বিশ্ব জুড়ে

গুরুত্বপূর্ণ খবর

বিসর্জনে

মেজঠাকুরণের বিসর্জনে বিশাল আড়ম্বর! মশালের আলোতে দেবীর বিসর্জন 

ব্যুরো নিউজ, ১৫ নভেম্বর: মেজঠাকুরণের বিসর্জনে বিশাল আড়ম্বর! মশালের আলোতে দেবীর বিসর্জন   পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়ার ২ নং ব্লকের মুসথুলি গ্রামের কালী ‘মেজঠাকুরণ’ নামে পরিচিত। ‘মেজঠাকুরণ’ আবার বোলতলা নামেও পরিচিত। এই পুজো প্রায় ৩০০ বছরের পুরনো। বাবুলের ফের ফুল বদল! কী বললেন বাবুল? লোকমুখে শোনা যায়, প্রায় ৩০০ বছর আগে এক তান্ত্রিক বকুল গাছের তলায় ছোট মূর্তি দিয়ে পুজো শুরু করেন। সেই তান্ত্রিকের মৃত্যুর পর তার আদেশ মতো ওই গাছ তলায় তাঁকে সমাধি দেওয়া হয়। ভক্তদের অনুদানে তৈরি করা হয় মন্দির। এরপর সেই পুজো চালিয়ে যান জমিদার। তারপর পুজোর দায়িত্ব সেখানকার বাসিন্দা রানি দাসের পর বর্তায়। চার পুরুষ ধরে পুজো চালিয়ে যায় রানি দাসের উত্তরসুরীরা। বর্তমানে এই পুজো বারোয়ারি পুজোয় পরিণত হয়েছে। পুজোর দিন দেবী মূর্তিতে রঙ করা হয়। এরপর পরানো হয় অলঙ্কার। এই পুজোয় ছাগ বলিরও রিতি আছে। তবে এই পুজোর প্রধান আকর্ষণ বিসর্জন। দেবী মূর্তিকে কাঁধে করে নিয়ে বিসর্জন দেওয়া হয়। পাটকাঠির মশালের আলোতেই বাহকরা দেবী মূর্তিকে কাঁধে করে নিয়ে পাশের গ্রামের আমডাঙ্গায় নিয়ে যাওয়া হয় বুড়ো শিবের সঙ্গে দেখা করে আসার পর মন্দিরের পাশের পুকুরে প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হয়। এই বিসর্জন দেখতে ভিড় জমান এলাকার ও আসেপাশের মানুষেরা। ইভিএম নিউজ 

আরো পড়ুন »
ডানকুনির

ডানকুনির শ্যামা মায়ের পুজোর বিশেষ আকর্ষণ ৯ ধরনের বলি

ব্যুরো নিউজ, ১৪ নভেম্বর: ডানকুনির শ্যামা মায়ের পুজোর বিশেষ আকর্ষণ ৯ ধরনের বলি  ডানকুনি উত্তর সুভাষপল্লী রক্ষাকালী পুজো এ বছর ১২৫ তম বর্ষে পদার্পণ করেছে। এই পুজোর বিশেষত্ব হোল এই পুজোয় ৯ ধরনের বিশেষ বলি দেওয়া হয়। এই পুজো অতি প্রাচীন। এই পুজোয় মা কে অন্যরকম ভাবেও পুজো করা হয়। শ্যামা মায়ের দীপান্বিতা অমাবস্যায় আরাধনা করা হয়। এইদিন ডানকুনিতে রক্ষা কালী পুজো হয়। এই পুজোর অনেক বিশেষত্ব ও মহাত্ব রয়েছে। সমস্ত ডানকুনিবাসী এই পুজোর দিনে এইখানে ধুপ মোমবাতি জ্বালাতে আসে। ১০০ তম বর্ষে পা দিলেন নৈহাটির ‘বড়মা’ কথিত আছে, এই বিশেষ দিনে যারা মায়ের কাছে মানত করেন, মা তাদের কিন্তু খালি হাতে ফেরান না। তাদের আশা তিনি পূরণ করেন। মা কে মন থেকে যারা ডাকে মা তাদের ইচ্ছেও পূরণ করেন বলে জানা যায়। অমাবস্যা পরার পর থেকে প্রতিটা ডানকুনিবাসী মন্দিরে ভিড় জমিয়ে ধুপ মোমবাতি সহযোগে পুজোয় সামিল হয়েছেন। তার সাথে প্রচুর জবার মালাও মা কে নিবেদন করা হয়েছে। এই পুজোর বিশেষত্ব হোল ছাগল, পাঠা, থেকে শুরু করে আঁখ, কলা, চালকুমড়ো বলি দিয়ে এই পুজো সম্পন্ন করা হয়। মাকে মাথায় করে নিয়ে আসা হয় ও মায়ের বিসর্জনের সময় ও মাথায় করে তাকে নিয়ে যাওয়া হয়। নিয়ম আছে, রক্ষাকালী মায়ের ভাসান রাত ১২ টার মধ্যেই দেওয়ার। সেই হিসেবে মায়ের ভাসান রাত ১২ টার আগেই দেওয়া হয়। ডানকুনি চত্বরের সব থেকে বড় পুজো হোল এই ডানকুনি উত্তর সুভাষপল্লীর রক্ষাকালী পুজো। প্রতি বছর নিয়মবিধি মেনে অতি যত্ন সহকারে এই পুজো সম্পন্ন করা হয়। ইভিএম নিউজ   

