ব্যুরো নিউজ ১ এপ্রিল : বিগত কয়েকদিন ধরে মায়ানমার ও থাইল্যান্ডে ভয়াবহ ভূমিকম্প নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে। যদিও ভূমিকম্পের কেন্দ্র ছিল মায়ানমার, কিন্তু তার প্রবল কম্পনে কেঁপে ওঠে থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংকক-ও। এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তবে সবচেয়ে বড় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে একটি ৩০ তলা নির্মীয়মাণ বিল্ডিং ধসে পড়ার ঘটনায়।থাইল্যান্ড প্রশাসন জানাচ্ছে, ভূমিকম্পের সময় অনেক উঁচু ভবন টিকে গেলেও একটি নির্দিষ্ট ৩০ তলা বিল্ডিং ধূলিসাৎ হয়ে যাওয়া অস্বাভাবিক। তদন্তে বেরিয়ে এসেছে, বিল্ডিংটির নির্মাণ দায়িত্বে ছিল একটি চিনা সংস্থা। ফলে প্রশ্ন উঠছে— তারা কি নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহার করেছে?
লন্ডনে বঙ্গশিল্প সম্মেলনে ব্রিটিশ বণিকদের বাংলায় বিনিয়োগের আহ্বান
থাইল্যান্ড সরকার দ্রুত তদন্ত শুরু করেছে, যাতে এই ঘটনার প্রকৃত কারণ জানা যায়।এই রহস্যজনক ধসের পরই থাইল্যান্ড পুলিশ চারজন চিনা নাগরিককে গ্রেফতার করেছে। অভিযোগ, তারা বিল্ডিং ধসে পড়ার পর গোপন নথিপত্র নষ্ট করার চেষ্টা করছিল। সরকারের অনুমান, নির্মাণে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করা হয়েছে, যা দুর্নীতিরই প্রমাণ।এই ঘটনার পর, থাইল্যান্ড প্রশাসন চিনা সংস্থাগুলোর নির্মিত অন্যান্য ভবনের তালিকা তৈরি করছে এবং সব কটি বিল্ডিং খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।নীয় সময় দুপুর দেড়টা নাগাদ মায়ানমারে ১০ কিমি গভীরে ভূমিকম্পের উৎপত্তি হয়। এর প্রভাবে শুধু থাইল্যান্ড নয়, ভিয়েতনামও কেঁপে ওঠে। শক্তিশালী কম্পনের পর একাধিক আফটারশক অনুভূত হয়েছে, যা আরও ভয়াবহতা বাড়িয়েছে।
বাংলাদেশ স্বাধীনতা দিবসে মুজিবের নাম মুছে দেওয়ার চেষ্টা হোলো,মোদির চিঠিতে খোঁচা ইউনূসকে।
এখনও পর্যন্ত পাওয়া তথ্যে জানা গিয়েছে, এই ভূমিকম্পে ১,০০০-এর বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে এবং বহু ভবন ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।থাইল্যান্ড সরকার প্রশ্ন তুলেছে, কেন চিনা সংস্থাগুলোর নির্মাণকাজে বারবার গাফিলতির অভিযোগ ওঠে? শুধু এই একটি ভবন নয়, অনেক চিনা নির্মাণ প্রকল্পের মান নিয়েও সন্দেহ তৈরি হয়েছে।থাইল্যান্ডের রিয়েল এস্টেট সেক্টরে চিনের বিশাল বিনিয়োগ রয়েছে। কিন্তু এই ঘটনায় চিনের প্রকল্পগুলোর বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।এই ধস কি শুধুই ভূমিকম্পের কারণে, নাকি এর পিছনে চিনের নিম্নমানের নির্মাণ কাজের জালিয়াতি রয়েছে? সেটাই এখন তদন্তের বিষয়।