ইভিএম নিউজ ব্যুরো, ৭ অগাস্টঃ (Latest News) “অভিষেক যদি নির্দোষই হন, তো গ্রেফতারের ভয় পাচ্ছেন কেন? কেনই বা ইডির সমন এড়িয়ে যাচ্ছেন?
বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে অভিষেককে জিজ্ঞাসাবাদ সংক্রান্ত মামলার শুনানির সময় অভিষেকের উদ্দেশ্যে এমনই প্রশ্ন করতে শোনা গেল ইডির আইনজীবী এস ভি রাজুকে।
কুন্তল ঘোষের চিঠি সংক্রান্ত মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসা করতে পারবে ইডি (ED) এবং CBI। এই রায়ই দিয়েছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। এই রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের শরণাপন্ন হয়েছিলেন অভিষেক। সুপ্রিম কোর্টে তার আবেদন ছিল, শিক্ষায় নিয়োগ দুর্নীতিতে তার বিরুদ্ধে করা ইডির যাতে অবিলম্বে খারিজ করা হয়। পাশাপাশি তার বক্তব্য ছিল, ইনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরের আধিকারিকরা তাকে তাঁদের দফতরে ডেকে পাঠিয়ে হেনস্থা করছে।
এরপরই সুপ্রিম কোর্ট এই মামলার শুনানি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের বেঞ্চ থেকে সরিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহার বেঞ্চে পাঠায় । এই মামলাই হাত বদল হয়ে শেষমেষ বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের বেঞ্চে আসে। বৃহস্পতিবার এই মামলার শুনানির সময় অভিষেকের আইনজীবী অভিষেক মনুসিংভি বিচারপতির উদ্দেশ্যে বলেন, গত এক বছর ধরে নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে তদন্ত চললেও কখনও অভিষেকের নাম উঠে আসেনি। তবুও তদন্তের স্বার্থে অভিষেককে ডেকে পাঠালেও তিনি যথা সময়ে হাজিরা দিয়েছেন। দুর্নীতির সঙ্গে তার কোন যোগাযোগ না থাকলেও তিনি তদন্তে সাহায্য করেছেন। তাই তাকে এই মামলা থেকে নিষ্কৃতি দেওয়া হোক।
এরপরই ইডির আইনজীবী এস ভি রাজুর বক্তব্য, ‘সমন পাঠিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে ডাকা মানেই তাঁকে হেনস্থা করা হচ্ছে? এমন কেন ভাবছেন তিনি? তিনি এত প্রভাবশালী যে জিজ্ঞাসাবাদ করতেও ডাকা যাবে না? তা হলে তো তদন্তই অসম্পূর্ণ থেকে যাবে! তিনি যদি নির্দোষই হন, তা হলে কেন গ্রেফতারের ভয় পাচ্ছেন? কেন সমন এড়িয়ে যাছেন? আজ অভিযুক্ত নন বলে, কালও যে অভিযুক্ত হবেন না, এমনটা তো নয়।’’
ইডির আইনজীবীর আরো বক্তব্য, শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে যে আর্থিক লেনদেন হয়েছে তার সঙ্গে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের যোগসূত্র পাওয়া গিয়েছে। আর তার জন্যই তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হচ্ছে। বহু গরিব পরিবারের ছেলে-মেয়েদের থেকে টাকা নেওয়া হয়েছে। তদন্ত কি ভাবে হবে না হবে তা এজেন্সির হাতেই ছেড়ে দেয়া উচিত। (EVM News)
















