বিশ্ব জুড়ে

গুরুত্বপূর্ণ খবর

hair care tips

রুক্ষ-শুষ্ক চুল থেকে মুক্তি, চুল হবে ঘন ও সুন্দর! এই একটি প্যাকেই হাজার সমস্যার সমাধান

লাবনী চৌধুরী, ২১ জুন: সুন্দর, ঘন চুল পেতে কে না চায়? তবে রুক্ষ-শুষ্ক চুল, ফ্রিজি হেয়ার, খুশকি, চুল ধরে পড়া এসবের ফলে ঘন-সুন্দর চুলের স্বপ্ন, স্বপ্নই রয়ে যায়। তবে এই সব সমস্যার সমাধান মিলবে এই পদ্ধতিতেই। বর্ষায় ব্যাগ ও জুতোর বিশেষ যত্ন ঘরের কয়েকটি উপাদান যেমন- অ্যালোভেরা, মেথি এ আমলকীর ব্যবহারেই ফল পাবেন। কীভাবে ব্যবহার করবেন? উপকরণ- ৩ চামচ মেথি, ২ চামচ আমলকী পাউডার, ৪ চামচ অ্যালোভেরা জেল ও অলিভ অয়েল। পদ্ধতি- প্রথমে মেথি গ্রাইন্ডারে গুড়ো করে নিন। গাছের অ্যালোভেরা হলে অ্যালোভেরা জেলও ব্লেন্ড করে নিতে পারেন। নয়তো মার্কেটের অ্যালোভেরা জেলও ব্যবহার করতে পারেন। এবার মেথিগুড়ো, অ্যালোভেরা জেলের সঙ্গে আমলকীগুঁড়ো ও অলিভ অয়েল মিশিয়ে নিন। এবার আপনার হেয়ার প্যাকটি রেডি। মাথা ভালো করে আঁচরে নিয়ে চুলের গোড়া থেকে ডগা পর্যন্ত ব্রাশের সাহায্যে এই হেয়ার প্যাকটা লাগান। লাগানো হয়ে গেলে শাওয়ার ক্যাপ পরে অন্তত ১ থেকে দের ঘণ্টা অপেক্ষা রেখে শ্যাম্পু করে নিন। সপ্তাহে অন্তত ১ বার এই হেয়ার প্যাকটি ব্যবহার করুন। অ্যালোভেরা রুপচর্চায় ভিষন উপকারি। এমনকি আমলকী ব্যবহার করার ফলে খুশকির সমস্যাও দূর হবে। এমনকী চুল পড়ার সমস্যাও দূর হবে। চুল হবে ঘন।

