ব্যুরো নিউজ,১৫ জুলাই: এ যেন শেষ হবার নয় কলকাতার দক্ষিণ থেকে একেবারে উত্তর এমনকি পূর্ব কলকাতা থেকে মধ্য কলকাতা। সর্বত্রই তৃণমূলের মধ্যে অন্তর দন্দ। তোলার ভাগাভাগি নিয়ে এবার কলকাতার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সুনন্দা সরকারের সঙ্গে সরাসরি ঝামেলা শুরু হয় তৃণমূল নেতা কেদার দাসের। এমনকি সুনন্দার হাতে চর থাবড়াও জোটে কেদারের কপালে। মার খেয়ে কেদারের দলবল নানা অভিযোগ এনেছে সুনন্দার বিরুদ্ধে। জানা গেছে সুনন্দা সরকার সকালে যখন লক্ষ্য করে এলাকা পরিষ্কারের কাজে পুরসভার লোকজন ব্যস্ত তখনই দলবল নিয়ে কেদার আক্রমণ করে ওই লোকজনের ওপর। ঘটনা সামাল দিতে গিয়ে সুনন্দার স্বামী ও বেশ কয়েকজন মার খায়। কেদার দাসেরা ইট এবং লাঠি নিয়ে পেটায় সুনন্দার স্বামী সহ কয়েকজনকে। মাথা ফেটে যায় কাউন্সিলারের স্বামীর, তাতেই ক্ষিপ্ত হয়ে যান সুনন্দা। শেষ পর্যন্ত দলবল নিয়ে সুনন্দা কেদারকে ঘিরে ধরে, চলে তার ওপর চড় থাবড়া। ওই ঘটনার ভিডিও ভাইরাল হতেই তৃণমূল মুখপাত্র কুনাল ঘোষ বলেন এ ধরনের কাউন্সিলরের মারধোর অনভিপ্রেত। তবুও বিষয়টি দল দেখছে। প্রয়োজনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আয় করা টাকা জলের মতো খরচ হচ্ছে, কীভাবে টাকা জমাবেন, নয়া টিপস জেনে নিন
তৃণমূলের দলীয় কোন্দল প্রকাশ্য
অভিযোগ সকাল বেলা কাজের সময় কেদার ও তার দলবল আক্রমণ করলে রক্তাক্ত হয় কাউন্সিলারের অনুগামী ও তার স্বামী। তাতেই মেজাজ বিগড়ে যায় সুনন্দার। অভিযোগ গত লোকসভা নির্বাচনে দলীয় সাংসদ পদে লড়াই করা প্রার্থী সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় কে হারিয়ে দেওয়া র চেষ্টা করেছিল কেদাররা। এমনকি তারা দলের পোস্টার ফেস্টুন প্ল্যাকার্ড কোনটাই লাগায়নি। প্রচারে নামেনি এখন তারা তৃণমূল কিনা তা কেউ জানে না তৃণমূল কর্মী হলে দলীয় সমর্থক ও কাজের লোককে এভাবে রক্তাক্ত করত না। অপরদিকে কেদারের দলবল জানায় কাউন্সিলার সুনন্দা ও তার স্বামী প্রমোটিং এ ব্যস্ত। সোনাগাছির কাছেই একটি জমি ও বাড়ি তারা দখল করে। সেখান থেকে প্রতিদিন বহু টাকা তোলা আদায় করে। এলাকায় সাতটা জুয়ার ঠেক বসায় তারা এরই প্রতিবাদ করেছিলেন।কেদারের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে কাউন্সিলর দলবল নিয়ে তাদের ওপর চড়াও হয়।। এ বিষয়ে বিজেপি নেতা কলকাতা পুরসভার কাউন্সিলর সজল ঘোষ বলেন বিষয়টি আসলে বোখরার গোলমাল । পিসির দল আর ভাইপোর দলের মধ্যে ভাগাভাগি নিয়ে মারামারি। পিসির দিকে রয়েছে কাউন্সিলর আর ভাইপোর দিকে যুবনেতা কেদার। এদের মধ্যে দীর্ঘ দিনেরই গোলমাল। কাউন্সিলার অবশ্য জানিয়েছেন দীর্ঘদিন ধরে কেদারদের এই বার বারন্ত। তিনি পুলিশকে জানিয়েছেন এমনকি ডেপুটি কমিশনারের কাছেও চিঠি লিখেছেন কিন্তু তারা কোন ব্যবস্থা নেয়নি। তাই তিনি বাধ্য হয়ে ঘটনার দিনে মেজাজ ঠিক রাখতে পারেননি।
লাগবে না কোনো পরীক্ষা, বেতন প্রায় ৭০ হাজার, আবেদন করলেই চাকরি দিচ্ছে টাটা
বিরোধীদের অভিযোগ তৃণমূল কংগ্রেস এভাবেই তোলাবাজি রাজত্ব কায়েম করেছে পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সব জেনেশুনেও হিমালয় পর্বতে ধ্যানে মগ্না ঋষির মত। তিনি কিছুই দেখতে পাচ্ছেন না অথচ প্রকাশ্যে সবাই বলছেন ৭৫ /২৫ এর ভাগ চাই। রাজ্যজুড়ে এ ধরনের কেদার আর সুনন্দা ছড়িয়ে রয়েছে।