আরো পড়ুন »
দিলেন

১০০ তম বর্ষে পা দিলেন নৈহাটির ‘বড়মা’

ব্যুরো নিউজ, ১৪ নভেম্বর: ১০০ তম বর্ষে পা দিলেন নৈহাটির ‘বড়মা’ মহা ধুমধামে পূজিত হলেন নৈহাটির ‘বড়মা’ কালী। হাজার হাজার ভক্ত লাইন দিয়ে পুজো দিলেন মায়ের কাছে। নৈহাটির অরবিন্দ রোডের বড়মার পুজো এ বছর ১০০ তম বর্ষে পদার্পণ করেছে। দেশ ছাড়িয়ে এখন বিদেশেও পৌঁছে গিয়েছে বড়মার সুখ্যাতি। ২১ ফুটের নৈহাটির বড়মা ও তার সঙ্গে ১০০ কিলোগ্রামের স্বর্ণালঙ্কার দেখতে প্রতি বছর প্রচুর ভক্তদের ভিড় জমা হয়। ভক্তদের সাহাজ্যে শীতবস্ত্র প্রদানের উদ্যোগ এদিন পুজো উপলক্ষে মানুষের ভিড় উপচে পড়েছিলো নৈহাটির অরবিন্দ রোডের বিখ্যাত বড়মার মন্দিরে। যেই ভিড় সামলাতে রীতিমতো হিমশিম খেতে হয় পুলিশ প্রশাসন থেকে শুরু করে স্বেচ্ছা সেবকদের পর্যন্ত। কথিত আছে, বড়মার কাছে কিছু চাইলে কাউকে তিনি খালি হাতে ফেরান না। তাই বিশ্বাস নিয়ে বড়মার কাছে ছুটে আসে অগনিত ভক্ত।   নৈহাটির পুরপ্রধান অশোক চ্যাটার্জি বলেন, “মায়ের এতো ভক্ত আমরা বুঝতে পারিনি। বাংলার এমন কোন জেলা নেই যেই জেলা থেকে আজকে মায়ের দর্শনের জন্য লোক আসেনি। বীরভূম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, সোনারপুর, বারুইপুর, দঃ ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলী সমস্ত জেলা থেকে দর্শনার্থীদের আগমন হয়েছে। শুধু আমাদের রাজ্য বা দেশ নয়, বাংলাদেশ থেকেও ৪- ৫ জন এসেছে মায়ের কাছে দণ্ডী কাটার জন্যে। এইটা ঐতিহ্য বলুন বা ভক্তি বলুন, মায়ের কাছে নিশ্চই তারা ফল পেয়েছে তাই বার বার মায়ের দর্শনের জন্যে তারা সুদুর প্রান্তর থেকে হলেও ছুটে আসে। স্বাভাবিকভাবেই আজকে দর্শনার্থীর ঢল চোখে পরার মতো”। জানা গিয়েছে, নবদ্বীপের রাশ উৎসবে গিয়ে বড় বড় মূর্তি দেখার পরে নৈহাটির নদিয়া জুট মিলের কর্মী বিশিষ্ট সমাজসেবী ভবেশ চক্রবর্তী বড় কালী পুজোর প্রচলন করেন। পরবর্তীকালে বড় কালী বড়মা হিসাবে জনমানসে ছড়িয়ে পরে। পুজোর ৪ দিন দেবির বিশেষ পুজো করা হয়। প্রত্যেকদিন আলাদা আলাদা করে বড়মাকে ভোগ নিবেদন করা হয়। অমাবস্যার পরের থেকেই বড়মার মন্দিরে লক্ষাধিক মানুষ শুধু দণ্ডী কেটেছেন বলে জানালেন, মন্দির কমিটির সভাপতি অশোক চ্যাটার্জি। এইবছর বড়মার মন্দিরে ভক্তের ঢল চোখে পরার মতো। ইভিএম নিউজ