আরো পড়ুন »
tea for skin care

শুধু পানীয় নয় রূপচর্চাতেও ব্যবহার করুন চা-পাতা

শর্মিলা চন্দ্র , ২০ জুন: চা শুধু পানীয় হিসেবেই নয়, ত্বকের যত্নেও কিন্তু চা বেশ উপকারী। চায়ে অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট, ভিটামিন ই, ভিটামিন সি, বি২ জাতীয় উপাদান রয়েছে। যা ত্বকের যত্নে বেশ কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। দেখে নেওয়া যাক ত্বকের যত্নে চা পাতা কীভাবে ব্যবহার করবেন- স্বাস্থ্য উপকারীতায় এক কোয়া রসুন ত্বকের জন্য ময়েশ্চারাইজার, ক্লিনজার হিসেবে কাজ করে চা-পাতা ত্বকের যত্নে সাধারণ চায়ের থেকে গ্রিন–টির ব্যবহার কিন্তু বেশি। গ্রিন টি-র উপকারিতাও কিন্তু বেশি। গ্রিন–টি কিন্তু ময়েশ্চারাইজার, ক্লিনজার বা সিরাম—সবরমক ভাবেই ত্বকে ব্যবহার করা যায়।  বয়স বাড়লে ত্বকে কোলাজেন কমে যায়। এর জন্য ত্বক কুঁচকে যায়। ভাতের মাড় ১ চা-চামচ, গ্রিন–টি ১ চা-চামচ, মধু আধ চা-চামচ, পেস্ট করা ভাত ১ চা-চামচ, গ্লিসারিন ২ ফোঁটা। এই সমস্ত উপকরণ ভালো করে মিশিয়ে মুখে ১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। আলতো ভাবে ২ থেকে ৩ মিনিট মালিশ করে ধুয়ে ফেলুন। আপনার ত্বকে কি ব্রণ আছে? ? যদি ব্রণ থাকে তাহলে গ্রিন-টি টোনার হিসেবেও গ্রিন–টি ব্যবহার করতে পারেন। এরজন্য ১ কাপ গ্রিন–টির সঙ্গে ১ চা-চামচ পুদিনাপাতার রস মিশিয়ে নিন। এটি ত্বকের কোলাজেন বাড়াতে সহায়তা করবে। ত্বকে কোঁচকানো ভাব দূর করে ত্বক টান টান করতে সাহায্য করবে। বলিরেখার সমস্যারও দূর হবে। ত্বকে ব্রণ থাকলে আরও একটি পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারেন। যে পরিমাণ গ্রিন–টি নেবেন সেই পরিমাণ চন্দন বেটে নিন। ১০ থেকে ১৫ মিনিট মুখে লাগিয়ে রাখুন। ঠান্ডা জল দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। এক দিন পরপর এক মাস ব্যবহার করলে ভালো ফল পাবেন। গ্রিন-টির বদলে লিকার চা–ও কিন্তু ত্বকের টোনার হিসেবে ভালো কাজ করে। গ্রিন–টি ত্বকে জ্বালাপোড়া ভাব কমিয়ে দেয়। মাইল্ড স্ক্রাবার হিসেবেও গ্রিন–টি বেশ উপকারী। গরমকালে ঘামাচির জ্বালাপোড়া ভাব কমিয়ে দেয়। সমপরিমাণ গ্রিন–টি, পুদিনাপাতা ও তুলসীর পাতা মিশিয়ে কিছুক্ষণ রেখে দিন। এরপর ছেঁকে নিন। এবার এটি স্প্রে বোতলে ভরে ব্যবহার করতে পারেন। ঘামাচিও দূর হবে। https://youtu.be/36rOl1kk9X8

আরো পড়ুন »
beer for Hair Care

চুলের যত্নে বিয়ারের কামাল! ম্যজিকের মত দূর হবে হাজার সমস্যা!

লাবনী চৌধুরী, ১৯ জুন: অনেক সময়েই দেখা যায় চুলের ডগা ফেটে যায়। অনেক ক্ষেতে তা অতিরিক্ত রাসায়নিক-যুক্ত প্রোডাক্ট যেমন হেয়ার কালার করলে কিংবা চুলে বেশি মাত্রায় হিট দিলে বা গরম জল চুলে ব্যবহার করলে চুলের ডগা ফেটে যায়, দু’মুখো চুলের সমস্যা বাড়ে। যা চুলের সৌন্দর্যকে নষ্ট করে এবং এই সব কিছু ব্যবহারের ফলে চুলের স্বাস্থ্যেরও ক্ষতি হয়। আর স্প্লিট এন্ড-র জন্য চুলের যত্ন নিতে আমরা আবার পার্লারে গিয়ে সেই ক্যমিক্যালযুক্ত প্রোডাক্ট ব্যবহার করি। আরও কত কিছুই না করি। তবে চুলের যত্নে বিয়ার ব্যবহার করেছেন কি? স্বাস্থ্য উপকারীতায় এক কোয়া রসুন  হ্যাঁ, বিয়ার ব্যবহার করলে চুল ঘন ও সিল্কি হয়। এমনকি স্প্লিট এন্ড-র সমস্যা থেকেও পেতে পারেন মুক্তি। বিয়ার চুলের জন্য খুবই উপকারি। বিয়ার শুষ্ক স্ক্যাল্পের সমস্যা দূর করে চুলে আর্দ্রতা বজায় রাখে। চুলে গ্রোথ আনতে সাহায্য করে। পাশাপাশি চুলের ফলিকলকে ক্ষয়ের হাত থেকে বাঁচায় পাশাপাশি চুলের গোরা মজবুত করে। চুলের যত্নে বিয়ার কীভাবে ব্যবহার করবেন? চুলের যত্নে ফ্ল্যাট বিয়ার ব্যবহার করুন। বিয়ারটি বোতল থেকে ঢেলে একটি অন্য পাত্রে রাখুন। সেক্ষেত্রে অনেকখানি ফেনা বা বুদবুদ তৈরি হয়। মনে রাখবেন সেই অবস্থায় বিয়ার ব্যবহার করা যাবে না। বিয়ারটি ঘণ্টা খানিক রেখে দিন এতে সেই ফেনা বা বুদবুদ কমে যাবে। এবার শ্যাম্পু করার পর চুলে সেই বিয়ার ঢেলে নিন। মাথায় বিয়ার দিয়ে ২-৩ মিনিট অপেক্ষা করুন। তারপর পরিষ্কার জল দিয়ে চুল ধুয়ে নিন।

