তৃণমূল কংগ্রেসের বহু প্রতীক্ষিত সাংগঠনিক রদবদল শুরু

ব্যুরো নিউজ ১ এপ্রিল : তৃণমূল কংগ্রেসের বহু প্রতীক্ষিত সাংগঠনিক রদবদল শুরু হয়েছে, আর তা শুরু হল জেলবন্দি প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচনী কেন্দ্র বেহালা পশ্চিম বিধানসভা থেকে। দলের সাংগঠনিক শক্তি বাড়াতে এবং ভবিষ্যৎ নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে এই রদবদল করা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুমোদিত তালিকা অনুযায়ী বেহালা পশ্চিমের ১০টি ওয়ার্ডে নতুন ব্লক সভাপতি নিয়োগ করা হয়েছে। এর মধ্যে সাতজন নতুন মুখ, আর তিনজন পুরনো সভাপতি পুনর্নিয়োগ পেয়েছেন। দলীয় কাজে নিষ্ক্রিয় থাকার অভিযোগে ১১৯ নম্বর ওয়ার্ডের অশোক মণ্ডল এবং ১২৫ নম্বর ওয়ার্ডের মিহির বসাককে সরিয়ে নতুন নেতৃত্ব আনা হয়েছে।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মিথ্যাবাদী! কিভাবে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় কেলক কলেজে বক্তৃতা অনুমতি দেওয়া হলো। জানতে চেয়ে প্রবাসীদের চিঠি মিচিকে

এছাড়া, দীর্ঘদিন ধরে ১২৮, ১২৯, ১৩০ ও ১৩১ নম্বর ওয়ার্ডে কোনো ব্লক সভাপতি ছিল না। এবার সেই শূন্যস্থান পূরণ করে তৃণমূল নতুন চারজনকে দায়িত্ব দিয়েছে। দক্ষিণ কলকাতা জেলা তৃণমূল সভাপতি দেবাশিস কুমার এই নতুন নেতৃত্বের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেন।দলীয় নির্দেশ অনুযায়ী, নতুন সভাপতিদের সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে— পারফরম্যান্সই হবে প্রধান মাপকাঠি। যদি দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন না করা হয়, তবে ছয় মাসের মধ্যেই তাদের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হবে।

 বাংলাদেশ স্বাধীনতা দিবসে মুজিবের নাম মুছে দেওয়ার চেষ্টা হোলো,মোদির চিঠিতে খোঁচা ইউনূসকে।

২০২২ সালে পার্থ চট্টোপাধ্যায় গ্রেপ্তার হওয়ার পর থেকে বেহালা পশ্চিমের সাংগঠনিক দায়িত্ব সরাসরি জেলা তৃণমূল সভাপতির ওপর ছিল। তবে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন এবং ভোটার তালিকা সংক্রান্ত কাজ আরও ভালোভাবে পরিচালনার জন্য এবার নতুন নেতৃত্বকে দায়িত্ব দেওয়া হলো।এই রদবদলে কিছু পুরনো মুখও জায়গা পেয়েছেন। ১১৮ নম্বর ওয়ার্ডে অঞ্জন চক্রবর্তী, ১২৭ নম্বর ওয়ার্ডে উৎপল দত্ত এবং ১৩২ নম্বর ওয়ার্ডে অভিজিৎ দে আগের মতোই দায়িত্বে বহাল রয়েছেন। অন্যদিকে, নতুন সভাপতির দায়িত্ব পেয়েছেন অংশুকুমার চট্টোপাধ্যায় (১১৯ নম্বর ওয়ার্ড), বিশ্বজিৎ অধিকারী (১২৫ নম্বর ওয়ার্ড), সুদীপ রায় (১২৬ নম্বর ওয়ার্ড), সঞ্জীব রাজ (১২৮ নম্বর ওয়ার্ড), সুবীর বরাট (১২৯ নম্বর ওয়ার্ড), কৌশিক বন্দ্যোপাধ্যায় (১৩০ নম্বর ওয়ার্ড) এবং দেবজ্যোতি গায়েন (১৩১ নম্বর ওয়ার্ড)।

বাংলাদেশ স্বাধীনতা দিবসে মুজিবের নাম মুছে দেওয়ার চেষ্টা হোলো,মোদির চিঠিতে খোঁচা ইউনূসকে।

এই রদবদলের মূল উদ্দেশ্য হলো ভোটার তালিকা সংক্রান্ত কাজ আরও জোরদার করা এবং দলকে আগামি নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত করা। রাজনৈতিক মহল মনে করছে, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে তৃণমূল কংগ্রেস বেহালা পশ্চিমে তাদের সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করতে চল্কাত

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

বিশ্ব জুড়ে

গুরুত্বপূর্ণ খবর

বিশ্ব জুড়ে

গুরুত্বপূর্ণ খবর