ব্যুরো নিউজ ১ এপ্রিল : পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার দাসপুরের ধরমপুর গ্রামে হিন্দু সন্ন্যাসী হিরন্ময় গোস্বামী মহারাজের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দার ঝড় উঠেছে। এই ঘটনায় বিজেপির বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এবং পশ্চিমবঙ্গে ধর্মীয় সহিষ্ণুতা সংকুচিত হওয়ার অভিযোগ তুলেছেন। তিনি এক দীর্ঘ পোস্টে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন এবং অভিযোগ করেছেন যে, পশ্চিমবঙ্গে জিহাদিদের অবাধ বিচরণের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে, যা পরিণত হচ্ছে হিন্দু ধর্মের মানুষের জন্য বিপদের কারণ।
বাংলাদেশ স্বাধীনতা দিবসে মুজিবের নাম মুছে দেওয়ার চেষ্টা হোলো,মোদির চিঠিতে খোঁচা ইউনূসকে।
শুভেন্দু অধিকারী তার পোস্টে লেখেন, “ওপার প্রভু চিন্ময়, আর এপার প্রভু হিরন্ময়!” এই মন্তব্যের মাধ্যমে তিনি একে বাংলাদেশের পরিস্থিতির সঙ্গে তুলনা করেছেন। শুভেন্দুর অভিযোগ, যেমন বাংলাদেশে হিন্দুদের ধর্মাচরণে নানা বাধা আসছে এবং সেখানকার জিহাদিরা অবাধে কাজ করছে, তেমনই পশ্চিমবঙ্গেও সনাতন ধর্মের মানুষদের ধর্মাচরণের স্বাধীনতা কমে যাচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, “বাংলাদেশে যেভাবে জিহাদিরা মুক্তাঞ্চলে পরিণত হয়েছে, সেভাবে পশ্চিমবঙ্গেও তা ঘটছে।”
এই হামলার বর্ণনা দিয়ে তিনি জানান, ৩১ মার্চ রাত ১১টার সময় হিরন্ময় গোস্বামী মহারাজ ভাগবত শাস্ত্র পাঠের পর প্রসাদ গ্রহণ করে বাইরে হাঁটছিলেন, তখন দুটি দুষ্কৃতী অতর্কিতভাবে তাঁর ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা মহারাজকে গলায় দড়ি দিয়ে চেপে ধরে এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে। এমনকি মহারাজের জটা কেটে দেওয়া হয়। বর্তমানে তিনি ঘাটাল হাসপাতাল চিকিৎসাধীন।
হতাশ রাহানে! কলকাতার হারের জন্য কাকে দুষলেন নাইট অধিনায়ক?
শুভেন্দু অধিকারী এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে প্রশাসনের কাছে আবেদন করেন, যেন দ্রুত হিরন্ময় মহারাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়। তিনি আরও বলেন, “একপাশে ওপার বাংলায় চিন্ময় কৃষ্ণ দাস প্রভুকে মিথ্যে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে বন্দি করা হয়েছে, আর এপার বাংলায় সন্ন্যাসীদের ওপর হামলা হচ্ছে।” তাঁর মতে, এই ঘটনা পশ্চিমবঙ্গে ধর্মীয় স্বাধীনতার সংকট এবং জিহাদিদের দাপটের ইঙ্গিত দেয়।শুভেন্দুর এই মন্তব্যে আরও একবার পশ্চিমবঙ্গের ধর্মীয় পরিবেশ নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে রাজ্যে সনাতন ধর্মের ওপর আঘাত আসছে এবং সরকারের নীরব ভূমিকার কারণে এমন ঘটনা বেড়ে চলেছে।