আরো পড়ুন »
Skin Care Remove black spot

ঘরোয়া উপায়ে কুনুইয়ের কালচে ভাব দূর করুন

শর্মিলা চন্দ্র, ১৮ জুন : গরমের দিনে অনেকের কুনুইয়ে কালচে দাগ দেখা দেয়। কুনুইয়ের ত্বক খসখসে হয়ে যায়। আর সেই কারণেই অনেকে সমস্যার মধ্যে পড়েন। তবে প্রতিদিন কুনুইয়ের যত্ন নিলে কিন্তু আর এই সমস্যা হয় না। প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করে কিন্তু নিয়োমিত কুনুইয়ের যত্ন নিতে পারেন। তারজন্য প্রয়োজন লেবু, মধু, নানা রকম ফল–মূল ও দুধ। চুলের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ধরে রাখতে জবা ফুল ত্বক হবে কোমল ও উজ্জ্বল লেবুর রস ও চিনির মিশ্রণ স্ক্রাবিংয়ের কাজ করবে। আবার কালচে ভাব দূর করতেও সাহায্য করবে। সুজি হালকা টেলে নিয়ে তাতে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস দিয়ে স্ক্রাব করা যেতে পারে। তুলসী পাতা, লেবু ও মধুর মিশ্রণ ত্বকে হালকা ম্যাসাজ করে ২০ মিনিট রেখে তুলে নিতে হবে। এটি সপ্তাহে তিন দিন করতে হবে। আলুর রস ও মধুর মিশ্রণের ব্যবহারেও কালচে ভাব কমবে। অর্ধেকটা আলু থেঁতলে রস বের করে নিন। তার সঙ্গে আধ চামচ মধু মিশিয়ে একটা মিশ্রণ তৈরি করুন। এবার সেটা কনুইতে লাগিয়ে ৩০ মিনিট রেখে দিন। শুকিয়ে এলে ধুয়ে ফেলুন। এভাবে কয়েক সপ্তাহ ব্যবহার করুন। টমেটো পেস্টের সঙ্গে মধু মিশিয়ে ব্যবহার করলেও ব্লিচের কাজ করবে। চন্দন ও লেবুর খোসাবাটা একসঙ্গে মিশিয়ে কিছুক্ষণ লাগিয়ে রাখলে কনুইতে কালচে ভাব কমে যাবে। গোলাপ ফুলের পাপড়ি, টক দই ও ময়দা মিশিয়ে কনুইতে ১৫-২০ মিনিট লাগিয়ে রেখে দিন। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন। এটি কালচে ভাব দূর করে। গাঁদা ফুলের পাপড়ি শুকিয়ে গুঁড়ো করে ফেসওয়াশের সঙ্গে মিশিয়ে হাঁটু ও কনুই পরিষ্কার করতে পারেন। পাকা পেঁপের সঙ্গে কয়েক ফোঁটা গ্লিসারিন, মধু ও বেসনের মিশ্রণ ব্যবহার করলে কনুইতে কালো রং হালকা হতে থাকবে। একটা পাত্রে দুধের সর, কয়েক ফোঁটা পেস্তা বাদামের তেল ও সামান্য পরিমাণ গ্লিসারিন মিশিয়ে একটা মিশ্রণ তৈরি করুন। এবার সেটা কনুইয়ের ত্বকে লাগিয়ে শুকনো পর্যন্ত রেখে দিন। শুকিয়ে গেলে তুলে ফেলুন। এতে ত্বক কোমল হবে। দুধ, মধু ও লেবুর মিশ্রণও ত্বক উজ্জ্বল করে। এই মিশ্রণ কনুইতে দিলে কালচে ভাব কমবে। ওটমিল ও দুধ মিশিয়ে কনুই ও হাঁটুতে স্ক্রাব করতে পারেন। এতে খসখসে ভাব কমবে। ত্বক কোমল হবে।