আরো পড়ুন »
শহুরে

গ্রামের পুজোয় শহুরে ছোঁয়া

ব্যুরো নিউজ, ১৩ নভেম্বর: গ্রামের পুজোয় শহুরে ছোঁয়া  পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরের বেত্রাগড় গ্রামের অন্তর্গত উত্তর পাড়ার কালীপুজো অতি প্রাচীন। বর্তমানে বেত্রাগড় শীতলামাতা ক্লাব সেখানে ধুমধাম করে। আগে গ্রামের সকলে মিলে এই পুজো করতো। তবে এখন  মায়ের পুজোয় লেগেছে শহুরে ছোঁয়া। ধুমধাম করে পুজো উদ্বোধন করা হয়েছে। ৩ দিনব্যাপী থাকছে খুব বড় করে নানা অনুষ্ঠান।  বিরাট প্যান্ডেলের সাথে হয়েছে বাহারি লাইটের আয়োজন। বক্রেশ্বরের প্রসিদ্ধ ঝুপকালী বা নদীপাড়ের কালীপুজোতে নেমেছে ভক্তের ঢল চারিধার ছেয়ে গেছে বিজ্ঞাপনের হোর্ডিংয়ে। পাড়ায় ঢুকলেই যেন মনে হচ্ছে বিরাট উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। এই পুজোর উদ্বোধন করেছেন, স্থানীয় থানার ওসি ইন্সপেক্টর রাকেশ সিং। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, এলাকার বিধায়ক অলক কুমার মাঝি, পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ মেহেমুদ খান, ও জামালপুর ১ পঞ্চায়েতের উপ প্রধান সাহাবুদ্দিন মন্ডল সহ বিশিষ্ট জনেরা। সোমবার এই পুজোয় আসছেন বর্তমান বাংলা চলচ্চিত্রের বিশিষ্ট অভিনেতা খরাজ মুখার্জী। তার পরে আসার কাথা আছে স্টার জলসা খ্যাত গায়ক শ্রীশান, জি টিভি খ্যাত গায়ক রাজদীপ ঘোষ সহ একাধিক গায়ক গায়িকা ও ড্যান্সার। গ্রামের সব মানুষের অংশগ্রহণে বেত্রাগড় গ্রামের পুজো জমজমাট হয়ে রয়েছে। ইভিএম নিউজ

