উত্তরবঙ্গের দুর্গতদের পাশে রাজ্য

ব্যুরো নিউজ : বন্যা ও ধসের ভয়াবহতায় বিপর্যস্ত উত্তরবঙ্গের চার জেলা — দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহার। এই পরিস্থিতিতে দুর্গতদের পাশে দাঁড়িয়েছে রাজ্য সরকার। ত্রাণ সরবরাহের পাশাপাশি কৃষি বিপণন দফতরের উদ্যোগে চালু করা হয়েছে সুফল বাংলার ৬৫টি নতুন ভ্রাম্যমাণ বিপণি। বৃহস্পতিবার জলপাইগুড়িতে এসে রাজ্যের কৃষি বিপণন মন্ত্রী বেচারাম মান্না জানান, দুর্যোগের কারণে অনেক এলাকার সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। তাই সাধারণ মানুষের কাছে ন্যায্য দামে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দিতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

দুর্গাপুরে মেডিকেল ছাত্রীকে গণধর্ষণ

মন্ত্রী জানান, ইতিমধ্যেই ত্রাণ শিবিরগুলিতে ৬৪৩ কুইন্টাল আলু ও ১৫০ কুইন্টাল পেঁয়াজ পাঠানো হয়েছে। শিলিগুড়ি বাজার থেকে দার্জিলিংয়ে ২৪ হাজার কেজিরও বেশি আলু এবং কালিম্পংয়ে ১৭ হাজার কেজি আলু পাঠানো হয়েছে। আলিপুরদুয়ার নিয়ন্ত্রিত বাজার থেকে দুর্গতদের হাতে পৌঁছেছে ১১০০ প্যাকেট ত্রাণ সামগ্রী। নাগরাকাটার বামনডাঙা ও টন্ডুর মতো দুর্গত গ্রামগুলিতে নদী পেরিয়ে প্রতিদিন ফল, সবজি, আলু ও পেঁয়াজ পাঠানো হচ্ছে।

কৃষি বিপণন দপ্তর সূত্রে খবর, আলিপুরদুয়ারে নতুন করে ৩০টি, জলপাইগুড়িতে ১৪টি, দার্জিলিংয়ে ১২টি, কালিম্পংয়ে ৪টি এবং কোচবিহারে ৫টি অতিরিক্ত ভ্রাম্যমাণ বিপণি চালু করা হয়েছে। এই বিপণিগুলির মাধ্যমে স্থানীয় মানুষ ন্যায্য মূল্যে খাদ্যসামগ্রী পাচ্ছেন, যা দুর্যোগের সময় এক বড় স্বস্তি এনে দিয়েছে দুর্গত এলাকায়।

RG Kar movement : ‘আমাদের দুর্গা বিসর্জন হয়ে গিয়েছে’: ন্যায় না পাওয়া পর্যন্ত গণ-আন্দোলন পুনরুজ্জীবিত করার আহ্বান আরজি কর কাণ্ডে নিহত তরুণীর বাবা-মার

রাজ্যের কৃষি দফতর জানায়, “মানুষের পাশে দাঁড়ানোই এখন আমাদের একমাত্র লক্ষ্য। প্রতিটি দুর্গত পরিবারে খাদ্য পৌঁছানো পর্যন্ত এই উদ্যোগ চলবে।” বেচারাম মান্না বলেন, “উত্তরবঙ্গের মানুষ একা নন, সরকার তাঁদের পাশে আছে।”

Article Bottom Widget

বিশ্ব জুড়ে

গুরুত্বপূর্ণ খবর

বিশ্ব জুড়ে

গুরুত্বপূর্ণ খবর