আরো পড়ুন »
beauty-tips-for-hair-growth

চুলের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ধরে রাখতে জবা ফুল

ব্যুরো নিউজ, ১৮ জুন : দৈনন্দিন জীবনে নানা সমস্যার কারণে চুল পড়ার সমস্যা বেড়ে যাচ্ছে। চুলের সমস্যায় নাজেহাল কম-বেশি অনেকেই। তবে চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে কিন্তু চুলের সঠিক যত্ন অর্থাৎ চুলের সঠিক পুষ্টির প্রয়োজন। চুলের উপযুক্ত যত্ন না নিলে কিন্তু চুল ঝরা, খুশকি, চুল পাকা, চুলের ডগা ফাটা সহ একাধিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। তবে প্রাকৃতিকভাবে যদি চুলের জেল্লা ও সৌন্দর্য বৃদ্ধি করতে চান তাহলে জবা ফুল বেছে নিতে পারেন। জবার তেলে চুল যেমন হয় ঘন হবে তেমন কালো আর মসৃণও হবে। গরমে কেমন হবে ছোটদের হেয়ার স্টাইল চুলের ঘনত্ব বাড়বে, চুলের গোড়াও মজবুত হবে জবার তেলে কেরাটিন রয়েছে। এই কেরাটিন চুলে প্রোটিনের উৎপাদন বাড়ায়। ফলে চুলের ঘনত্ব বাড়ে ও চুলের গোড়া মজবুত হয়। গবেষণায় দেখা গেছে জবাতে রয়েছে ভিটামিন ই, ভিটামিন সি। এই ভিটামিন চুলে প্রাকৃতিক জেল্লা ধরে রাখে। ফলিকলগুলিও পুষ্টি পায়। নতুন চুল গজাতেও সাহায্য করে। মাথার ত্বকে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে, ফলে চুল পুষ্টি পায়। তাহলে দেখে নিন কীভাবে জবা ফুলের নির্যাস দিয়ে তৈরি করবেন তেল। উপকরণ- ২ থেকে ৩টি জবা ফুল, ১টি অ্যালোভেরার পাতা, ১টি ভিটামিন ই ক্যাপসুল। প্রণালী- প্রথমে জবা ফুলগুলি খুব ভালো করে ধুয়ে পরিষ্কার করে নিন। এ বার মিক্সিতে ভালো করে পেস্ট বানিয়ে নিন। এরপর অ্যালোভেরার পাতাটা ভাল করে ধুয়ে মাঝ বরাবর চিরে ভিতরের জেলটা চামচ দিয়ে বার করে নিন। একটা পাত্রে ফুলের পেস্টের সঙ্গে অ্যালোভেরা জেলটা মিশিয়ে নিন। এটি চামচ দিয়ে নেড়ে মিহি একটা মিশ্রণ তৈরি করবেন। ভিটামিন ই ক্যাপসুল ভেঙে ভিতরের তেলটা ওই মিশ্রণে মিশিয়ে নিন। তৈরি হয়ে গেল হেয়ার প্যাক। এই প্যাক অল্প অল্প করে হাতে নিয়ে ভাল করে চুলে লাগিয়ে নিন। চুলের গোড়া থেকে ডগায়, ম্যাসাজ করুন। এই ভাবে আধ ঘণ্টা মতো রেখে শ্যাম্পু করে নিন। কম রাসায়নিক আছে, এমন শ্যাম্পুই ব্যবহার করবেন। এ ক্ষেত্রে ভেষজ শ্যাম্পু ব্যবহার করাই ভাল। এতে চুল ঝরাও কমবে এবং চুলের নানা রকম সমস্যার হাত থেকে মুক্তি পাবেন।