আরো পড়ুন »
শ্যামা

আগরপাড়ার শ্যামাপুজোর ২০ তম বর্ষপূর্তি

ব্যুরো নিউজ, ১৩ নভেম্বর: আগরপাড়ার শ্যামাপুজোর ২০ তম বর্ষপূর্তি    আগরপাড়ার ‘সবাই সংঘ’ ক্লাবের শ্যামাপুজো এইবছর পা দিলো ২০ তম বর্ষে। তাদের এই বছরের থিম ‘এক টুকরো মিশর’। সেই থিমকে কেন্দ্র করে আগরপাড়া ইলিয়াস রোডের শ্যামাপুজোতে চমক দিয়েছে , ‘মিশরের পিরামিড’। ভক্তদের সাহাজ্যে শীতবস্ত্র প্রদানের উদ্যোগ শরের পিরামিড কিভাবে তৈরি হয়েছে আজও রহস্যের মধ্যে। পিরামিডের ইতিহাস প্রায় ৪,৫০০ বছরের পুরনো। পৃথিবীর সপ্তম আশ্চর্য এই পিরামিড অজস্র রহস্যের মোড়কে মোড়া।   মিশরে মানুষকে কবর দেওয়ার প্রথা হিসাবে মৃতদেহকে মমিতে পরিণত করে তাকে পিরামিডের মধ্যে কবরস্থ করার নিয়ম ছিল।মৃতদেহকে মমি করার পর রাখা হত ত্রিভুজাকৃতি মকবরার ভিতরে। মিশরীয় ভাষায় এই মকবরা হলো পিরামিড। এই এক টুকরো মিশরকে তুলে ধরেছেন শিল্পী পার্থ মাইতি। শিল্পী মিশরের ছোট ছোট চিত্র নিখুঁত ভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন । মিশরের পিরামিড, মমি থেকে শুরু করে অজস্র ছোট ছোট জিনিস চোখে পড়েছে দেখার মতো।শিল্পী তাঁর শৈল্পিক দক্ষতা অত্যন্ত নিখুঁত ও সূক্ষ্ম ভাবে ফুটিয়ে তুলেছে। ও আবহ সংগীত করেছেন শিল্পী রাঘব চট্টোপাধ্যায় । ইভিএম নিউজ

আরো পড়ুন »
বক্রেশ্বরে

বক্রেশ্বরের প্রসিদ্ধ ঝুপকালী বা নদীপাড়ের কালীপুজোতে নেমেছে ভক্তের ঢল

ব্যুরো নিউজ, ১৩ নভেম্বর: বক্রেশ্বরের প্রসিদ্ধ ঝুপকালী বা নদীপাড়ের কালীপুজোতে নেমেছে ভক্তের ঢল কথিত আছে, ‘বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণ’। দুর্গাপুজো ও লক্ষ্মীপুজো পেরিয়ে এবার পালা কালীপুজোর। আর কালীপুজো মানেই হোল আলোর উৎসব। এখন গোটা বিশ্ব সেই আলোর উৎসবে মাতয়ারা। ভক্তদের সাহাজ্যে শীতবস্ত্র প্রদানের উদ্যোগ প্রায় সব জায়গাতেই কালীপুজো উপলক্ষে মণ্ডপে মণ্ডপে মানুষের ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে চোখে পড়ার মতো। ঠিক সেইরকমই কালীপুজো উপলক্ষে বীরভূমের একটি মন্দিরে দেখা গেলো মায়ের আবাহন করা হচ্ছে ধুমধামের সাথেই। আর প্রচুর পরিমানে ভক্তের ঢল নেমেছে সেই মন্দিরে। এটি হোল বীরভূমের বক্রেশ্বরের একটি প্রসিদ্ধ মন্দির। যাকে আমরা ঝুপকালী বা নদীপাড়ের কালী মায়ের মন্দির হিসাবে চিনি। কথিত আছে, এখানে পুরনোদিনে সাধু সন্ন্যাসীরা পুজো করতে আসতেন। এখানে প্রতি আমাবস্যায় মায়ের পুজো হয়ে থাকে ও অমাবস্যায় মানুষের ভিড় থাকে চোখে পড়ার মতো। বহু বছর ধরে রীতিনীতি ও প্রথা মেনে এই মন্দিরে হয়ে আসছে মায়ের পুজো। মন্দিরের পুরোহিতের সাথে কথা বলা হলে তিনি জানান, এখানে অঘ্রানের কালীপুজো ও শিবরাত্রির পরের যে অমাবস্যা আসে সেই সময় মায়ের পুজো হয়ে থাকে। ইভিএম নিউজ

