শেখ

ব্যুরো নিউজ, ১৬ জানুয়ারি: শেখ শাহজাহান নিয়ে কড়া অবস্থান হাইকোর্টের 

আপনার মক্কেল নাকি উধাও! তাঁকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছেনা! তিনি কেন সারেন্ডার করছেন না? তাঁকে আগে আত্মসমর্পণ করতে বলুন। ঠিক এভাবেই সোমবার বিশ্বরূপ মুখোপাধ্যায় নামে #শেখ শাহজাহানের আইনজীবীকে প্রশ্ন করলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত। উল্লেখ্য, ৫ জানুয়ারি সন্দেশখালিতে তাঁর বাড়িতে তল্লাশিতে গিয়ে হামলার মুখে পড়েন ইডির অফিসারেরা। তাঁদেরকে মেরে মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয়। ভাঙচুর করা হয় দামি গাড়ি। ভিতর থেকে তালাবন্দি ছিল শাহজাহানের বাড়ি। সেই তালা তাঁরা ভাঙ্গার আগেই শাহজাহান অনুরাগীদের দ্বারা আক্রান্ত হয় ইডি। ইডির দাবি, সেই সময় শাহজাহান ওই বাড়িতেই ছিল। মোবাইল টাওয়ার লোকেশান থেকে তা জানতে পেরেছে ইডি।

নিয়োগ কমার পরে বন্ধের পথে রেলের ছাপাখানা

এরপরে ১১ দিন কেটে গেলেও বেপাত্তা সন্দেশখালির বেতাজ বাদশা। অথচ প্রকাশ্যে এসেছে তাঁর অডিও ক্লিপ। সোমবার ইডির দায়ের করা মামলা হাইকোর্টে উঠলে #শাহজাহানকে ওই মামলায় যুক্ত করার জন্য হঠাৎই সওয়াল করেন আইনজীবী বিশ্বরূপ মুখোপাধ্যায়। আদালত মামলায় যুক্ত করার অনুমতি দিয়েছে।

রীতিমতো বিস্মিত বিচারপতি সেনগুপ্ত #শাহজাহানকে আত্মসমর্পণের জন্য বলেন। একই সঙ্গে বিশ্বরূপ মামলা চলাকালীন রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল কিশোর দত্তকে কিছু বোঝাবার চেষ্টা করছিলেন। কিশোর দত্ত তাঁকে থামালেও, থামছিলেন না বিশ্বরূপ। এ সবই বিচারপতির চোখে পড়ে। তিনি বলেন, আমি ভেবেছিলাম আপনি জুনিয়র আইনজীবী। কিন্তু এখন দেখছি তা নয়। আপনি এজি কে থামানোর চেষ্টা করছিলেন কেন? খোলা আদালত দেখেছে আপনাকে থামতে বললেও আপনি থামেননি। বিচারপতি জানিয়ে দেন শাহজাহানের হয়ে দাড়াতে গেলে তাঁকে ওকালতনামা সই করিয়ে আনতে হবে। মঙ্গলবারই সেই ওকালতনামা পেশ করতে হবে আদালতে। একইসঙ্গে বিচারপতি বলেন, সৎ ভাবে বিচার দেওয়ার ইচ্ছা থাকলে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করুন। হামলায় ১০০০ মানুষ থাকলেও কেন মাত্র ৪ জনকে গ্রেফতার করা হলো? ওই মামলার তদন্তের কেস ডায়েরি হাই কোর্টে না আনায় বিচারপতির ক্ষোভের মুখে পড়ে পুলিশ।

বিচারপতি বলেন, এই মামলা সমস্ত না দেখে অর্ডার দেওয়া যাবেনা। ইডির অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল এস ভি রাজু বলেন, রেশন দুর্নীতির আর্থিক নয় ছয়ের তদন্ত করছে। গ্রেফতার প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের সুত্রে নাম পাওয়া যায় #শেখ শাহজাহান ও শঙ্কর আঢ্যর। বিচারপতির প্রশ্নের উত্তরে এজি জানান, শাহজাহান মামলার তদন্ত করছে ডিএসপি- এর নেতৃত্বে স্থানীয় পুলিশ। কেন ওই কেসে ৩০৭ ধারা যুক্ত করা হয়নি সেই প্রশ্ন তোলেন বিচারপতি।  তিনি বলেন কেন এখনো ন্যাজার থানার পুলিশকে তদন্তে রাখা হয়েছে? এজি বলেন, ইডি অফিসারেরা তাঁদের ধাক্কা দেওয়া হয়েছে বলায় ৩০৭ ধারা দেওয়া হয়নি। বিচারপতি বলেন, পাথর, লাঠি দিয়ে হামলা করা হয়েছে বলে ই ডি অভিযোগ করেছে। কেন এখনো পুলিশ ওই বাড়ি সিল করেনি? এতদিন পুলিশ কি তদন্ত করেছে তার কেস ডায়েরি দেখতে চান আদালত। ইভিএম নিউজ 

Article Bottom Widget

বিশ্ব জুড়ে

গুরুত্বপূর্ণ খবর

বিশ্ব জুড়ে

গুরুত্বপূর্ণ খবর