রেওয়াজ পালন করা হয়। মহাবিষুব পানা সংক্রান্তির দিনে, পানা (তরমুজ, মিষ্টি পানীয় বা ফলের রস) খাওয়ার ঐতিহ্য রয়েছে, যা শরীরকে সুস্থ ও সতেজ রাখে। একে ‘পানা’ খাওয়ার দিন বলা হয়। সবাই একে অপরকে এই পানীয় উপহার দেয়, যা একে অপরের মধ্যে ভালোবাসা ও সৌহার্দ্য সৃষ্টি করে।
সব ঝামেলা থেকে মুক্তি, এই শুভ মুহূর্তের পর !
এদিন বিশেষভাবে মন্দিরে পূজা অনুষ্ঠিত হয়, এবং পরিবার-পরিজনদের সঙ্গে মিলিত হয়ে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। এর পাশাপাশি, তরুণ-তরুণীরা নানা রকম গানের সুরে, নাচে আনন্দ প্রকাশ করে। মহাবিষুব পানা সংক্রান্তি উড়িষ্যার ঐতিহ্য, কৃষির সাফল্য এবং সম্প্রদায়ের মধ্যে একতা ও আনন্দের প্রতীক। এটি রাজ্যের মানুষের মধ্যে সংস্কৃতির গর্ব এবং সম্পর্কের দৃঢ়তা বৃদ্ধি করে।