আরো পড়ুন »
জীবন

‘এক দিনেরই জীবন তবু, জবারে তোর কপাল ভালো’! জবার মার সেঞ্চুরি পার

ব্যুরো নিউজ, ১২ নভেম্বর: ‘এক দিনেরই জীবন তবু, জবারে তোর কপাল ভালো’! জবার মার সেঞ্চুরি পার   ‘এক দিনেরই জীবন তবু জবারে তোর কপাল ভালো’ গোলাপ, পদ্ম কিংবা পলাশ নয়! এবার বাজার জবার। আর একটু টাটকা জবার খোঁজেই মন্দির কর্তৃপক্ষ থেকে গেরস্ত পরিবার সকলেই। হাওড়ার মল্লিকঘাট ফুলমার্কেট থেকে শহরের গড়িয়াহাট বা মানিকতলা বাজার সর্বত্রই ক্রেতাদের এক চাহিদার হিট লিস্টে জবা ফুল। আর পুজোর আগের দিনই একাধিক বাজারে সেঞ্চুরি পার করে ফেলেছে ১০৮ জবার মালা। তবে দামের নিরিখে জবাকে সমান টক্কর দিচ্ছে পদ্ম, অপরাজিতা, এমনকি বেলপাতাও। বক্রেশ্বরের ঝুপকালী মন্দিরের পুজোর আরম্বর ব‌্যবসায়ীরা জানাচ্ছেন, গত বর্ষায় নিম্নচাপের জেরে ক্ষতি হয়েছে ফুলচাষ। পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, হাওড়া, নদিয়া, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং উত্তরবঙ্গের কয়েকটি জেলায় ফুল চাষিদের বড় ক্ষতির মুখে পড়তে হয়েছে। ফলে উৎসবের পদ্ম, রজনী, দোপাটি-সহ সমস্ত ফুলের দাম আকাশছোঁয়া।   পূজোর আগের দিন শনিবারই কলকাতার মল্লিকঘাট ফুলবাজার-সহ পূর্ব মেদিনীপুর জেলার কোলাঘাট, দেউলিয়া, কেশাপাট প্রভৃতি পাইকারী বাজারে ফুলের দাম ছিল বেশ চড়া। রজনীগন্ধা ৩৫০-৪০০ টাকা প্রতি কেজি, দোপাটি ১০০ টাকা, অপরাজিতা ৩০০ টাকা, লাল গাঁদা ৭০-৭৫ টাকা, হলুদ গাঁদা ৮০-৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। এছাড়া পদ্ম ৩৫-৪০ টাকা, গোলাপ ৩ টাকা প্রতি পিস, লাল গাঁদার তিন ফুট সাইজের মালা ১২-১৫ টাকা, হলুদ গাঁদার মালা ১৮-২০ টাকা প্রতি পিস দরে বিক্রি হয়েছে। খুচরো বাজারে গিয়ে সেই দাম আজ দ্বিগুণ হওয়ার আশঙ্কা। তবে জবা ৭০-৮০ টাকা/প্রতি শ’দরে শনিবার পাইকারী বাজারে বিক্রিহয়েছে। ১০৮ জবা ফুলের মালা গাঁদার পর বহু খুচরো বাজারে যার দাম ১০০ থেকে ১২০ টাকা পর্যন্ত ছিল। আজ পুজোর দিন বাজারভেদে সেই দাম আরও অনেকটাই বাড়বে বলেই জানাচ্ছেন ব‌্যবসায়ীরা। সংবাদ মাধ্যমের সাহায্য নিয়ে লেখা। ইভিএম নিউজ

আরো পড়ুন »
বক্রেশ্বরের

বক্রেশ্বরের ঝুপকালী মন্দিরের পুজোর আরম্বর

ব্যুরো নিউজ, ১২ নভেম্বর: বক্রেশ্বরের ঝুপকালী মন্দিরের পুজোর আরম্বর বাঙালির বারো মাসে তের পার্বণ।  দুর্গাপুজো, লক্ষ্মীপূজো শেষ। এবার পালা কালীপুজোর। ফের নাশকতার ছক? শহরে গ্রেফতার ২ অনুপ্রবেশকারী দীপাবলি মানে আলোর উৎসব! গোটা বিশ্ব সেই আলোর উৎসবে মেতে উঠেছে। আর এখানেও কালী মায়ের পূজোতে উপচে পড়া ভিড়। প্রতিটি জায়গার মতো ধুমধামের সাথে এখানেও মাকে আহ্বানের অন্যথা হলো না। কথিত আছে এখানে সাধু সন্ন্যাসীরা পুজো করতে আসছেন। এতক্ষণ যেই মন্দিরের কথা বলছিলাম। সেটি বক্রেশ্বরের ঝুপকালী বা নদীপাড়ের কালি বলা হয়। এখানে প্রতি অমাবস্যায় মানুষের ভিড় থাকে চোখে পড়ার মতো। প্রতিটি আমাবস্যায় মায়ের পূজো হয়ে থাকে। বহু বছর ধরে এই মায়ের পূজো হয়ে আসছে এখানে। বক্রেশ্বরের ঝুপকালী মন্দিরের পুরোহিত জানান কালীপুজো, অঘ্রায়নের কালীপুজো এবং শিবরাত্রির পরের যে অমাবস্যা সেই সময় মায়ের পূজো হয়ে থাকে।

