চিনির

ব্যুরো নিউজ, ৩ জানুয়ারি: চিনির দাম বাড়ার আশঙ্কা 

দেশে আখের উৎপাদন কম হওয়ায় উৎপাদন কমলো চিনির। ভারতের চিনিকলগুলিতে ১ অক্টোবর থেকে ৩ মাসে মোট চিনি উৎপাদন হয়েছে ১১.২১ মিলিয়ন টন। গত বছরের তুলনায় এবার সারে সাত শতাংশ কম চিনি উৎপাদিত হয়েছে। ফলে খোলা বাজারে চিনির দাম বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বর্তমানে খোলা বাজারে ৪৮- ৪৯ টাকা প্রতি কেজি দরে চিনি বিক্রি হচ্ছে। এক লাফে তা প্রায় ৩- ৪ টাকা বাড়তে পারে।

ভীমগড় হনুমান কমিটির উদ্যোগে হনুমান মন্দির প্রতিষ্ঠা ও উদ্বোধন

ন্যাশনাল ফেডারেশন অফ কোঅপারেটিভ সুগার ফ্যাক্টরির কর্তারা জানিয়েছেন, ২০২২ সালের অক্টোবর- ডিসেম্বর এই ৩ মাসে মহারাষ্ট্রে চিনি উৎপাদিত হয়েছিলো ৪.৭৪ মিলিয়ন টন। ২০২৩ এর অক্টোবর- ডিসেম্বরে সেই উৎপাদন কমে দাঁড়িয়েছিল ৩.৮২ মিলিয়ন টন। কর্ণাটকে চিনি উৎপাদন কমেছে গতবারের তুলনায় ২.৪ মিলিয়ন টন।

আখ উৎপাদন কমের কারণ হিসাবে বলা হয়েছে, বৃষ্টি কম হওয়ার দরুনেই আখ উৎপাদন হয়নি সেভাবে। ফলে এবার ভারতকে বিদেশ থেকে চিনি আমদানি করতে হতে পারে। একই সঙ্গে জানানো হয়েছে, ইথানল উৎপাদনের জন্য চিনি উৎপাদন কমেছে। কারণ কেন্দ্রীয় সরকার ইথানল উৎপাদনের উপর জোর দিয়েছে। আরও ইথানল উৎপাদনে চিনির ব্যবহার বাড়াতে বলা হয়েছে। ভারতে জ্বালানী তেলের চাহিদা পুরনের জন্য ৮৫ শতাংশ তেল আমদানি করতে হয়। তেলের আমদানি কমাতে কেন্দ্রীয় সরকার ইথানল উৎপাদনের উপর আরও বেশি গুরুত্ত দিচ্ছে। বর্তমানে পেট্রোলের সঙ্গে ১০ শতাংশ ইথানল মেশানো হয়। ইথানলের উৎপাদন বাড়ানো হলে পেট্রোলের সঙ্গে তা কি আরও বেশি মেশানো হবে? সে প্রশ্নই বড় হয়ে দেখা দিয়েছে। তবে দেশের আভ্যন্তরীণ বাজারে চিনির সরবরাহ ঠিক রাখতে ও মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রন করতে চিনির রপ্তানির উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করতে পারে দিল্লী সরকার। ইভিএম নিউজ

বিশ্ব জুড়ে

গুরুত্বপূর্ণ খবর

বিশ্ব জুড়ে

গুরুত্বপূর্ণ খবর