ব্যুরো নিউজ ২৩ মে : নদিয়ার কল্যাণীর হরিণঘাটায় তৃণমূলের এক কাউন্সিলরের ঝুলন্ত দেহ দলীয় কার্যালয় থেকে উদ্ধার হয়েছে। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মৃত কাউন্সিলরের নাম রাকেশ পাড়ুই, যাঁর বয়স আনুমানিক ৩০ বছর। তিনি হরিণঘাটা পুরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর ছিলেন।
দেহ উদ্ধার ও প্রাথমিক তদন্ত
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় হরিণঘাটার বিধানচন্দ্র কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন তৃণমূল ছাত্র পরিষদের (টিএমসিপি) কার্যালয় থেকে রাকেশের দেহ উদ্ধার হয়। স্থানীয় কর্মীরা পার্টি অফিস খুলতে গিয়ে রাকেশের ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান। সঙ্গে সঙ্গে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে মোহনপুর ফাঁড়ির পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশ দেহ উদ্ধার করে হরিণঘাটা গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাকেশকে মৃত ঘোষণা করেন। এরপর দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়।
‘অপারেশন সিঁদুর’ এর সর্বদলীয় প্রতিনিধিদলে থাকছেন না ইউসুফ পাঠান, তৃণমূল সাংসদের সিদ্ধান্ত
প্রাথমিকভাবে পুলিশ এটিকে আত্মহত্যার ঘটনা বলে অনুমান করছে। তবে, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে আসার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ স্পষ্ট হবে বলে পুলিশ জানিয়েছে। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
পুলিশের বক্তব্য ও পরবর্তী পদক্ষেপ
রানাঘাট পুলিশ জেলার সুপার আশিস মৌর্য জানিয়েছেন, যদি এই ঘটনায় কোনো নির্দিষ্ট অভিযোগ জমা পড়ে, তাহলে তা খতিয়ে দেখা হবে। স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে বিভিন্ন জল্পনা শোনা যাচ্ছে, তবে পুলিশ ময়নাতদন্তের রিপোর্টের জন্য অপেক্ষা করছে।
পারিবারিক ও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে জল্পনা
কয়েকটি সংবাদ সূত্র অনুযায়ী, রাকেশের মায়ের অভিযোগ, কয়েকজন ছেলে এসে তার ছেলেকে হুমকি দিত এবং রাকেশকে কোনো চক্রের সঙ্গে জড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। এছাড়া, রাকেশের সাংসারিক জীবনে অশান্তি এবং বাজারে ঋণের বোঝা ছিল বলেও কিছু সংবাদে উঠে এসেছে। পাওনাদারদের ক্রমাগত চাপের মুখে তিনি এমন চরম সিদ্ধান্ত নিতে পারেন বলে জল্পনা চলছে। তবে, পুলিশ এই বিষয়ে কোনো নিশ্চিত তথ্য জানায়নি এবং তদন্তের পরই সব স্পষ্ট হবে বলে জানানো হয়েছে।




