আরো পড়ুন »
অলৌকিক

বীরভূমে অলৌকিক ঘটনা! চক্ষু চরকগাছ সকলের

ব্যুরো নিউজ, ১২ নভেম্বর: বীরভূমে অলৌকিক ঘটনা! চক্ষু চরকগাছ সকলের অবাক কাণ্ড! পাঁচ ফুটের মাতৃ প্রতিমা হয়ে গেল আট ফুট, বৃষ্টি ছাড়াই শুকনো পুকুর ভরলো জলে, অলৌকিক ঘটনা দেখতে ভীর নলহাটির জুঙ্গল গ্রামে। কর্মরত এক সিভিক ভলেন্টিয়ারের মৃত্যু পাঁচ ফুটের মাতৃ প্রতিমা রাতের অন্ধকারে হয়ে গেল আট ফুট। বৃষ্টি ছাড়াই শুকনো পুকুর ভরে গেল জলে। এই অলৌকিক ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বীরভূমের নলহাটি থানার জুঙ্গল গ্রামে। শুধু গ্রামবাসীরাই নন, মুখে মুখে এই ঘটনার কথা ছড়িয়ে পড়তেইে ভিড় জমাচ্ছেন আশেপাশের গ্রামের মানুষেরা। জানাগিয়েছে, দিন কয়েক আগে জুঙ্গল গ্রামের বাসিন্দা ছোটন আচার্য স্বপ্নাদেশ পেয়ে মা কালীর মূর্তি গড়ে পুজো করার সিদ্ধান্ত নেন। সেই মতো বাড়িতে মৃৎ শিল্পী ডেকে মূর্তিও তৈরি করেন। গ্রামের মধ্যে জিতুয়া ষষ্ঠীর বেদিতেই মা কালীর পুজো করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পাঁচ ফুটের মূর্তি গড়া হলেও সেই মূর্তি রাতারাতি ছয় ফুটের বেশি উচ্চতার হয়ে যায়। পাশাপাশি বেদির পাশের গোপাল গড়িয়া পুকুরে জল ছিল না। ফলে পুজোর ঘট ভরা থেকে প্রতিমা নিরঞ্জন নিয়েও চিন্তায় পরতে হয়। কিন্তু পুজো কাছে আসতেই গ্রামবাসীরা দেখেন সেই পুকুর ভরে গিয়েছে জলে। এই অলৌকিক ঘটনা জানাজানি হতেই ভিড় জমান গ্রামবাসীরা। আচার্য পরিবারের সদস্য ছোটন আচার্য জানান, “সপ্তাহখানেক আগে মা কালীর পুজো করার জন্য স্বপ্নাদেশ পান। কয়েক পুরুষ আগে গ্রামে পুজো হত। কিন্ত সেটা বন্ধ হয়ে যায়। ফলে পরিবার এবং গ্রামবাসীদের সঙ্গে আলোচনা করে পুজো করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেই মতো বাড়িতেই শিল্পী ডেকে মূর্তি গড়া হয়। কিন্তু কারিগর দেখেন মূর্তির উচ্চতা রাতারাতি বেড়ে গিয়েছে। একই সঙ্গে আমরা চিন্তা করছিলাম কোথায় পুজোর ঘট ভরব এবং প্রতিমা নিরঞ্জন করব। দু’দিন থেকে দেখছি সেই পুকুর জলে ভরে গিয়েছে। ফলে এটা আমরা ঠাকুরের কৃপা বলে মনে করছি”। এই ঘটনার পরেই গ্রামে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পরে। আশেপাশের গ্রামের মানুষ ভিড় জমাচ্ছেন জুঙ্গল গ্রামে। গ্রামের বাসিন্দারা জানান, “আমাদের কাছে এটা অলৌকিক। এরকম আগে কখনো দেখিনি।” ইভিএম নিউজ