আরো পড়ুন »
Cucumber for Skin care

৪০-এর পরেও ত্বকের জেল্লা-তারুণ্য ধরে রাখতে চান? এই টিপস করবে কামাল

ব্যুরো নিউজ, ১৭ জুন: একটা সময়ের পর মুখে বয়সে ছাপ, বলিরেখা আসাটা খুবও স্বাভাবিক। তবে সেসব কিছু এড়িয়েই ধরে রাখুন আপনার ত্বকের তারুণ্য। কিন্তু কীভাবে বজায় রাখবেন ত্বকের তারুন্যতা? তারুণ্য বজায় রাখতে দেখে নিন খাদ্য তালিকায় কোন খাবারগুলি রাখবেন শসা স্কিনের পক্ষে যে কতটা উপকারি তা আর বলার অপেক্ষা রাখেনা। শসা যেমন শরীরের জন্য উপকারি তেমন ত্বকের জন্যও উপকারি। আমরা কম বেশি অনেকেই শসার টুকরো চোখে দিয়ে রাখি। এতে চোখের ফোলা ভাব ও চোখের তলার ডার্ক সার্কেল কমে। তবে স্কিনের জন্যও শসা কম উপকারি নয়। গরমে ত্বককে সতেজ রাখতে শসা ব্যবহার করে থাকেন তনেকেই। শসার মধ্যে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ভিটামিন এ, বি, ও সি, ফলিক অ্যাসিড স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। যা ত্বকের সমস্যা কমাতে সাহায্য করে ও ত্বকের জেল্লা-তারুণ্য ধরে রাখে। কীভাবে শসা ব্যবহার করবেন? শসার স্কিন টোনার ব্যবহার করতে পারেন। শসার পেস্ট করে রস ছেঁকে নিন। তাতে গোলাপ জল মিশিয়ে নিন। এই ফেস টোনার ফ্রিজে রেখে রোজ ব্যবহার করুন। গরমে ত্বক থাকবে সতেজ। শসা পেস্ট করে তাতে মধু, অ্যালোভেরা জেল বা টক দইয়ের ফেসপ্যাক বানিয়ে তা লাগিয়ে নিন। ১৫ মিনিট রেখে এবার ধুয়ে নিন। এতে স্কিন ভেতর থেকে পরিষ্কার হবে ও এই ফেসপ্যাক ত্বককে টানটান করবে। শসা গ্রেট করে তাতে চিনি মিশিয়ে ১০ মিনিটের জন্য রেখে দিন। এবার ওই মিশ্রনটি স্ক্রাব হিসাবে ব্যবহার করুন। এতে লোমকুপে জমে থাকা ময়লা ক্লিন করবে। ত্বক নরম, কোমল হবে।

আরো পড়ুন »
Beauty Tips

ঘরে বসেই পান মুখে গোল্ডেন গ্লো, রইল টিপস

ব্যুরো নিউজ, ১৬ জুন: চকচকে গ্লোয়িং স্কিন কে না চায়। তার জন্য নামি দামী ব্র্যান্ডের প্রোডাক্ট, গোল্ড ফেসিয়াল সব কিছুই ফিকে! কিন্তু বাড়িতে বসেই যদি পান সফট গ্লোয়িং স্কিন, তবে কেমন হয়? গরম থেকে রেহাই পেতে বারবার সাবান দিয়ে স্নান করছেন? অজান্তেই নিজের ত্বকের ক্ষতি করছেন না তো? দিনে অন্তত ২ বার মুখ পরিষ্কার করা প্রয়োজন। সারা দিনের ধুলো- ময়লা লোম কুপে জমে যায়। আর তা সময় মতো পরিষ্কার না করলে আপনার স্কিনের জন্যই ক্ষতি। ফলে সকালে ও রাতে ঘুমানোর আগে অবশ্যই ফেস ক্লিন করা প্রয়োজন। মুখ পরিষ্কার করার সময় ঠান্ডা জল ব্যবহার করলে তা আপনার স্কিনের জন্য ভালো। গরমে ঠাণ্ডা জল দিয়ে মুখ ধুলে তা আপনার ত্বকের ক্লান্তি দূর করবে। স্কিন অনেকটা রিফ্রেসিং লাগবে। পার্লরে যেতে হবে না। বাড়িতেই নিয়মিত ফেস মাসাজ করতে পারেন। এতে রক্ত চলাচল ভালো হবে। ফলে আওনার স্কিন হবে ভেতর থেকে হেলদি। বাইরেও ত্বকের জেল্লা চোখে পড়ার মত। বাড়িয়ে বানিয়েই ফেস মাস্ক ব্যবহার করুন। দুধের সর ও বেসন মিশিয়ে বানিয়ে নিতে পারেন। প্রয়োজনে মুধুও ব্যবহার করতে পারেন। এরপর তা মুখে লাগান। দিনে বাইরে বেরলে সানস্ক্রিন অবশ্যই ব্যবহার করুন। যতই মেখালা আকাশ থাক, তবুও সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন। এছাড়াও, থেলদি খাবার ও পর্যাপ্ত জল খান। সঙ্গে প্রতিদিন ৭-৮ ঘণ্টা খুমও অবশ্যই প্রয়োজন।

আরো পড়ুন »
Summer Skin Care 

গরম থেকে রেহাই পেতে বারবার সাবান দিয়ে স্নান করছেন? অজান্তেই নিজের ত্বকের ক্ষতি করছেন না তো?

