ইভিএম নিউজ ব্যুরো, ১৮ এপ্রিলঃ দিনে শ্বেতশুভ্র শঙ্খ, রাতে বাহারি আলোর কেরামতি, আর কী কী রয়েছে ‘ধন ধান্য’ প্রেক্ষাগৃহে? দৈর্ঘ্য ৫১০ ফুট এবং প্রস্থ ২১০ ফুট। উচ্চতা ৬০০ ফুট। বিশাল এই প্রেক্ষাগৃহে রয়েছে দু’টি সভাঘর, ৩টি থিয়েটার, ২টি বোর্ড রুম, ৬টি অতিথি নিবাস এবং ২টি ডরমেটরি। কলকাতার আলিপুরের বুকে তৈরি হয়েছে এই বিশাল ইমারত। শাঁখের আদলে তৈরি এই প্রেক্ষাগৃহের উদ্বোধন হলো ঘটা করে।

আন্তর্জাতিক মানের ছ’তলা এই প্রেক্ষাগৃহ তৈরি হয়েছে ৬ হাজার মেট্রিক টন ইস্পাত দিয়ে। তার উপর রয়েছে নকশা করা দস্তার মোড়ক। যে দস্তা এসেছে ফ্রান্স থেকে। এ ছাড়াও যে কোনও অনুষ্ঠানের জন্য ব্যাঙ্কোয়েট, কাফেটেরিয়া, ফুড কোর্টও রয়েছে এই অত্যাধুনিক প্রেক্ষাগৃহে। প্রেক্ষাগৃহের দু’টি সভাঘরের মধ্যে রয়েছে দু’হাজার আসনের একটি সভাঘর। অন্য সভাঘরের আসনসংখ্যা ৫৪০। রয়েছে একটি স্ট্রিট থিয়েটারও। যেখানে ৩৫০ দর্শক একসঙ্গে বসে রঙ্গমঞ্চ উপভোগ করতে পারবেন।
‘ধন ধান্যে’র একেবারে নীচের তলায় রয়েছে গাড়ি পার্কিংয়ের ব্যবস্থা। দু’ভাগে কমপক্ষে ২৫০টি গাড়ি একসঙ্গে রাখা যাবে সেখানে।

এই শ্বেতশুভ্র শাঁখের আসল কেরামতি বোঝা গেল রাতের অন্ধকারে। রাতে এই ইমারত আর সাদা থাকে না। রং বদলে একেবারে অন্য রূপে সেজে ওঠে ‘ধন ধান্যের’ বাইরের অংশ। অন্ধকারে দূর থেকে ‘ধন ধান্য’ দেখতে লাগে চকচকে বাদামি বর্ণের। তার উপর থেকে বার হয় চোখধাঁধানো বাহারি আলোর ছটা। যে আলো আনা হয়েছে আয়ারল্যান্ড থেকে। আয়ারল্যান্ড থেকে ৭০০০ আলো এনে ঢেলে সাজানো হয়েছে ‘ধন ধান্যে’র বাইরের অংশ।
‘ধন ধান্য’ তৈরি হয়েছে চার একর জমির উপর। খরচ হয়েছে মোট ৪৪০ কোটি টাকা। পূর্ত দফতর এই প্রেক্ষাগৃহ তৈরির দায়িত্বে ছিল। রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে হিডকো কে।(EVM News) 

Article Bottom Widget

বিশ্ব জুড়ে

গুরুত্বপূর্ণ খবর

বিশ্ব জুড়ে

গুরুত্বপূর্ণ খবর