আরো পড়ুন »
পীরের

মঙ্গলকোটে পীরের মাজারে চাদর চাপিয়ে সূচনা কালিপুজোর

ব্যুরো নিউজ, ১১ নভেম্বর: মঙ্গলকোটে পীরের মাজারে চাদর চাপিয়ে সূচনা কালিপুজোর পূর্ব বর্ধমান জেলার মঙ্গলকোটে একদা মুঘল সম্রাট শাহজাহান সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির যে নজির গড়ে গেছেন, তার শিক্ষা ও দীক্ষার গুরু আব্দুল হামিদ দানেশখান্দকে ( হামিদ বাঙালি) নিয়ে, সেই সম্প্রীতির মেলবন্ধন এখনও আগের মতই অক্ষত। এখানে পীরের মাজারে চাদর চাপিয়ে সূচনা হয় কালিপুজোর। কালীপুজোয় যাত্রীদের দেওয়া রেলের অতিরিক্ত লোকাল ট্রেনের উপহার শুক্রবার মঙ্গলকোটের পুরাতন থানায় পীর বাবার মাজারে চাদর চাপিয়ে মঙ্গলকোট থানার কালীপুজোর শুভ সূচনা করলেন পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ সুপার আমনদীপ। সেখানে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের সভাধিপতি শ্যামাপ্রসন্ন লোহার, স্থানীয় বিধায়ক অপূর্ব চৌধুরী, অতিরিক্ত জেলা পুলিশ সুপার ধ্রুব দাস, মহকুমা পুলিশ অফিসার কৌশিক বসাক, আইসি পিন্টু মুখার্জি সহ আরও অনেকে। অবিভক্ত বর্ধমান জেলার মঙ্গলকোট থানার পীর পাঞ্জাতন বাবার মাজারে চাদর চাপিয়ে কালীপুজোর শুভ সূচনার রীতি শতাধিক বছরের পুরনো। আজও সেই রীতি অব্যাহত রয়েছে সমানভাবে। এদিন কালীপুজোর শুভ সূচনা করে এলাকার ২০০০ দুস্থ মানুষকে মঙ্গলকোট থানার পক্ষ থেকে কম্বল বিতরণ করা হয়। কথিত আছে, আঠারো অলি খ্যাত মঙ্গলকোটে সূদুর পারস্য থেকে পায়ে হেঁটে এই মঙ্গলকোটে এসেছিলেন সুফি আব্দুল হামিদ দানেশখন্দ। পরবর্তীতে আফগান ও মুঘলের যুদ্ধের সময় বর্ধমান মহারাজার মহলে এসেছিলেন সম্রাট শাহজাহান। সেসময় সম্রাট শাহজাহান মঙ্গলকোটে সুফি আব্দুল হামিদ দানেশখন্দের সান্নিধ্যে আসেন।দীক্ষাও নেন সেইসময়। পরবর্তীতে গুরুর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনে সুদূর দিল্লি থেকে মুঘল সম্রাট শাহজাহান বাদশা পায়ে হেঁটে আসেন এই মঙ্গলকোটে। আব্দুল হামিদ দানেশখন্দ নিজে ছিলেন একজন পারস্যের বাসিন্দা। মুঘল আমলের শিক্ষা ও দীক্ষা গুরু হলেও বাংলা ও বাঙালিকে ভালোবেসে তিনি নিজের পরিচয় বহন করতেন ‘বাঙালি’ হিসাবে । তাই তো এই সুফি কে আপামর বাঙালিরা চেনেন ‘হামিদ বাঙালি’ হিসাবে। এহেন মঙ্গলকোটে থানার কালিপুজো সূচনা ঘটে পীরের মাজারে চাদর চাপিয়ে। ইভিএম নিউজ 

আরো পড়ুন »

বিশ্ব জুড়ে

গুরুত্বপূর্ণ খবর

বিশ্ব জুড়ে

গুরুত্বপূর্ণ খবর

ঠিকানা