ব্যুরো নিউজ, ১৫ জুন  : গরমে নাজেহাল কমবেশি সকলেই। গরম থেকে একটু রেহাই পেতে অনেকেই বারবার সাবান মেখে স্নান করেন। এতে গায়ের ধুলো ময়লা দূর হয়, সঙ্গে একটু ফ্রেশ ভাবও আসে। কিন্তু কখনো কি ভেবে দেখেছেন গরমে বারবার ক্ষার যুক্ত সাবান ব্যবহার করে আদৌ নিজের ত্বকের কোন ক্ষতি করছেন না তো? উত্তরবঙ্গে ট্যুর প্লান! কিন্তু ধস-বিপর্যয়ের কারনে প্ল্যান চেঞ্জ? শেষ মুহূর্তে বুঝতে পারছেন না কোথায় যাবেন? আপনার জন্য সঠিক ঠিকানার সন্ধান অজান্তেই নিজের ত্বকের ক্ষতি করছেন না তো? গরমের দিনে কত বার স্নান করবেন সেটা একান্তই আপনার নিজের ব্যক্তিগত ব্যাপার। তবে প্রতি বার ক্ষার-যুক্ত সাবান মাখা এড়িয়ে চলুন। স্নানের পর তরতাজা লাগলেও আদতে তা ত্বকের জন্য ক্ষতিকর। ঘন ঘন সাবান ব্যবহার করলে ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। গায়ে র‍্যাশ ও চুলকানির সমস্যা বেড়ে যায়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ত্বক সুস্থ রাখতে সপ্তাহে তিন থেকে চার দিন সাবান মাখা যেতে পারে। রোজ সাবান মাখতে হলে এমন সাবান বেছে নিতে হবে, যেগুলোর মধ্যে ক্ষারজাতীয় কোনো রাসায়নিক নেই। গরমকালে ত্বক ভালো রাখতে ময়েশ্চারাইজার বা ক্রিম মাখতে পারেন। বিশেষ করে শরীরের খসখসে বা অতিরিক্ত শুষ্ক অংশগুলোতে। যেমন- পিঠ, ঘাড়, কনুই, নিতম্ব, হাঁটু, গোড়ালি এবং দুই পায়ে নিয়মিত ময়েশ্চারাইজার লাগাতে হবে। মাথায় রাখবেন বডি লোশন বা ময়েশ্চারাইজার কিনতে হলে ত্বকের ধরন বুঝে কিনতে হয়। গরমে সময় স্নানের ক্ষেত্রেও কিছু বিষয় নজর রাখা প্র‍য়োজন। যেমন- যতই গরম পড়ুক না কেন বেশিক্ষণ জলের তলায় থাকা যাবে না। খুব বেশি হলে ১০ মিনিট আপনি শাওয়ারের নিচে থাকতে পারেন। রোদ থেকে ফিরেই স্নান করা ঠিক নয়, কমপক্ষে ৫-১০ মিনিট বিশ্রাম নিন। তারপর স্নান করুন।

আরো পড়ুন »
dark-lips-to-gloss-lips-tips

ঠোঁট কালচে হয়ে যাচ্ছে? পিঙ্ক ঠোঁট পাবেন গ্লিসারিনের ব্যবহারেই

লাবনী চৌধুরী, ১২ জুন: অনেকেই পছন্দ করেন পিঙ্ক ঠোঁট। তবে, স্কিনের তুলনায় ঠোঁটের রং অনেকটাই ডার্ক? তবে চিন্তা নেই গ্লিসারিনের ব্যবহারেই মিলবে উপকার। চোটকে থোড়াই কেয়ার! মঙ্গলবারই শুটিংয়ে ফিরলেন ফাল্গুনী চট্টোপাধ্যায় গরমেও ঠোঁট ফাটছে? এমনকি ঠোঁট আগের থেকে অনেকটাই কালচে হয়ে গিয়েছে? ভাবছেন কি নেবেন ঠোঁটের যত্ন? কিভাবেই বা কমবে কালচে ভাব? তবে আর চিন্তার দরকার নেই। আপনার জন্যী রইল এই টিপস… ঠোঁট ফাটা বা ঠোঁট কালো হয়ে যাওয়া অন্যন্ত সাধারণ একটা ব্যাপার। এতে ঘাবরে যাওয়ার কিছু নেই। তবে ঠোঁটের বিশেষ যত্ন নিতে ব্যবহার করতে পারেন গ্লিসারিন। কীভাবে ব্যবহার করবেন? একটু তুলো নিয়ে নিন। আর তাতে পরিমাণ মত  গ্লিসারিন ঢেলে নিন। এবার গ্লিসারিনে ভেজানো তুলোটা দিয়ে বারবার ঠোঁট মুছতে থাকুন। তবে মনে রাখবেন খুব বেশি ডোলবেন না। খুব হাল্কা করে বারবার মুছুন অন্তত ঘণ্টায় ১০- ১২ বার। প্রয়োজনে গ্লিসারিনে ভেজানো তুলোটা একটা পরিষ্কার জায়গায় হাতের কাছে রেখে দিন। কাজের বা পড়াশোনার ফাঁকে ফাঁকে ব্যবহার করুন। ২-৩ দিন ব্যবহারের পরেই বুঝতে পারবেন কামাল। এতে ঠোঁট ফাটবে  না। ঠোঁটের কালচে ভাব পরিষ্কার হবে। ঠোঁটকে বিশেষভাবে ময়শ্চারাইজ করবে। ফলে এক কাজেই পাবেন অনেক ফল।

আরো পড়ুন »
Pineapple For Skin Care

ত্বকের যত্নে এই ফল কিন্তু বেশ উপকারী

শর্মিলা চন্দ্র, ১০ জুন : সময় থাকতে অবশ্যই ত্বকের যত্ন নিন। এতে ত্বক যেমন ভালো থাকবে। তেমন বয়সের ছাপ ধরে রাখবে। সব সময় পার্লারে গিয়ে যে ত্বকের যত্ন নিতে হবে এমন কোন কথা নেই। ঘরোয়া উপাদানে, ঘরোয়া পদ্ধতি ব্যবহার করেও আপনি কিন্তু ত্বকের যত্ন নিতে পারেন। সে ক্ষেত্রে মরসুমি ফল কিন্তু ত্বকের যত্নের ক্ষেত্রে খুবই উপকারী। এই সময় ত্বকের যত্ন নিতে আনারস এমনি একটি কার্যকরী ফল। এতে আলফা হাইড্রক্সি অ্যাসিড বা এএইচএ উপাদান আছে। যা ত্বক ভালো রাখে। আনারস খাওয়ার পাশাপাশি রূপচর্চায় ব্যবহার করা যেতে পারে। এই ঘরোয়া উপায়েই উঠবে মেছতার দাগ, মুখ হবে ফর্সা ও উজ্জ্বল বলিরেখা দূর করে, ত্বক দেখায় উজ্জ্বল ১) আনারসে আলফা হাইড্রক্সি অ্যাসিড বা এএইচএ উপাদান থাকায় কোলাজেন উৎপাদন করতে সক্ষম। তাই আনারসের রস নিয়মিত ত্বকে লাগালে বলিরেখা দূর হয়। আনারসের রস ত্বকে ৫ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। তারপ ভালো করে জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ২) ত্বকের বলিরেখা, ব্রণ ও দাগ দূর করে ত্বক উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে আনারস। স্নানের আগে কয়েক টুকরো আনারস ত্বকে ঘষে নিন। প্রাকৃতিক এই স্ক্রাবার মৃত কোষ ফেলে ত্বককে উজ্জ্বল করে তোলে। ৩) আনারসের রসের সঙ্গে ক্যাস্টর অয়েল ও অ্যাভোকাডো অয়েল মিশিয়ে ত্বকে মাখুন। কিছুক্ষণ পর শুকেয়ে এলে ধুয়ে নিন। ত্বক উজ্জ্বল ও পরিষ্কার দেখাবে। ৪) আনারস, ডিমের কুসুম ও দুধ একসঙ্গে মিশিয়ে ফেসপ্যাক বানান। সেই ফেসপ্যাক ভালো করে ত্বকে লাগিয়ে নিন। শুকনো পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে গেলে ভালো করে ধুয়ে নিন। এত ব্রণের সমস্যা দূর হবে। ত্বক উজ্জ্বল দেখাবে।

আরো পড়ুন »

বিশ্ব জুড়ে

গুরুত্বপূর্ণ খবর

বিশ্ব জুড়ে

গুরুত্বপূর্ণ খবর

ঠিকানা